মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ ?

A. আমাশয় 
B. ফ্লু
C. ডেঙ্গু
D. হাম
E. ইবোলা রক্তক্ষরণ জ্বর (EHF)
Poster Download
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাকটেরিয়া (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. আমাশয় 
Explanation:



Another Explanation (5):

আমাশয়: একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ 🦠

আমাশয় একটি সাধারণ রোগ যা মূলত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এটি অন্ত্রের প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এর ফলে পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া ও মলের সাথে রক্ত যেতে পারে।

আমাশয়ের কারণ 🦠

আমাশয়ের প্রধান কারণগুলো হলো:
  • ব্যাকটেরিয়া: শিগেলা (Shigella), সালমোনেলা (Salmonella), ই. কোলাই (E. coli) ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া আমাশয়ের জন্য দায়ী।
  • দূষিত খাবার ও পানি: দূষিত খাবার ও পানি পান করার মাধ্যমে এই রোগ ছড়াতে পারে।
  • অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: অপরিষ্কার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে আমাশয়ের ঝুঁকি বাড়ে।
  • সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শ: আমাশয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে সুস্থ ব্যক্তিও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

আমাশয়ের লক্ষণ 🤒

আমাশয়ের প্রধান লক্ষণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
  1. পেটে তীব্র ব্যথা 😫
  2. ঘন ঘন মলত্যাগ (দিনে একাধিকবার) 🚽
  3. মলের সাথে রক্ত ও শ্লেষ্মা 🩸
  4. জ্বর 🌡️
  5. বমি বমি ভাব বা বমি 🤢
  6. দুর্বলতা ও পানিশূন্যতা 💧

আমাশয়ের প্রকারভেদ 🗂️

আমাশয় সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে:
প্রকার কারণ লক্ষণ
ব্যাকটেরিয়াল আমাশয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ (যেমন: শিগেলা, সালমোনেলা) জ্বর, পেটে ব্যথা, মলের সাথে রক্ত ও শ্লেষ্মা
অ্যামিবিক আমাশয় অ্যামিবা নামক পরজীবীর সংক্রমণ পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, মলের সাথে রক্ত (কম ক্ষেত্রে)

আমাশয় প্রতিরোধে করণীয় 🛡️

আমাশয় প্রতিরোধের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচে উল্লেখ করা হলো:
  • নিয়মিত হাত ধোয়া 🧼
  • পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি পান করা 💧
  • খাবার ভালোভাবে রান্না করা 🍳
  • ফল ও সবজি ধুয়ে খাওয়া 🍎🥦
  • ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা 🛀
  • টয়লেট ব্যবহারের পরে হাত ধোয়া 🚽🙌

আমাশয়ের চিকিৎসা 💊

আমাশয়ের চিকিৎসায় সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে:
  • অ্যান্টিবায়োটিক: ব্যাকটেরিয়াল আমাশয়ের জন্য ডাক্তার সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে থাকেন।💊
  • স্যালাইন: পানিশূন্যতা পূরণের জন্য স্যালাইন গ্রহণ করা জরুরি। 💧
  • সহজপাচ্য খাবার: হালকা ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করা উচিত। 🥣
  • বিশ্রাম: পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীরকে দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। 🛌
মনে রাখবেন, আমাশয়ের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 👨‍⚕️
Option A Explanation:
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত রোগ
  • উদাহরণ: আমাশয় (ডাইরিয়া)
  • কারণ: বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া যেমন Escherichia coli, Shigella, Salmonella ইত্যাদি দ্বারা সৃষ্ট হতে পারে
  • লক্ষণ: জলীয় ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, জ্বর, বমি, দুর্বলতা
  • প্রতিরোধ: পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিশুদ্ধ পানি পান, সঠিক খাদ্য প্রণালী অনুসরণ, হাত ধোয়া
  • উপচার: প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ও হাইড্রেশন থেরাপি
Option B Explanation:
  • ফ্লু (Influenza): এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। এটি সাধারণত ঠাণ্ডা ও গ্লোবাল মহামারী রূপে দেখা যায়।
  • ফ্লু মূলত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয় না, বরং ভাইরাস দ্বারা হয়।
  • প্রধান লক্ষণসমূহ: জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথা ও ক্লান্তি।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকা প্রদান করা হয় এবং হ্যান্ড ওয়ারশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।
Option C Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:

হাম

  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ
  • সংক্রমণের পথ: সংস্পর্শ, বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়
  • লক্ষণ: জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট
  • প্রতিরোধ: টিকা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও হস্তধোয়া
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক ও উপসর্গের চিকিৎসা
Option E Explanation:
  • ইবোলা রক্তক্ষরণ জ্বর (EHF): এটি একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা ইবোলা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • প্রধান লক্ষণ: উচ্চ জ্বর, দুর্বলতা, গ্ল্যান্ডের ফোড়া, পেটব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, এবং রক্তক্ষরণ।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: আক্রান্ত ব্যক্তি বা প্রাণীর দেহের দেহবাহী তরল, রক্ত, বা অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রতিরোধ ও প্রতিকার: সঠিক হস্তচালনা, সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে আলাদা রাখা, সতর্কতা ও স্বাস্থ্যের মানদণ্ড মানা।
  • প্রতিরোধের জন্য: নিয়মিত হাত ধোয়া, সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকা, এবং সংক্রমণের ঝুঁকি থাকা অঞ্চলে সতর্কতা অবলম্বন।