ফরিদ বর্জ্য ও বর্জ্য নিষ্কাশন অধ্যায় পড়ে জানতে পারল যে, মুত্রের উপাদান গুলোর মধ্যে প্রধান নাইট্রোজেন জাত বর্জ্য পদার্থ হল ইউরিয়া।
উল্লিখিত পদার্থ যে চক্রের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় তার নাম কি?
সঠিক উত্তরঃ
A.
অরনিথিন চক্র
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
ইউরিয়া চক্র (অরনিথিন চক্র) ♻️
ফরিদ, বর্জ্য ও বর্জ্য নিষ্কাশন অধ্যায় পড়ার সময় জেনেছে যে মূত্রের প্রধান নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ হলো ইউরিয়া। এই ইউরিয়া অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে তৈরি হয়। নিচে এই চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
অরনিথিন চক্রের ধাপসমূহ 🔄
- কার্বোময়েল ফসফেট তৈরি 🧪: অ্যামোনিয়া (NH3), কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এবং এটিপি (ATP) মিলিত হয়ে কার্বোময়েল ফসফেট তৈরি করে।
- সিট্রোলিন তৈরি 🍊: কার্বোময়েল ফসফেট, অরনিথিনের সাথে বিক্রিয়া করে সিট্রোলিন তৈরি করে। এই বিক্রিয়াটি মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে।
- আর্জিনোসাক্সিনেট তৈরি 🍋: সিট্রোলিন, অ্যাস্পার্টেট-এর সাথে মিলিত হয়ে আর্জিনোসাক্সিনেট তৈরি করে।
- আর্জিনিন তৈরি 🍇: আর্জিনোসাক্সিনেট ভেঙে আর্জিনিন এবং ফিউমারেট উৎপন্ন হয়।
- ইউরিয়া ও অরনিথিন তৈরি 🍉: আর্জিনিন ভেঙে ইউরিয়া এবং অরনিথিন তৈরি হয়। অরনিথিন পুনরায় চক্রে প্রবেশ করে।
অরনিথিন চক্রের বিক্রিয়াগুলোর সংক্ষিপ্তসার 📝
| ধাপ | বিক্রিয়ক | উৎপাদক | উৎসেচক |
|---|---|---|---|
| ১ | NH3 + CO2 + ATP | কার্বোময়েল ফসফেট | কার্বোময়েল ফসফেট সিন্থেটেজ ১ |
| ২ | কার্বোময়েল ফসফেট + অরনিথিন | সিট্রোলিন | অরনিথিন ট্রান্সকার্বোমাইলেজ |
| ৩ | সিট্রোলিন + অ্যাস্পার্টেট | আর্জিনোসাক্সিনেট | আর্জিনোসাক্সিনেট সিন্থেটেজ |
| ৪ | আর্জিনোসাক্সিনেট | আর্জিনিন + ফিউমারেট | আর্জিনোসাক্সিনেট লায়েজ |
| ৫ | আর্জিনিন + H2O | ইউরিয়া + অরনিথিন | আর্জিনেজ |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 💡
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিপাকীয় পথ যা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লিভারে ঘটে। 🧠
- অ্যামোনিয়া একটি বিষাক্ত পদার্থ, যা ইউরিয়াতে রূপান্তরিত হয়ে শরীর থেকে নির্গত হয়। 💀➡️🚽
- এই চক্রের মাধ্যমে শরীরে নাইট্রোজেনের ভারসাম্য বজায় থাকে।⚖️
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি তোমাকে ইউরিয়া চক্র সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে! 👍
আরও জানতে চাও? 🤔 Google এ সার্চ করো! 🔍
ধন্যবাদ! 🙏
```Option A Explanation:
- অরনিথিন চক্র: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেন চক্র যা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় নাইট্রোজেনের পরিবহন ও পুনঃচক্রায় সহায়তা করে।
- প্রধানত, এই চক্রের মাধ্যমে নাইট্রোজেন গ্যাসকে (N₂) পরিবেশের উপযোগী ফর্মে রূপান্তরিত করা হয়, যেমন অ্যামোনিয়া বা নাইট্রাইট ও নাইট্রেট আয়ন।
- এই প্রক্রিয়ায় বিশেষ করে কিছু ব্যাকটেরিয়া যেমন নাইট্রোজেন-ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া অংশগ্রহণ করে, যা পরিবেশ থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে বিভিন্ন অর্গানিক ও অর্গানিক নয়ট্রোজেন ফর্মে রূপান্তর করে।
- অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে নাইট্রোজেনের পুনঃব্যবহার ঘটে, যা গাছপালা ও অন্যান্য জীবের জন্য অপরিহার্য উপাদান হিসেবে কাজ করে।
Option B Explanation:
ফ্যাটিএসিড চক্রের বিবরণ
ফ্যাটিএসিড চক্রের ব্যাখ্যা
- অর্থ: ফ্যাটিএসিড চক্র হলো একটি প্রক্রিয়া যা শরীরের মধ্যে ফ্যাটের পচন ও পুনঃসংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রক্রিয়া: এটি মূলত লিভার এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় যেখানে ফ্যাটের অ্যাসিড ও গ্লিসেরোলের মধ্যে রূপান্তর হয়।
- উদ্দেশ্য: শরীরের শক্তি উৎপাদন ও স্টোরেজের জন্য ফ্যাটের ব্যবহারে সহায়তা করে।
- অংশগ্রহণকারী উপাদান: ফ্যাট, অ্যাসিড, গ্লিসেরোল, এবং এনজাইম।
- প্রধান কার্যক্রম: এটি শরীরের মধ্যে ফ্যাটের গলন, পচন, ও পুনঃসংগঠন প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
Option C Explanation:
নাইট্রোজেন চক্রের ব্যাখ্যা
- নাইট্রোজেন চক্র হলো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নাইট্রোজেনের উপাদান পৃথিবীর পরিবেশে পুনরায় পুনঃচক্রিত হয়।
- প্রধান উপাদান হিসেবে নাইট্রোজেন গ্যাস (N₂) থেকে শুরু করে, এটি জীবজগতের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ করে এবং শেষে পুনরায় নাইট্রোজেন গ্যাসে রূপান্তরিত হয়।
- প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:
- নাইট্রোজেন ফিক্সেশন: ব্যাকটেরিয়াগুলি নাইট্রোজেন গ্যাসকে অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করে, যা উদ্ভিদ দ্বারা শোষিত হয়।
- নাইট্রেট ও নাইট্রাইটের রূপান্তর: ব্যাকটেরিয়াগুলি অ্যামোনিয়াকে নাইট্রাইটে এবং পরে নাইট্রেটে রূপান্তর করে, যা উদ্ভিদ শোষণ করে।
- অক্সিডেশন ও ডি-অক্সিডেশন: পরে এই নাইট্রেট ও নাইট্রাইট গুলি পুনরায় নাইট্রোজেন গ্যাসে রূপান্তরিত হয়, যা বাতাসে ফিরে যায়।
- উপকারিতা: এই চক্রের মাধ্যমে উদ্ভিদ, প্রাণী ও পরিবেশের মধ্যে নাইট্রোজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়।
- উদাহরণ: নাইট্রোজেন ফিক্সেশন প্রক্রিয়া সাধারণতঃ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সম্পন্ন হয়, যেমন অ্যাজোব্যাকটেরিয়া।
Option D Explanation:
- ক্রেবস চক্র বা ক্রীবস চক্র, যা অ্যাসিটিল কোএনজাইম এ নামে পরিচিত, মানের মধ্যে পুষ্টি উপাদানগুলোকে শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া।
- এটি মূলত মেটাবোলিজমের এক ধাপ, যেখানে কার্বন-আঠারো (carbon-atom) যুক্ত যৌগগুলোকে ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- প্রধানত এই চক্রের মাধ্যমে সুক্রোজের মতো কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের ভাঙা অংশগুলোকে পরিপাক ও শক্তিতে রূপান্তর করা হয়।
- ক্রেবস চক্রের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট), যা জীবিত কোষের জন্য মূল শক্তির উৎস।
- এই প্রক্রিয়াটি মেটাবোলিজমের কেন্দ্রবিন্দু, যা জীবের জীবনীপ্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য।