কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ঠিক?
A. অগ্নি-বীণা : ১৯২২
B. চক্রবাক : ১৯২৯
C. সাম্যবাদী : ১৯২৫
D. বিষের বাঁশী : ১৯৪২
সঠিক উত্তরঃ
A.
অগ্নি-বীণা : ১৯২২
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম লেটোর দলে যোগ দেন?
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।উদ্দীপকের মামুনের মনোভাবনার মধ্য দিয়ে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে ভন্ডামি নয়-আত্মাকে চেনাপরাবলাম্বননিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার পথ' আমাকে কী দেখাবে?
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' এই কথাটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে কি না তা নিজের ভাষায় তুলে ধরো।
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কার লেখা?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' কোন ধরনের রচনা?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- রক্তের অক্ষরে দেখিলামআপনার রূপচিনিলাম আপনাকেআঘাতে আঘাতে;সত্য যে কঠিনকঠিনেরে ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'আমি সে দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, দেশের শত্রু হলো-
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন?
- নিজেকে চিনলে, নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার বলে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল উপজীব্য কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল কোনটি?
- 'সবচেয়ে বড় দাসত্ব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন?
- আত্মবিশ্বাসহীন ব্যক্তি কীরূপ?
- শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিলসমূহ চিহ্নিত কর।
- কাজী নজরুল ইসলাম সর্বদা কাকে নমস্কারজানিয়েছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী খুব বেশি বিনয় আমাদের কী করে?
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।'উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?'-কথাটি কার?
- “রাজবন্দীর জবানবন্দী" নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে কবি যে ধর্মের কথাবলেছেন, তা হলো-
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতীক, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।উদ্দীপকের জর্জ বার্নার্ড শ-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আমার পথ' রচনার প্রাবন্ধিকের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য বিচার করো।
- আত্মকৃত ভুলের শিক্ষা মানুষকে দুখে ও অনুশোচনার আগুনে পুড়িয়ে খাঁটি করে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ভুলের কার্যকারিতা তাই সত্যদঘাটনের শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। উক্ত সাদৃশ্য 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাক্যকে সমর্থন করে-
- "যার ভেতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।"- ব্যাখ্যা করো।
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।"আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত্য' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- প্রবন্ধকার পরাবলম্বনকে সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলেছেন কেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার করেছেন ?
- 'আমি সে দাসত্ব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত'। ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত রয়েছে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে কী তৈরি হয়?
- শফিক চৌধুরী সারাটি জীবন শিক্ষকতা করেছেন, গড়েছেন আলোকিত মানুষ। অবসরগ্রহণের পর তিনি গড়ে তুলেছেন "পরোপকার" নামে সেবা-সংগঠন। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষাদান, দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন তিনি। অনেকে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন, আবার নিন্দা এবং কটূক্তি করতেও ছাড়েন না কেউ কেউ। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন-মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।"উদ্দীপকের কবিতাংশের অনুভূতি চেতনায় ধারণ করে আলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।