হিস্টামিন ক্ষরণক??? উদ্দীপ্ত করে কোন অ্যান্টিবডি?
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
D.
IgE
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
হিস্টামিন ক্ষরণে IgE অ্যান্টিবডির ভূমিকা
হিস্টামিন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ যা আমাদের শরীরে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যেমন - অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া, প্রদাহ এবং গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণে ভূমিকা রাখে। IgE (ইমিউনোগ্লোবুলিন ই) নামক অ্যান্টিবডি হিস্টামিন ক্ষরণকে উদ্দীপ্ত করে। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
IgE এবং মাস্ট সেল
- IgE অ্যান্টিবডি মূলত মাস্ট সেল এবং বেসোফিলের সাথে আবদ্ধ হয়। 🧬
- মাস্ট সেল হলো ইমিউন সিস্টেমের কোষ যা টিস্যুতে (যেমন - ত্বক, ফুসফুস, এবং অন্ত্র) প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
- এদের সাইটোপ্লাজমে হিস্টামিন ভর্তি গ্রানিউল থাকে। 📦
হিস্টামিন ক্ষরণের প্রক্রিয়া
- অ্যালার্জেন দ্বারা সেন্সিটাইজেশন: প্রথমবার কোনো অ্যালার্জেনের (যেমন - পরাগ রেণু, ধুলাবালি, খাদ্য উপাদান) সংস্পর্শে এলে, শরীর সেই অ্যালার্জেনের বিরুদ্ধে IgE অ্যান্টিবডি তৈরি করে। 🤧
- IgE-এর বাঁধন: এই IgE অ্যান্টিবডি মাস্ট সেলের রিসেপ্টরের সাথে আবদ্ধ হয়ে থাকে।
- অ্যালার্জেনের সাথে IgE-এর সংযোগ: পরবর্তীতে যখন ঐ একই অ্যালার্জেন আবার শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেটি মাস্ট সেলের সাথে লেগে থাকা IgE অ্যান্টিবডির সাথে যুক্ত হয়। 🤝
- মাস্ট সেলের সক্রিয়তা: অ্যালার্জেন এবং IgE-এর এই সংযোগ মাস্ট সেলকে সক্রিয় করে তোলে। 💥
- হিস্টামিন নিঃসরণ: মাস্ট সেল সক্রিয় হওয়ার পর হিস্টামিন এবং অন্যান্য প্রদাহ সৃষ্টিকারী পদার্থ (যেমন - লিউকোট্রিন, প্রোস্টাগ্লান্ডিন) কোষ থেকে বাইরে নিঃসৃত হয়। 💨
হিস্টামিনের প্রভাব
হিস্টামিন নিঃসরণের ফলে নিম্নলিখিত প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যায়:
- ত্বকে চুলকানি ও ফুসকুড়ি: হিস্টামিন ত্বকের রক্তনালীকে প্রসারিত করে এবং চুলকানি সৃষ্টি করে। 瘙痒
- শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসের শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়ার কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। 🫁
- নাক দিয়ে পানি পড়া ও হাঁচি: নাকের ঝিল্লি থেকে শ্লেষ্মা নিঃসরণ বেড়ে যায়। 🤧
- পেটে ব্যথা ও ডায়রিয়া: অন্ত্রের সংকোচন এবং তরল নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। 😩
টেবিল: IgE-এর কারণে সৃষ্ট অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার উদাহরণ
| অ্যালার্জেন | প্রতিক্রিয়া | লক্ষণ |
|---|---|---|
| পরাগ রেণু (Pollen) | অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (Allergic Rhinitis) | নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, চোখ চুলকানো। 🌸 |
| বাদাম (Nuts) | খাদ্য অ্যালার্জি (Food Allergy) | চামড়ায় ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট, বমি। 🥜 |
| মৌমাছির কামড় (Bee Sting) | অ্যানাফিল্যাক্সিস (Anaphylaxis) | শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ কমে যাওয়া, অজ্ঞান হওয়া। 🐝 |
চিকিৎসা
অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া উপশমের জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহার করা হয়, যেমন:
- অ্যান্টিহিস্টামিন: হিস্টামিনের রিসেপ্টর ব্লকারের মাধ্যমে হিস্টামিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। 💊
- কর্টিকোস্টেরয়েড: প্রদাহ কমায়। 💉
- এপিনেফ্রিন: মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার (অ্যানাফিল্যাক্সিস) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 🚨
পরিশেষে বলা যায়, IgE অ্যান্টিবডি হিস্টামিন ক্ষরণকে উদ্দীপ্ত করার মাধ্যমে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে বোঝার মাধ্যমে অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। 👍
```Option A Explanation:
- প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
- অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option B Explanation:
- অস্তিত্বের স্থান: IgD প্রধানত বডির শ???লৈষ্মিক টিস্যু ও লিম্ফোসাইটের উপরিপৃষ্ঠে বিদ্যমান।
- মূল কাজ: এটি মূলত বডির নতুন লিম্ফোসাইটের উদ্দীপনা ও শনাক্তকরণে সহায়ক।
- প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পরিমাণ: সাধারণত IgD এর পরিমাণ খুবই কম, যা সাধারণ IgG বা IgA এর তুলনায় ন্যূনতম।
- অন্য ইমিউনোগ্লোবুলিনের তুলনায়: IgD এর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে খুবই স্বল্প, এর ফলে এটি সাধারণত খুব কম পরিমাণে বিদ্যমান।
Option C Explanation:
- অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
- মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ঝিল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
- আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
- সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
Option D Explanation: ```html
IgE এর ব্যাখ্যা
- অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
- সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
- মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।