‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মাকে চিনতে বলেছেন কোন প্রয়োজনে?
A. ভন্ডামি দূর করতে
B. স্বাধীন হওয়ার জন্য
C. মিথ্যাকে পরিহার করতে
D. দেশের উন্নতি লক্ষ্যে
সঠিক উত্তরঃ
A.
ভন্ডামি দূর করতে
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'আমি সে দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান,সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো;মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।"নিজের, 'পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়"এ উদ্দীপকের এ কথাই 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাব"-বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- কত বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম বাক্ শক্তি হারিয়ে ফেলেন?
- চিনিলাম আপনারেআঘাতে আঘাতেবেদনায় বেদনায়;সত্য যে কঠিন কঠিনের ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।"সত্যের শক্তিতে বলীয়ান হওয়ার বিষয়টি উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যে কারণে-
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা ?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের রজতজয়ন্তী আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়া মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকে আলমের নেতৃত্বের স্বরূপ 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- সুন্দরগঞ্জ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান চৌধুরী সত্যের পথে থেকে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি মিথ্যা, ভণ্ডামি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, মিথ্যা ক্ষণিকের লুকোচুরি খেলা যা মানুষের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষার্থীদেরও তিনি মিথ্যাকে পরিহার করে সত্যের সুকঠিন পথে চলার উপদেশ দিতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, "সত্যই একমাত্র নিজেকে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে সাহায্য করে।'''সত্যের সুকঠিন পথ বর্তমান সমাজ, পরিবর্তনের আলোর পথ নির্দেশক' উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- দেশের মঙ্গলের জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কী নিয়ে পথে বের হয়েছিলেন?
- 'মানুষ- ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।' উক্তিটি কোন প্রবন্ধিকের-
- বিষয় সম্পর্কে পূর্বধারণা নিয়ে যে সকল শিক্ষার্থী এসেছিলকেবল তারাই শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বুঝতে পারল। বোঝানোরজন্য শিক্ষক তো আছেনই, এই ভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষেগিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য । উদ্দীপক 'আমার পথ প্রবন্ধের যে অনুষঙ্গ ধারণ করে তাহলো—দাসত্বস্বাবলম্বনপরাবলম্বননিচের কোনটি সঠিক?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।
- 'সুপরিকল্পিত পথে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারলে সে জীবন ব্যর্থ হয়ে যায়- এ বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে চরণে প্রকাশিত হয়েছে-
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে?
- কোন শ্রেনির বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও?
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কী?
- সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব কোনটি?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?
- "স্বল্পপ্রাণ,স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তি প্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।" কোন প্রবন্ধের অংশ?
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে তাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনোলজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষাপেতে পারে।উদ্দীপকটি কোন লেখকের লেখার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের ইশতিয়াক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- “আমার পথ? প্রবন্ধে কবি কাজী নজরুল ইসলামের পথ প্রদর্শক কে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- সক্রেটিস বলেন, 'নো দাই সেল্ফ'। এ বাণীটি নজরুলের যে কথাকে সমর্থন করে-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে কী তৈরি হয়?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- বর্তমানে মানবকল্যাণের অন্যতম অন্তরায় কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, দেশের শত্রু হলো-
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।"আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- 'বিষের বাঁশি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে নিষ্ক্রিয়তার ফলহলো-
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে কবি যে ধর্মের কথাবলেছেন, তা হলো-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতাটি চট্টগ্রামে রচিত হয়েছিল?
- যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে সে কখনো অন্য ধর্মকেকী করতে পারে না?