ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী শ্রীযুক্তা। পড়ালেখা শেষ করতেই ২৭. বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। শ্রীযুক্তা আইন ও সালিশ কেন্দ্রে সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে। হঠাৎ একদিন শ্রীযুক্তার কাকা বিয়ের সম্বন্ধের কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে কাকাকে বললেন, 'নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'
"উদ্দীপকে শ্রীযুক্তার বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর শুচিশুভ্র আত্মপ্রকাশ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজী শিরোনাম কোনটি?
- নিঝুম আর অহনা পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোভাসে। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায়। কিন্তু নিঝুমের পরিবার সেটা মেনে ন???য় না। কারণ, নিঝুম শিক্ষিত এবং ধনী পরিবারের একমাত্র সন্তান। অপরদিকে, অহনার পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। নিঝুম পরিবারের সম্মতিতে অন্যত্র বিয়ে করে এবং একসময় অহনাকে ভুলে যায়। অহনার দিন কাটে কষ্টের সমুদ্রে। কারণ, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো মরে না।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম-কল্যাণীর জীবনের বিপরীত প্রতিচ্ছবি- মূল্যায়ন করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি কোথায় ছিল?
- 'অপরিচিতা' গল্পের শীর্ষ-মুহূর্ত কোনটি?
- "দুধেভাতে উৎপাত" গল্পটির রচয়িতা কে?
- হরিশের সরস রসনার গুণ আছে। এখানে রসনা বলতে কোন বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে?
- কয়লাখনির জওয়ান শ্রমিক রবিউল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করে। এই অপরাধে তার চাকরি চলে যায়। নিদারুণ অভাবে পড়লেও সে হাল ছাড়ে না। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে শ্রমিকদের নিয়ে সে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।উদ্দীপকের শেষ লাইনের সাথে নিচের কোন লাইনটির ভাবগত মিল আছে?
- অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।"উদ্দীপকের রাবেয়া 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে না"- স্বীকার কর কী? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- ‘কালের যাত্রা’ নাটকটির রচয়িতা-
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বাবা ছিলেন-
- "মা গরিবের ঘরের মেয়ে; তাই আমরা যে ধনী এ কথা তিনিও ভোলেন না, আমাকেও ভুলতে দেন না" কোন রচনার অংশ?
- 'অপরিচিতা' গল্পে খাদযুক্ত গহনার নাম কী?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?
- বাবা না থাকায় চাচাই মূলত, বিয়ের সময় সবুজের অভিভাবক হয়ে ওঠেন। বিয়ের কথাবার্তা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন চাচার অস্বাভাবিক যৌতুক দাবির কারণে মেয়ের বাবা নারাজ হন। এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন।'এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন'- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের বিষয়টিই অনুপম চরিত্রের একমাত্র দিক নয়, আনন্দও তার আছে। 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- ‘অপরিচিতা' গল্পে কথকের নাম কী?
- 'বাহিরে তো সে ধরা দিলই না, তাহাকে মনেও আনিতে পারিলাম না।'- ব্যাখ্যা করো।
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।উদ্দীপকে বর্ণিত রফিক চরিত্রের সাথে 'অপরিচিতা'- গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।
- চিরকুমার সভা' নাটকটির রচয়িতা কে?