স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।'
উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘বাঁধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- “আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম 'গান্ধীজি আছেন" । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললো । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব” এ কথ???গুলো কার লেখা প্রবন্ধের অংশ?
- 'কর্ণধার' শব্দটির অর্থ কী?
- নিচের কোন লেখক মহাকাব্য রচনা করেননি?
- কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল কোনটি?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচমা নয়?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?'-কথাটি কার?
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' গ্রন্থেরে লেখক কে?
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।''উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্য চেতনায় ধারণ করে অলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব'- প্রবন্ধের ভাববস্তুর আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
- ভুলের মধ্যে সত্যকে পাওয়ার উপায় হলো - বিনয়ী হওয়া ভুল থেকে শিক্ষা পাওয়া আত্নসচেতন হওয়া নিচের কোনটি সঠিক?
- আবরার সাহেব ছোটোবেলা থেকেই নিজের কাজ নিজে করে অভ্যস্ত নন। ছাত্রজীবনে বন্ধুদের উপর নির্ভর করে পার হয়েছেন। এ অভ্যাসটি আজ তাঁর কর্মজীবনেও বহমান। অফিসে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক ছোটো হতে হয়। কর্তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়ে ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন। অথচ তার বাল্যবন্দু লেনিন সাহেব সৎ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। অর্থাৎ ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও তারা উভয়ই পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের। লেনিন সাহেব বাল্যবন্ধুকে অন্যায্য কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন এবং তিনি তাকে এটাও বোঝাতে চেষ্টা করেন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং কঠোর পরিশ্রমই মানুষকে সাফল্য এনে দেয়।উদ্দীপকের লেনিন সাহেবের ভাবচেতনাই 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল সুর। -এ কথাটির মূল্যায়ন করো।
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল'- ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- কে বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পায় না?
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করিবিচিত্র ছলনা-জালেহে ছলনাময়ী।সত্যেরে সে পায়।আপন আলোকে ধৌত অন্তরে অন্তরে।কিছুতে পারে না তারে প্রবঞ্চিতে,শেষ পুরষ্কার নিয়ে যায় সে যেআপন ভান্ডারে।"তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি-বিচিত্র ছলনা-জালে হে ছলনাময়ী।"- উদ্দীপকের এই লাইনটির মাধ্যমে বর্তমান সমাজব্যবস্থার বিশেষ দিকটি ইঙ্গিত করে 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে শিখনফল হিসেবে দেশের প্রতি তোমার একক দায়িত্ব কী তা বিশ্লেষণ করো।
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।