'আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোন বিরোধ নাই'- বাক্যটির তাৎপর্য কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ’পাকযন্ত্রটাকে সমস্ত অন্নসুদ্ধ সেখানে টান মারিয়া ফেলিয়া দিয়া আসিতে পারিলে তবে আফসোস মিটিত’। তোমার পঠিত কোন গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'রেইনকোট' গল্পে 'আন অথারাইজড কনস্ট্রাকশন'বলতে বুঝানো হয়েছে—
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বাবা কী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন?
- নিরপরাধীকে শাস্তি দিও না বাক্যটির শুদ্ধ রূপ -
- 'মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব অপমানে পরিণত হয়েছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- কারো ঘর ভাঙে ঝড়েকারো সংসার পুড়ে যায় যৌতুকের আগুনে।কেউ করে হায় হায়, বাপ-মা কাঁদেমেয়েকে বিয়ে দিতে হয়-পড়ে যৌতুকের ফাঁদে।করবে না বিয়ে সোনালি নিজেকে করে পণ্যএটা তার পণ সোনালি জীবনের জন্য।"উদ্দীপকে নিহিত সামাজিক কাঠামো এবং 'অপরিচিতা' গল্পের সামাজিক পটভূমি সাদৃশ্যযুক্ত"- তোমার যুক্তিসহ মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় যে গাভির পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- 'অপরিচিতা' গল্পে উল্লিখিত 'ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য কী?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।"উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।"-মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- অনুপমের বিবাহ যাত্রার বর্ণনা দাও।
- 'অপরিচিতা' গল্পটি রবীন্দ্রগল্পের কোন সংক??নে প্রথম গ্রন্থভুক্ত হয়?
- ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম?
- 'এটা আপনাদের জিনিস, আপনাদের কাছেই থাক।'-এরূপ মন্তব্যের কারণ কী?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে'- এ চরণের আলোকে বুঝিয়ে লেখো যে, উদ্দীপকের নায়কের মতো অনুপমের বিরহের জন্য নিজের অক্ষমতাই দায়ী।
- বিচক্ষণ বা যুক্তি সম্মত শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
- “অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে?” - কোন লেখকের রচনার অংশ এটি?
- মামার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?
- ‘অনেক সময় খুব বেশি বিনয় দেখাতে গিয়ে নিজের সত্যকে অস্বীকার করে ফেলা হয়।’ -বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- কলিকাতার বাহিরে বাকি যে পৃথিবীটা আছেসমস্তটাকেই মামা আন্ডামান দ্বীপের অন্তর্গত বলিয়াজানেন।'— 'অপরিচিতা' গল্পের এ উক্তিতে মামারচরিত্রের যে বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে তা হলো—
- হরিশ কোন গল্পের চরিত্র?
- একজন মানুষ তখনই চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে যখন সে অনর্থক কথা ও অপকর্মকে পরিত্যাগ করতে পারে। [এডিসন]নিজের সন্তানের ভালোমন্দ সম্বন্ধে যে পিতা সচেতন সে-ই যথার্থ পিতা। [টেগনার]অর্থের বিনিময়ে যারা একটি নারীকে বিবাহ করিতে সম্মত হয় সেই পুরুষ কোনোদিন তার স্ত্রীকে ভালোবাসিবে না- পাত্রীর অভিভাবকদের এ কথাটা বোঝা উচিত। [শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় উক্তির সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি অপরিচিতা গল্পের একমাত্র বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- ‘চন্দরা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পে শম্ভুনাথ সেনের পেশা কী ছিল?
- কী সর্বনাশ। এ পক্ষেও মাতুল আছে নাকি।'- এখানে মাতুল কী অর্থ প্রদান করে?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কন্যাকে কী দিয়ে আশীর্বাদ করা হয়েছিল?
- "ঠাট্টা করিতেছেন নাকি?" উদ্ধৃতিটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের?
- কবি শামসুর রাহমানের মতে, তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা হচ্ছে-
- কোন লেখক রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?
- 'অপরিচিতা' গল্পের নায়কের বন্ধুর নাম কী?
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ছোট গল্পের জনক-
- রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ গল্পের নাম কী?
- কোন কবি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী শ্রীযুক্তা। পড়ালেখা শেষ করতেই ২৭. বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। শ্রীযুক্তা আইন ও সালিশ কেন্দ্রে সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে। হঠাৎ একদিন শ্রীযুক্তার কাকা বিয়ের সম্বন্ধের কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে কাকাকে বললেন, 'নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'"উদ্দীপকে শ্রীযুক্তার বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর শুচিশুভ্র আত্মপ্রকাশ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ঘরেতে এলো না সে তোমনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর। 'উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি প্রকাশিতহয়েছে—
- 'বিলাসী' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- শাওনের বিয়ে চূড়ান্ত হয় অন্যার সাথে। যৌতুকের দাবি পূরণনা হওয়ায় মোতালেব সাহেব ছেলের বিয়ে ভেঙে দিতে চান।বাবার অন্যায় আবদার শাওন মানতে নারাজ। সে যুক্তি দিয়েবাবাকে বুঝিয়ে যৌতুক না নিয়েই অন্যাকে বিয়ে করে । মোতালেব সাহেব 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রেরইঙ্গিতবহ?
- কার রুচির উপর অনুপম ষোলোআনা নির্ভর করতে পারে?
- 'জীবনস্মৃতি' কার আত্মজীবনী?