মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মুত্রে বিদ্যমান নন-নাইট্রোজেনার উপাদান কোনটি? 

A.

ক্রিয়েটিনিন

B.

ইউরিক এসিড

C.

কিটোন বডিস

D.

ইউরিয়া

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রবর্জ্য ও নিষ্কাশনরেচনের শারীরবৃত্ত (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

কিটোন বডিস

Explanation:

Another Explanation (5):

মূত্রে বিদ্যমান নন-নাইট্রোজেনাস উপাদান: কিটোন বডিস 🧐

কিটোন বডিস হলো তিনটি ভিন্ন রাসায়নিক যৌগ - অ্যাসিটোঅ্যাসিটেট, বিটা-হাইড্রোক্সিবিউটাইরেট এবং অ্যাসিটোন। এগুলো কার্বোহাইড্রেট-এর অভাবে শরীরে ফ্যাট বিপাকের সময় লিভারে তৈরি হয়। যদিও এগুলো স্বাভাবিকভাবে স্বল্প পরিমাণে রক্তে থাকে, কিছু বিশেষ অবস্থায় মূত্রে এদের উপস্থিতি বেড়ে যায়। 🤔

কিটোন বডিস কি? 🧪

  • অ্যাসিটোঅ্যাসিটেট: এটি প্রথম কিটোন বডি যা তৈরি হয়।
  • বিটা-হাইড্রোক্সিবিউটাইরেট: অ্যাসিটোঅ্যাসিটেট থেকে এটি তৈরি হয়।
  • অ্যাসিটোন: এটি অ্যাসিটোঅ্যাসিটেটের একটি উপজাত (byproduct)। এর পরিমাণ সাধারণত কম থাকে।

কিভাবে কিটোন বডিস তৈরি হয়? 🏭

যখন শরীরে পর্যাপ্ত গ্লুকোজ থাকে না (যেমন ডায়াবেটিস বা দীর্ঘ সময় ধরে উপবাসের কারণে), তখন শরীর শক্তি উৎপাদনের জন্য ফ্যাট ব্যবহার করতে শুরু করে। এই ফ্যাট ভাঙার প্রক্রিয়ার ফলে কিটোন বডিস তৈরি হয়।

কি কারণে মূত্রে কিটোন বডিস পাওয়া যায়? ⚠️

  1. ডায়াবেটিস (বিশেষ করে টাইপ ১): ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ ব্যবহার করতে না পারলে ফ্যাট ভাঙতে শুরু করে। 🚨
  2. ডায়েটিং বা উপবাস: দীর্ঘ সময় ধরে খাবার গ্রহণ না করলে শরীর ফ্যাট থেকে শক্তি নেয়। 🍔➡️ 📉
  3. অতিরিক্ত ব্যায়াম: খুব বেশি শারীরিক কার্যকলাপের কারণে শরীর দ্রুত শক্তি খরচ করলে কিটোন বডিস তৈরি হতে পারে। 🏋️‍♀️
  4. গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় কিছু মহিলার কিটোসিস হতে পারে।🤰
  5. কিছু রোগ: কিছু শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিটোন বডিস তৈরি হতে পারে। 🤒

কিটোন বডিসের ক্ষতিকর প্রভাব 💥

  • কিটোঅ্যাসিডোসিস: রক্তে কিটোনের মাত্রা খুব বেশি বেড়ে গেলে এটি একটি মারাত্মক অবস্থা, যা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA) নামে পরিচিত। 🤕
  • ডিহাইড্রেশন: অতিরিক্ত কিটোন শরীর থেকে জল বের করে দেয়। 💧➡️🌵
  • বমি বমি ভাব এবং বমি: কিটোন বডিস হজমের সমস্যা করতে পারে। 🤮
  • পেটে ব্যথা: পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা হতে পারে। 😫

কিভাবে শনাক্ত করা যায়? 🔬

মূত্র পরীক্ষা অথবা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কিটোন বডিস শনাক্ত করা যায়। 😊

কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়? 🛡️

  • ডায়াবেটিস থাকলে সঠিকভাবে ইনসুলিন গ্রহণ করতে হবে। 💉
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করতে হবে। 🍚
  • প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে হবে। 🚰
  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। 👨‍⚕️

নন-নাইট্রোজেনাস কেন? 🤔

কিটোন বডিসের রাসায়নিক সংকেতে নাইট্রোজেন (N) পরমাণু নেই। এগুলো মূলত কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেন (O) দিয়ে গঠিত। তাই এগুলো নন-নাইট্রোজেনাস বর্জ্য পদার্থ।

সংক্ষেপে 👇

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
প্রকার নন-নাইট্রোজেনাস জৈব যৌগ
উৎপত্তি লিভার (ফ্যাট বিপাকের সময়)
উপাদান অ্যাসিটোঅ্যাসিটেট, বিটা-হাইড্রোক্সিবিউটাইরেট, অ্যাসিটোন
গুরুত্বপূর্ণ অবস্থা ডায়াবেটিস, উপবাস, গর্ভাবস্থা

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি কিটোন বডিস সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 👍

Option A Explanation:
  • ক্রিয়েটিনিন:
    • একটি প্রকৃতিতে পাওয়া যৌগিক যৌগ যা মূলত পেশির মধ্যে উৎপন্ন হয়।
    • এটি ক্রিয়েটিন থেকে তৈরি হয়, যা পেশির শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক।
    • প্রধানত কিডনি দ্বারা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
    • ইউরিয়া বা অন্যান্য নাইট্রোজেন ধারণকারী পদার্থের থেকে আলাদা, কারণ এটি পেশির কার্যকলাপের দ্বারা নির্গত হয়।
    • রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কিডনি কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • ইউরিক এসিড: ইউরিক এসিড হলো শরীরের প্রাকৃতিক ব্যার্থ উপাদান, যা প্রোটিনের ভাঙনের ফলাফল। এটি সাধারণত কিডনি দ্বারা শরীর থেকে প্রশ্রয় পায়।
  • অতিরিক্ত ইউরিক এসিড: যখন শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি হয়, তখন এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে জমা হতে পারে, বিশেষ করে জোড়ে বা পা-র সংযোগস্থলে, যা গাউট নামক ব্যাধির কারণ হতে পারে।
  • উচ্চ ইউরিক এসিডের প্রভাব: এটি কিডনি স্টোনের কারণ হতে পারে এবং রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা খুব বেশি হলে তা শরীরের ক্ষতি করতে পারে।
  • প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত জলপান ইউরিক এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
Option C Explanation:
  • কিটোন বডিস: কিটোন বডিস বা কিটোনগুলি শরীরের ফ্যাটি অ্যাসিড ভাঙার ফলে উৎপন্ন হয়। যখন শরীরে কার্বোহাইড্রেটের অভাব হয় বা খাদ্য গ্রহণ কম হয়, তখন শরীর শক্তির জন্য ফ্যাটি অ্যাসিড ভাঙে। এই প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ কিটোন বডিস তৈরি হয়, যেমন অ্যাসেটোঅ্যাসেটেট, β-হাইড্রক্সিব্যুটিরেট, এবং অ্যাসেটোন।
  • বৈশিষ্ট্য: কিটোন বডিস সাধারণত মূত্রে উপস্থিত থাকে যখন শরীর কিটোনেমিয়া বা কিটোনুরিয়া হয়। এটি মূত্রের রং খড় বা হলুদ বর্ণের দিকে পরিবর্তন করতে সক্ষম।
  • প্রভাব: অতিরিক্ত কিটোন বডিসের উপস্থিতি শরীরের মধ্যে অ্যাসিডিক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যার ফলে শরীরের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। তবে, সাধারণত এটি শরীরের পরিবর্তনের সূচক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • ইউরিয়া: ইউরিয়া হলো মূলত কিডনি দ্বারা নিঃসরণ হওয়া একটি পেপটাইড যৌগ, যা প্রোটিনের বিপাকের ফলাফল।
  • ইউরিয়া সাধারণত স্বাভাবিক মূত্রের রঙের জন্য দায়ী নয়।
  • মূত্রের রঙের পরিবর্তনের জন্য প্রধানত বিলিরুবিন বা অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াল বিষাক্ত উপাদান দায়ী।
  • তবে, উচ্চ মাত্রার ইউরিয়া বা প্রস্রাবের অতিরিক্ত উপস্থিতি কিছু ক্ষেত্রে মূত্রের স্বাভাবিক রঙের পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তবে এটি সাধারণত খড়ের রঙের মতো হয় না।