'আমার পথ' প্রবন্ধে 'গান্ধীজি আছেন' কথাটির। মর্মার্থ কী?
A.
আত্মকে চেনা
B.
স্বাবলম্বন
C.
আত্ম নির্ভরতা
D.
পরাবলম্বন
সঠিক উত্তরঃ
D.
পরাবলম্বন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে কোন নামটি যুক্ত?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে ভুল জেনেও তাকে ঠিকবলে চালিয়ে দেওয়ার কপটতা কিংবা জেদকে নজরুলকী বলেছেন?
- স্পষ্ট কথা বলায় নিশ্চিতভাবে যা থাকে তা হলো-
- কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
- বর্তমানে মানবকল্যাণের অন্যতম অন্তরায় কোনটি?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার করেছেন ?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' বলতে কীবোঝানো হয়েছে।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ্যে লেখক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব কোনটি?
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- "গাহি সাম্যের গান, যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে। সব বাধা ব্যবধান।"উদ্দীপকে ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক যে ধর্মের কথা বলেছেন, তা হলো-
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো-
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।'আত্মনির্ভরশীলতার মধ্য দিয়েই একজন ব্যক্তি বা একটি জাতি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় আর কটি লোক। শতকরা প্রায় নিরানব্বই জন মানুষকেই চেষ্টা করতে হয়, জয় করে নিতে হ?? জগৎকে। বাঁচে সে লড়াই করে প্রতিকূলতার সঙ্গে। পলাতকের স্থান এই জগতের নেই। চেষ্টা ছাড়া আত্মপ্রতিষ্ঠা অসম্ভব। সুখ চেষ্টারই ফল-দেবতার দান নয়। কথায় আছে, ঈশ্বর তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করে। নির্ভীক সত্য সাধক, দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী এবং পরমতসহিষ্ণু ব্যক্তিমাত্রই চেষ্টার মাধ্যমে তৈরি করে নিতে পারে নিজের পথ।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সমগ্র 'ভাবটিকে ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- 'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনে আদর্শের পথকেই সুকন্যা তার পাথেয় করে নিয়েছে। অনেক সময় এজন্য তাকে অনেকের কটূক্তি, হুমকি- ধমকিও সহ্য করতে হয়। জীবনে চাওয়া- পাওয়ার হিস??ব সে অসত্য ও চাটুকারিতার মধ্য দিয়ে মেলাতে চায় না।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন কথাটি সাদৃশ্যপূর্ণ?আমার পথ দেখাবে আমার সত্যএটা অত্মাকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তিভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।"উদ্দীপকের অমিত বাবু 'আমার পথ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের মানসপুত্র।"- উক্তিটির যথার্থ পরীক্ষা করো।
- আমরা দশ-পনের টাকার বিনিময়ে মনুষ্যত্ব, স্বাধীনতা অনায়াসেপ্রভুর পায়ে বিকাইয়া দিব তবু ব্যবসা-বাণিজ্যে হাত দিব না,নিজ পায়ে দাঁড়াতেই চেষ্টা করিব না। এই জঘন্য দাসত্বইআমাদিগকে এমন ছোট হীন করিয়া তুলিতেছে।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' অনুসারে আমাদের নিচেরকোনটির অভাব রয়েছে?
- কে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে 'আমার পথ' প্রবন্ধে কী বোঝানো হয়েছে?
- মৃত্যু-ক্ষুধা' কোন ধরনের রচনা?
- আত্মকৃত ভুলের শিক্ষা মানুষকে দুখে ও অনুশোচনার আগুনেপুড়িয়ে খাঁটি করে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ভুলের কার্যকারিতা তাই সত্যদঘাটনের শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে-আত্মনির্ভরতায়ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ায়সত্যকে চেনার মাধ্যমেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি বলেছেন-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম নিজেকে নিজের ক্ষেত্রে তুলনা করেছেন যেটির সঙ্গে, সেটিই হলো-কর্ণধারপথপ্রদর্শককান্ডারিনিচের কোনটি সঠিক?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস্আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ। এমন সাদৃশ্যে যে ভাবটি মূর্তমান-
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'আমার আমি সে কত অতল অসীম,'আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম'।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সার্থক পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"-উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর রচনা—
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর তাৎপর্য 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল ভাবনাকে ইঙ্গিত করে।"-'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা ?
- 'ও রকম বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক-অনেক ভালো।'- প্রাবন্ধিকের এ উক্তির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- আমার পথ নিবন্ধে নজরুল ইসলাম বলেছেন -"সত্যকে পাওয়ার যায় _____ " শূন্য স্থানে কি হবে ?
- শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।"নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে তৈরি হয় পরনির্ভরতা" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিচার কর।