মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন ইমিউনিগ্লোবিউলিন মানবদেহে সবচেয়ে কম?

A. Ig E
B. Ig M
C. Ig A
D. Ig D
Poster Download
JUUnit-DSet-4জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. Ig E
Explanation: Ig E মানবদেহে সবচেয়ে কম ইমিউনিগ্লোবিউলিন। এটি এলার্জি এবং পরজীবী প্রতিক্রিয়ায় জড়িত। অন্যান্য অপশন ভুল কারণ: B. Ig M প্রথম ইমিউন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে; C. Ig A শ্লেষ্মা আবরণে পাওয়া যায়; D. Ig D B কোষের কার্যক্রমে সহায়ক। নোট: Ig E এর ঘনত্ব কম হওয়া সত্ত্বেও এটি এলার্জিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):

IgE: মানবদেহে সর্বনিম্ন ইমিউনোগ্লোবিউলিন 🤧

ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Ig) হলো অ্যান্টিবডি, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। এদের মধ্যে IgE হলো মানবদেহে সবচেয়ে কম পরিমাণে থাকা ইমিউনোগ্লোবিউলিন। পরিমাণে কম হলেও এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

IgE সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • নাম: ইমিউনোগ্লোবিউলিন ই (Immunoglobulin E)
  • আণবিক ওজন: প্রায় ১৯০ কিলোডাল্টন
  • কাজ: অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
  • কোথায় পাওয়া যায়: প্রধানত ত্বক, ফুসফুস এবং মিউকাস মেমব্রেনে পাওয়া যায়।
  • স্বাভাবিক মাত্রা: খুব অল্প (0.05 µg/mL এর নিচে)।

IgE এর কার্যাবলী: 🧑‍⚕️

  1. অ্যালার্জি: IgE অ্যান্টিবডি অ্যালার্জেনের (যেমন: পরাগ রেণু, ধুলো, খাদ্য উপাদান) সংস্পর্শে এলে মাস্ট কোষ (Mast cell) এবং বেসোফিল (Basophil) কোষকে সক্রিয় করে তোলে। এর ফলে হিস্টামিন (Histamine) সহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়, যা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
  2. কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধ: IgE কৃমি বা প্যারাসাইট (Parasite) সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এটি ইওসিনোফিলকে (Eosinophil) সক্রিয় করে, যা কৃমিকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

IgE এর মাত্রা বৃদ্ধি: 📈

IgE এর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কিছু রোগের লক্ষণ হতে পারে। নিচে কয়েকটি রোগের তালিকা দেওয়া হলো:

রোগের নাম কারণ
অ্যালার্জি জনিত রোগ (Allergic Diseases) 🤧 বিভিন্ন অ্যালার্জেন যেমন: পরাগ রেণু, ধুলো, খাদ্য উপাদান ইত্যাদি।
কৃমি সংক্রমণ (Parasitic Infections) 🪱 বিভিন্ন ধরনের কৃমি যেমন: গোল কৃমি, ফিতা কৃমি ইত্যাদি দ্বারা সংক্রমণ।
অ্যাজমা (Asthma) 😮‍💨 শ্বাসনালীর প্রদাহ এবং সংকোচন।
এটোপিক ডার্মাটাইটিস (Atopic Dermatitis) 🤕 ত্বকের প্রদাহ জনিত রোগ।

গুরুত্ব: 🤔

IgE মানবদেহে কম পরিমাণে থাকলেও অ্যালার্জি এবং কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। IgE এর মাত্রা পরিমাপ করে বিভিন্ন রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।

আশা করি, IgE সম্পর্কে এই আলোচনাটি তথ্যপূর্ণ ছিল। 😊

Option A Explanation:
  • Ig E (ইমিউনিগ্লোবিউলিন ই): এটি সবচেয়ে কম পরিমাণে পাওয়া যায় মানবদেহে।
  • প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধে এবং প্যারাসাইটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • সাধারণত রক্তে এর স্তর খুবই নগণ্য এবং এটি মিউকোসাল স্রোতে বেশি থাকে।
  • অন্য ইমিউনিগ্লোবিউলিনের তুলনায় এর উৎপাদন কম হয়।
Option B Explanation:
  • ইমিউনিগ্লোবিউলিন Ig M: এটি মানবদেহে প্রথমে উৎপন্ন হওয়া অ্যান্টিবডি যা সাধারণত সংক্রমণের সময় দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রদান করে।
  • অন্য ইমিউনিগ্লোবিউলিনের তুলনায়, Ig M এর স্তর সাধারণত কম হয় কারণ এটি মূলত শরীরের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে এবং সময়ের সাথে সাথে অন্যান্য অ্যান্টিবডির মাধ্যমে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
  • প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে Ig M এর স্তর সাধারণত কম থাকে, তবে এটি সংক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত বাড়তে পারে।
Option C Explanation:
  • অতিরিক্ত সেরাম স্তর: IgA সাধারণত শরীরের বিভিন্ন শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে, যেমন মুখ, নাক, গলা, হৃৎপিণ্ড, এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে। এই স্তরটি সাধারণত অন্যান্য ইমিউনিগ্লোবিউলিনের তুলনায় কম হয়।
  • মূল কাজ: এটি মূলত শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক। এটি শ্লৈষ্মিক স্তরকে সুরক্ষিত করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • উৎপত্তিস্থল: IgA মূলত স্নায়ু ঝিল্লি ও শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে উৎপন্ন হয়, যেখানে এটি স্থানীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।
  • গ্লোবিউলিনের পরিমাণ: মানবদেহে অন্যান্য ইমিউনিগ্লোবিউলিনের তুলনায় IgA এর সেরাম স্তর সাধারণত কম হয়।
Option D Explanation:
  • অপ্রচলিত বা কম পরিমাণে উৎপন্ন: Ig D মানবদেহে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
  • প্রধান কার্যক্রম: এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কাজ করে এবং পেশী ও শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে।
  • অঙ্গপ্রতিস্থাপন: Ig D সাধারণত লিম্ফোসাইটের মধ্যে উপস্থিত থাকে এবং এর সঠিক কার্যাবলী এখনও সম্পূর্ণভাবে বোঝা যায়নি।
  • উৎপত্তিস্থল: এটি প্রধানত লিম্ফোসাইটের মধ্যে উৎপন্ন হয়।