‘বসন্তকুমারী’ নাটক কার রচনা?
A. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. মীর মশাররফ হোসেন
C. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
D. শহীদুল্লা কায়সার
সঠিক উত্তরঃ
B.
মীর মশাররফ হোসেন
Explanation: একটি রাজ পরিবারের করুণ পরিণতির কাহিনি অবলম্বনে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের নাটক: ‘বসন্তকুমারী’। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক: জমিদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয় ও টালা অভিনয়।
Related Questions (Any University/Year)
- 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র' কে সম্পাদনা করেন?
- “সাম্যবাদী' কবিতায় সাম্যের ভিত্তি কী?
- 'কলিমদ্দি দফাদার’ গল্পের মূল বিষয়বস্তু কী?
- পদ্মানদীর মাঝি ' উপন্যাসটির লেখক কে?
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের 'সময়ের পরিবর্তন' কথাটির সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় কারা প্রকৃতির কোনোক্ষতি করে না?
- 'ঐকতান' কবিতার কবি অক্ষয় উৎসাহে কী পড়েন?
- জগৎ জুড়িয়া আছে এক জাতিসে জাতির নাম মানুষ জাতি।উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবটি নিচের কোন চরণেরসঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছেন?
- 'টাওয়ার অব লন্ডন' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে,ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে।হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা,কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা। -পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- কমলাকান্ত কোন বর্ণের ছিল?
- 'কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই' – মার্জার যেভাবে কথাটি বলেছিল-
- "সোনালী কাবিন" কার রচনা?
- এইচআইভি রোগের লক্ষণ নয়?
- 'পদ্মা নদীর মাঝি' কে লিখেছেন?
- 'সেই অস্ত্র' কবিতায় 'ভালোবাসা' কাকে বারবার পরাজিত করে?
- উপস্থিত ভদ্রলোকদের অন্যতম ছিলেন...' বাক্যটির ঠিক জবাব হতে পারে--
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।উদ্দীপকের দীপ্তর অনুভূতির সঙ্গে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।