বুকের দুধে কোন ধরনের ইমিউনোগ্লোবিউলিন থাকে (Ig)?
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
IgA
Explanation: বুকের দুধে উপস্থিত প্রধান ইমিউনোগ্লোবিউলিন হল IgA। A. IgE, B. IgM, এবং C. IgG - এগুলো অন্য কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে বুকের দুধে প্রধানত IgA থাকে। নোট: IgA শিশুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে, বিশেষ করে অন্ত্রের মিউকোসাল সুরক্ষায়।
Another Explanation (5):
বুকের দুধে থাকা ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Immunoglobulin) সম্পর্কে ব্যাখ্যা
বুকের দুধ, বিশেষ করে মায়ের দুধ, নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Immunoglobulin বা Ig) উপস্থিত থাকে, যা শিশুর জন্য অপ্রতিরোধ্য সুরক্ষা প্রদান করে।
প্রধান ইমিউনোগ্লোবিউলিন
- IgA 🧬 - প্রধান ইমিউনগ্লোবুলিন যা বুকের দুধে পাওয়া যায়। এটি শিশুর মিউকোসাল স্তরগুলোকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
- IgG 🧬 - সাধারণত প্লাজমা থেকে আসে এবং কিছু পরিমাণে বুকের দুধে পাওয়া যায়। এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকর।
- IgM 🧬 - খুব কম পরিমাণে থাকে, তবে এটি শরীরের প্রথম প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে কাজ করে।
বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: IgA 🛡️
অতীতে গবেষণায় দেখা গেছে যে, বুকের দুধে IgA সবচেয়ে বেশি পরিমাণে উপস্থিত থাকে। এটি মূলত Secretory IgA (sIgA) নামে পরিচিত, যা শিশুর মিউকোসাল সিস্টেমকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
সারসংক্ষেপ
| ইমিউনোগ্লোবুলিন | অবস্থান | প্রধান কাজ |
|---|---|---|
| IgA 🧬 | বুকের দুধে প্রধান | মিউকোসাল সুরক্ষা, সংক্রমণ প্রতিরোধ |
| IgG 🧬 | সাধারণ, তবে কম | ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ |
| IgM 🧬 | খুব কম | প্রাথমিক প্রতিরক্ষা |
অতএব, বুকের দুধে প্রধানভাবে IgA উপস্থিত থাকে, যা শিশুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 😊🍼
Option A Explanation: ```html
IgE এর ব্যাখ্যা
- অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
- সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
- মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
Option B Explanation:
- প্রথম প্রতিরোধক: IgM হলো শরীরের প্রথম প্রতিরোধক যা ইনফেকশন সংক্রান্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে দ্রুত তৈরি হয়।
- সংগঠন: এটি সাধারণত রক্তের মধ্যে বৃহৎ আকারের একটি অ্যান্টিবডি, এবং এটি মূলত রক্তে এবং লিম্ফ নোডে বিদ্যমান।
- প্রমাণিক পরিমাণ: শরীরের ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে IgM এর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যা দ্রুত সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।
- উৎপাদনকারী কোষ: মূলত বি-সেল দ্বারা উৎপন্ন হয় যেখানে এটি প্রথমে সক্রিয় হয়।
Option C Explanation:
- প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
- অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option D Explanation:
- অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
- মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ঝিল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
- আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
- সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।