মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

গর্ভাবস্থায় অমরা অতিওক্রম করে ভ্রূণদেহে বাহিত হয় কোন অ্যান্টিবডি? 

A. IgA
B. IgD
C. IgE
D. IgG
Poster Download
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাইমপ্লান্টেশন (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. IgG
Explanation:


Another Explanation (5):

গর্ভাবস্থায় IgG অ্যান্টিবডি: ভ্রূণে সংক্রমণ এবং ভূমিকা 🤰👶

গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণের শরীরে বিভিন্ন অ্যান্টিবডি স্থানান্তরিত হয়। এর মধ্যে IgG (ইমিউনোগ্লোবিউলিন জি) নামক অ্যান্টিবডিটি অমরা (প্লাসেন্টা) অতিক্রম করে ভ্রূণের দেহে প্রবেশ করতে পারে। এটি মায়ের অর্জিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভ্রূণের মধ্যে পৌঁছে দেয় এবং জন্মের পর কয়েক মাস পর্যন্ত নবজাতককে বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। 🛡️

IgG অ্যান্টিবডির বৈশিষ্ট্য 🧬

  • এটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া অ্যান্টিবডি। 📊
  • বিভিন্ন প্রকার প্যাথোজেনের (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি) বিরুদ্ধে কাজ করে। 🦠
  • অ্যামনিওটিক ফ্লুইডেও পাওয়া যায়। 💧
  • IgG1, IgG2, IgG3, IgG4 - এই চারটি উপশ্রেণী রয়েছে।
  • ফিটাল ইমিউনিটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ✅

অমরা অতিক্রম করে ভ্রূণে IgG স্থানান্তরের প্রক্রিয়া 🔄

  1. মায়ের রক্তে IgG অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
  2. অমরাতে অবস্থিত FcRn (Fc receptor neonatal) নামক রিসেপ্টর IgG অ্যান্টিবডিকে আবদ্ধ করে।
  3. এই রিসেপ্টর-IgG কমপ্লেক্স কোষের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে ভ্রূণের রক্তে প্রবেশ করে।
  4. এই প্রক্রিয়া গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে (তৃতীয় ত্রৈমাসিকে) সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হয়। ⏳

IgG অ্যান্টিবডির উপকারিতা 💖

  • নবজাতককে হাম, রুবেলা, পোলিও ইত্যাদি রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। 👶
  • জন্মের পরে মায়ের কাছ থেকে আসা অ্যান্টিবডিগুলো ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তাই শিশুকে সময়মতো টিকা দেওয়া প্রয়োজন। 💉
  • কিছু অটোইমিউন রোগ (যেমন SLE) থাকলে মায়ের অ্যান্টিবডি ভ্রূণে প্রবেশ করে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। ⚠️

IgG অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ এবং কাজ ⚙️

IgG উপশ্রেণী গুরুত্বপূর্ণ কাজ
IgG1 ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 💪
IgG2 পলিস্যাকারাইড অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে।🍬
IgG3 প্রদাহ সৃষ্টিকারী অ্যান্টিবডি হিসাবে কাজ করে। 🔥
IgG4 অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া কমাতে সাহায্য করে। 🤧

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 📌

  • গর্ভাবস্থায় মায়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখা জরুরি, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে IgG তৈরি হতে পারে। 🍎🥦
  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী টিকা নেওয়া আবশ্যক। 🩺
  • কোনো জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। 🚑

আশা করি এই আলোচনা থেকে গর্ভাবস্থায় IgG অ্যান্টিবডি এবং এর ভূমিকা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊

Option A Explanation:
  • অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ???িল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
  • আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
  • সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
  • অস্তিত্বের স্থান: IgD প্রধানত বডির শ্লৈষ্মিক টিস্যু ও লিম্ফোসাইটের উপরিপৃষ্ঠে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি মূলত বডির নতুন লিম্ফোসাইটের উদ্দীপনা ও শনাক্তকরণে সহায়ক।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পরিমাণ: সাধারণত IgD এর পরিমাণ খুবই কম, যা সাধারণ IgG বা IgA এর তুলনায় ন্যূনতম।
  • অন্য ইমিউনোগ্লোবুলিনের তুলনায়: IgD এর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে খুবই স্বল্প, এর ফলে এটি সাধারণত খুব কম পরিমাণে বিদ্যমান।
Option C Explanation: ```html

IgE এর ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
  • সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
```
Option D Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।