কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
A. অগ্নি-বীণা
B. বিষের বাঁশি
C. সন্ধ্যা
D. রাত্রিশেষ
সঠিক উত্তরঃ
D.
রাত্রিশেষ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আত্মাকে চিনতেই আত্মনির্ভরতা আসে'- বুঝিয়ে লেখ।
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপকে ‘আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?
- কারা বাইরের গোলামি থেকে রক্ষা পায় না?
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যা বললেন তা বুঝতে পারল পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়াকয়েকজন শিক্ষার্থী। শিক্ষকতো আছেনই বোঝানোর জন্য, এইভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য। উদ্দীপকের 'শিক্ষক' 'আমার পথ' প্রবন্ধের কার সাথেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মাকে চিনতে বলেছেন কোন প্রয়োজনে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'সম্মার্জনা' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো-
- বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম লেটোর দলে যোগ দেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, দেশের শত্রু হলো-
- আবরার সাহেব ছোটোবেলা থেকেই নিজের কাজ নিজে করে অভ্যস্ত নন। ছাত্রজীবনে বন্ধুদের উপর নির্ভর করে পার হয়েছেন। এ অভ্যাসটি আজ তাঁর কর্মজীবনেও বহমান। অফিসে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক ছোটো হতে হয়। কর্তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়ে ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন। অথচ তার বাল্যবন্দু লেনিন সাহেব সৎ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। অর্থাৎ ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও তারা উভয়ই পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের। লেনিন সাহেব বাল্যবন্ধুকে অন্যায্য কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন এবং তিনি তাকে এটাও বোঝাতে চেষ্টা করেন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং কঠোর পরিশ্রমই মানুষকে সাফল্য এনে দেয়। উদ্দীপকের আরমান সাহেবের বৈশিষ্ট্যে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে উঠেছে তা বর্ণনা করো।
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’ - উদ্ধৃতিটি যে রচনার অন্তর্গত-
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতী???, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।'আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা।'- মূল্যায়ন করো।
- কিভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন সনে মৃত্যুবরণ করে?
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।'আমার পথ' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে উল্লিখিত কোন অভিন্নকারণে শম্ভু মামুনের বাড়িতে যাওয়া থেকে ???িরত থাকে?
- সত্য নিজের শক্তিতে বলীয়ান। সেজন্য সত্য কখনো অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। সত্যের শক্তি না থাকলে পৃথিবী এতদিন টিকে থাকত না। সমাজের পরতে পরতে যে অসত্য লুকিয়ে আছে তার চিত্র বাস্তবায়িত হতো। বাস্তব জীবনে সত্যের সাধনা জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলে। তাই সত্যের শক্তি সার্বজনীন।উদ্দীপকের মূলভাব 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে আমার পথ আমাকে কী দেখাবে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের পথ-প্রদর্শক কে?
- "স্বল্পপ্রাণ,স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তি প্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।" কোন প্রবন্ধের অংশ?
- রক্তের অক্ষরে দেখিলামআপনার রূপচিনিলাম আপনাকেআঘাতে আঘাতে;সত্য যে কঠিনকঠিনেরে ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।'সত্য যে কঠিন; কঠিনেরে ভালোবাসিলাম' এই চরণ দুটির আলোকে 'আমার পথ' প্রবন্ধটি বিশ্লেষণ করো।
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের বিষয়গত বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- “আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম 'গান্ধীজি আছেন" । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললো । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব” এ কথ???গুলো কার লেখা প্রবন্ধের অংশ?
- ‘আমার কর্ণধার আমি । আমায় পথ দেখাবে......’- কে পথ দেখাবে?
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'"উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাবের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'গান্ধীজি আছেন' কথাটির। মর্মার্থ কী?
- বুদ্ধদেব বলেন, ‘সত্য কখনো নিষ্ঠুর, তবে সর্বক্ষেত্রেজয়ী।'উক্ত দিকটি সম্পর্কে প্রাবন্ধিকের মূল্যায়ন হলো-সত্য অবিনয়ী হতে শেখায়সত্যের সব সময় জয় হয়সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তি নিভীক হয় নিচের কোনটি সঠিক?
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে লেখক কেন পথে বের হলেন?
- রহমান গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব দবির সাহেব রাশভারী মানুষ। আনুগত্যের ভাব দেখিয়ে সকলে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল শাকিল সাহেব তা করেন না; যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। এ কারণে সহকর্মীরা শাকিল সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। কিছুদিন পর প্রতিষ্ঠানে একটি 'ম্যানেজার'-এর পদ শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে নানাভাবে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সকলে বিস্মিত হয়ে যায়। কারণ, সেই পদের নিয়োগপত্র পান শাকিল সাহেব।উদ্দীপকের শাকিল সাহেবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- চিনিলাম আপনারেআঘাতে আঘাতেবেদনায় বেদনায়;সত্য যে কঠিন কঠিনের ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- "মহত্ত্বের কাহিনী আমাদের অনেক আছে।" এখানে 'মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'সম্মানের চিরনির্বাসন' কথাটির গভীরে কোন বিষয়টি নিহিত?
- নেতৃত্ব দানে সামর্থ্য আছে এমন ব্যক্তিকে কী বলে?
- কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনে আদর্শের পথকেই সুকন্যা তার পাথেয় করে নিয়েছে। অনেক সময় এজন্য তাকে অনেকের কটূক্তি, হুমকি- ধমকিও সহ্য করতে হয়। জীবনে চাওয়া- পাওয়ার হিস??ব সে অসত্য ও চাটুকারিতার মধ্য দিয়ে মেলাতে চায় না।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন কথাটি সাদৃশ্যপূর্ণ?আমার পথ দেখাবে আমার সত্যএটা অত্মাকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তিভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয় সংকোচের কথা বলী হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- শিক্ষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিজেকে জানা, পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের সম্পর্কে জানলে আজ আর কেউ শিক্ষিত বেকার হয়ে বসে থাকত না। পরের উপর নির্ভরশীল থাকার জন্য শিক্ষিতদের মন আজ মানসিক দাসত্বে পরিণত হয়েছে।"উদ্দীপকের শিক্ষিত বেকারদের মানসিক দাসত্ব পরিবর্তনে প্রয়োজন আত্মনির্ভরতা।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে?