মানুষের মধ্যে সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া Plasmodium -এর কোন প্রজাতির ?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Plasmodium falciperum
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ যা মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে এবং Plasmodium প্রজাতির মাধ্যমে ছড়ায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. Plasmodium vivax: ভুল, এটি সাধারণ ম্যালেরিয়ার কারণ??? B. Plasmodium ovale: ভুল, এটি অপেক্ষাকৃত কম সংক্রমণ ঘটায়। C. Plasmodium falciparum: সঠিক, এটি সেরেব্রাল ম্যালেরিয়ার প্রধান কারণ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ প্রজাতি। D. Plasmodium malariae: ভুল, এটি দীর্ঘমেয়াদী ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী। নোট: Plasmodium falciparum সংক্রমণ হলে রোগীর মস্তিষ্কে জটিলতা তৈরি হয় যা মারাত্মক হতে পারে।
Another Explanation (5):
সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া ও Plasmodium প্রজাতি
মানুষের মধ্যে সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া এবং Plasmodium প্রজাতি
সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া হলো এক ধরনের জটিল ম্যালেরিয়া রোগ যা মূলত মানুষের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। এই রোগের কারণ মূলত Plasmodium প্রজাতির কিছু পরজীবী।
সেরেব্রাল ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী Plasmodium প্রজাতি
- Plasmodium falciparum 🧠🔥 — এটি সবচেয়ে মারাত্মক এবং দ্রুত মস্তিষ্কের উপর প্রভাব ফেলে।
- অন্য কিছু প্রজাতি যেমন Plasmodium vivax, Plasmodium malariae, ও Plasmodium ovale সাধারণত সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা
Plasmodium falciparum হলো একমাত্র প্রজাতি যা মানুষের মধ্যে সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
এই প্রজাতির পরজীবী রক্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত হানে, ফলে মস্তিষ্কের কার্যকলাপে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।
এর কারণে রোগীর অবস্থা দ্রুত গুরুতর হয়ে ওঠে এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 😰
সংক্ষেপে
| প্রজাতি | সাধারণত সৃষ্টি করে কি? | বিশেষ বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| Plasmodium falciparum | সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া | অতি মারাত্মক, দ্রুত রোগের অবনতি |
| Plasmodium vivax | সাধারণ ম্যালেরিয়া | আসন্ন রোগের পুনরাবৃত্তি সম্ভব |
| Plasmodium malariae | সাধারণ ম্যালেরিয়া | দীর্ঘস্থায়ী রোগ |
| Plasmodium ovale | সাধারণ ম্যালেরিয়া | অল্প কিছু ক্ষেত্রে সেরেব্রাল প্রভাব |
সুতরাং, মানুষের মধ্যে সেরেব্রাল ম্যালেরিয়ার মূল কারণ Plasmodium falciparum 🧠🚑। এটি দ্রুত ও মারাত্মক রোগের কারণ হয়ে থাকে।
Option A Explanation:
- প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
- উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
- লক্ষণ:
- অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
- জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
- প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
- চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option B Explanation:
- Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
- এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
- ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
- অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option C Explanation:
- অস্ত্রপাত ও লাল রক্তকণিকা:
Plasmodium falciparum হলো একটি পরজীবী যা মানুষের লাল রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে ম্যালেরিয়া রোগের মূল কারণ হয়। - গুরুতর রোগের কারণ:
এটি সবচেয়ে গুরুতর ও প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া প্রকার, যা দ্রুত এবং মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে। - প্রজনন:
এই পরজীবীটি মানুষের মধ্যে এবং মৌমাছির মতো প্রজননকারী পতঙ্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। - চিহ্ন ও লক্ষণ:
জ্বর, কাঁপুনি, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, এবং অন্যান্য জটিল উপসর্গ দেখা দিতে পারে। - বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
Plasmodium falciparum এর রক্তে রোম্বি বা ছোট কণিকার আকার অনেকটাই বড় এবং এটি রক্তের অন্যান্য পরজীবীর তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
Option D Explanation:
- নাম: Plasmodium malariae
- প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
- সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
- প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
- প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
- আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
- সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে