সন্তান প্রসাবের সময় জরায়ুর পেশী সংকোচন করে?
RUUnit-CSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাইমপ্লান্টেশন (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
অক্সিটোসিন
Explanation:

Another Explanation (5):
জরায়ুর পেশী সংকোচন এবং অক্সিটোসিন: একটি ব্যাখ্যা
সন্তান প্রসবের সময় জরায়ুর পেশী সংকোচনে অক্সিটোসিন নামক হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
অক্সিটোসিন কি? 🤔
- অক্সিটোসিন একটি পেপটাইড হরমোন।
- এটি মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস নামক অংশ থেকে উৎপন্ন হয় এবং পিটুইটারি গ্রন্থিতে জমা থাকে।
- এই হরমোন "ভালোবাসার হরমোন" নামেও পরিচিত, কারণ এটি সামাজিক বন্ধন, স্নেহ এবং আস্থার অনুভূতি তৈরিতে সাহায্য করে। 🥰
সন্তান প্রসবের সময় অক্সিটোসিনের ভূমিকা 🤰
- জরায়ুর সংকোচন শুরু: অক্সিটোসিন জরায়ুর পেশীগুলোকে সংকুচিত করতে উদ্দীপিত করে। প্রসবের প্রথম পর্যায়ে, এই সংকোচনগুলো ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে।
- সংকোচনের তীব্রতা বৃদ্ধি: অক্সিটোসিন জরায়ুর সংকোচনের তীব্রতা এবং ফ্রিকোয়েন্সি বাড়িয়ে দেয়, যা সন্তানকে প্রসবের জন্য মায়ের শরীরকে প্রস্তুত করে। 💪
- প্রসব বেদনা: জরায়ুর সংকোচনগুলো প্রসব বেদনার সৃষ্টি করে, যা সন্তান প্রসবের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। 😥
- প্লাসেন্টা নির্গমন: সন্তান প্রসবের পর, অক্সিটোসিন জরায়ুকে সংকুচিত করে প্লাসেন্টা (গর্ভফুল) নির্গমনে সাহায্য করে।
- প্রসব পরবর্তী রক্তপাত হ্রাস: জরায়ু সংকুচিত হওয়ার ফলে প্রসব পরবর্তী রক্তপাত কম হয়।🩸
অক্সিটোসিন নিঃসরণের প্রক্রিয়া ⚙️
অক্সিটোসিন নিঃসরণের প্রক্রিয়াটি একটি জটিল ফিডব্যাক লুপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়:
- সার্ভিক্স (জরায়ুর মুখ) এবং যোনিপথে চাপ সৃষ্টি হলে স্নায়ু সংকেত মস্তিষ্কে যায়।
- মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অক্সিটোসিন নিঃসরণের জন্য পিটুইটারি গ্রন্থিকে সংকেত পাঠায়।
- অক্সিটোসিন রক্তপ্রবাহে মিশে জরায়ুর পেশীগুলোকে সংকুচিত করে।
- জরায়ুর সংকোচন আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করে, যা আরও বেশি অক্সিটোসিন নিঃসরণে সাহায্য করে। 🔄
অক্সিটোসিন ব্যবহারের সুবিধা এবং ঝুঁকি ⚠️
| দিক | সুবিধা ✅ | ঝুঁকি ❌ |
|---|---|---|
| প্রসব | প্রসব বেদনা শুরু করতে বা বাড়াতে সাহায্য করে। | জরায়ুর অতিরিক্ত সংকোচন, বাচ্চার শ্বাসকষ্ট। |
| রক্তপাত | প্রসব পরবর্তী রক্তপাত কমাতে সাহায্য করে। | উচ্চ রক্তচাপ, বমি বমি ভাব। |
অতিরিক্ত তথ্য ➕
- কিছু ক্ষেত্রে, প্রসব বেদনা বাড়ানোর জন্য সিনথেটিক অক্সিটোসিন (পিটোসিন) ব্যবহার করা হয়।
- অক্সিটোসিন শুধুমাত্র সন্তান প্রসবের সময় নয়, স্তন্যপান করানোর সময়ও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দুধ নিঃসরণে সাহায্য করে। 🤱
- গবেষণায় দেখা গেছে যে অক্সিটোসিন সামাজিক উদ্বেগ কমাতে এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। 😊
এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। যেকোনো স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরামর্শের জন্য একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। 🙏
Option A Explanation:
- অক্সিটোসিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত হাইপোথ্যালামাস থেকে নিঃসৃত হয় এবং পিটুইটারি গ্ল্যান্ড দ্বারা নিঃসৃত হয়।
- প্রধানত গর্ভাবস্থায় জরায়ুর পেশী সংকোচন ঘটাতে সহায়ক, যার ফলে প্রসবের সময় শিশুর জন্ম সহজ হয়।
- প্রসাবের সময় শিশুর মাথা বা দেহের চাপের কারণে জরায়ুর পেশী সংকোচন বাড়ে, যা অক্সিটোসিনের মাধ্যমে সমর্থিত হয়।
- এছাড়াও, এটি স্তন্যপানকালীন সময়ে স্তনের দুধ নিঃসরণের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
এস্ট্রোজেনের ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক হরমোন: এস্ট্রোজেন হলো একটি প্রাকৃতিক স্তনমূলক হরমোন যা মহিলাদের অণ্ডকোষে উৎপন্ন হয়।
- প্রজনন সিস্টেমে ভূমিকা: এটি মহিলাদের প্রজনন সিস্টেমের বিকাশ ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অভ্যন্তরীণ অঙ্গের বিকাশ: এস্ট্রোজেন জরায়ু, স্তন, ও প্রজনন অঙ্গের বিকাশে সহায়ক।
- প্রজনন চক্রে অংশগ্রহণ: এটি মহিলাদের মাসিক চক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যেমন ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণে সহায়তা।
- অন্য প্রভাব: এস্ট্রোজেন হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে ও কোলাজেনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
Option C Explanation:
- অ্যাড্রোনালিন: অ্যাড্রোনালিন বা এপিনেফ্রিন একটি হরমোন যা অ্যাড্রোনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়। এটি সাধারণত "ফাইট অর ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়া উদ্দীপিত করে এবং শরীরের বিভিন্ন সিস্টেমে প্রভাব ফেলে।
- প্রভাবসমূহ:
- হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করে
- রক্তচাপ বাড়ায়
- ব্রংকাই স্ক্রিন প্রসারিত করে, যাতে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়
- পেশী শক্তিশালী করে, কিন্তু এটি সাধারণত পেশী সংকোচনে সরাসরি ভূমিকা রাখে না
- সাধারণত, অ্যাড্রোনালিন সন্তান প্রসবের সময় জরায়ুর পেশী সংকোচনে প্রভাব ফেলে না। বরং এটি শরীরের অন্যান্য প্রতিক্রিয়া উদ্দীপিত করে।