মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

 মাতৃদুগ্ধ থেকে কোন এন্টিবডি পাওয়া যায়?

A. IgG
B. IgM
C. IgE
D. IgA
Poster Download
CUUnit-ASet-4জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. IgA
Explanation:

Another Explanation (5):

মাতৃদুগ্ধে IgA অ্যান্টিবডি: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🤱

মাতৃদুগ্ধ নবজাতকের জন্য সর্বোত্তম পুষ্টিকর খাদ্য। এর মধ্যে শুধু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থই থাকে না, বরং এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতেও সহায়ক। মাতৃদুগ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো IgA অ্যান্টিবডি।

IgA কী? 🤔

IgA (Immunoglobulin A) হলো এক প্রকার অ্যান্টিবডি যা আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রথম সারির প্রতিরক্ষা তৈরি করে। এটি মূলত শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে (mucous membranes) পাওয়া যায়, যেমন - * শ্বাসতন্ত্র 🫁 * পাচনতন্ত্র 消化 * মূত্রতন্ত্র 🫘

মাতৃদুগ্ধে IgA-এর ভূমিকা 🛡️

মাতৃদুগ্ধে IgA অ্যান্টিবডির প্রধান কাজ হলো নবজাতকের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা। এটি নিম্নলিখিত উপায়ে কাজ করে: * জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ: IgA অ্যান্টিবডি নবজাতকের অন্ত্রের প্রাচীরে একটি সুরক্ষা স্তর তৈরি করে, যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসকে শরীরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। 🦠🚫 * পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা: এটি নবজাতকের পরিপাকতন্ত্রকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যা ডায়রিয়া ও অন্যান্য পেটের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। 👶🏽💧 * শ্বাসতন্ত্রের সুরক্ষা: IgA শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ যেমন - নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস থেকেও নবজাতককে রক্ষা করতে পারে। 🌬️ * অ্যালার্জির ঝুঁকি হ্রাস: IgA অ্যান্টিবডি অ্যালার্জেনগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, যা শিশুদের মধ্যে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 🤧

IgA অ্যান্টিবডির বৈশিষ্ট্য 🧬

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
প্রকার ইমিউনোগ্লোবুলিন (অ্যান্টিবডি)
অবস্থান শ্লেষ্মা ঝিল্লি, মাতৃদুগ্ধ
কাজ জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

মাতৃদুগ্ধের অন্যান্য অ্যান্টিবডি 🌟

মাতৃদুগ্ধে IgA ছাড়াও অন্যান্য অ্যান্টিবডি ও রোগ প্রতিরোধক উপাদান বিদ্যমান। নিচে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো:
  • IgG
  • IgM
  • ল্যাকটোফেরিন
  • লাইসোজাইম

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

* মাতৃদুগ্ধের IgA অ্যান্টিবডি নবজাতকের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। 💪 * ফর্মুলা দুধ IgA অ্যান্টিবডি সরবরাহ করতে পারে না। 🍼❌ * জন্মের পর প্রথম কয়েক দিনের শালদুধে (colostrum) IgA-এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। 🥇

ডিসক্লেইমার: এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Option A Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
  • প্রথম প্রতিরোধক: IgM হলো শরীরের প্রথম প্রতিরোধক যা ইনফেকশন সংক্রান্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে দ্রুত তৈরি হয়।
  • সংগঠন: এটি সাধারণত রক্তের মধ্যে বৃহৎ আকারের একটি অ্যান্টিবডি, এবং এটি মূলত রক্তে এবং লিম্ফ নোডে বিদ্যমান।
  • প্রমাণিক পরিমাণ: শরীরের ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে IgM এর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যা দ্রুত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।
  • উৎপাদনকারী কোষ: মূলত বি-সেল দ্বারা উৎপন্ন হয় যেখানে এটি প্রথমে সক্রিয় হয়।
Option C Explanation: ```html

IgE এর ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
  • সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
```
Option D Explanation:
  • অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ঝিল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
  • আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
  • সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।