মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোনটি দেহে রোগ সংক্রমন প্রতিরোধ করে ?

A. গ্লুকোজ
B. হিমোগ্লোবিন
C. এন্টিবডি
D. এন্টিজেন
Poster Download
NursingDiplomaজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অ্যান্টিবডির ভূমিকা (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. এন্টিবডি
Explanation:

Another Explanation (5):

দেহে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ: অ্যান্টিবডি 🛡️

অ্যান্টিবডি (Antibody) হলো আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (Immune system) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এগুলো প্রোটিন দিয়ে তৈরি এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু যেমন - ব্যাকটেরিয়া 🦠, ভাইরাস 👾, ছত্রাক 🍄 এবং পরজীবী 🐛 ইত্যাদি থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে। অ্যান্টিবডিকে ইমিউনোগ্লোবিউলিনও (Immunoglobulin) বলা হয়।

অ্যান্টিবডির গঠন 🧬

অ্যান্টিবডি মূলত Y আকৃতির হয়ে থাকে। এর প্রধান অংশগুলো হলো:

  • Fab অঞ্চল: এই অঞ্চল অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়।
  • Fc অঞ্চল: এই অঞ্চল ইমিউন কোষগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে তাদের সক্রিয় করে।

অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ 🗂️

অ্যান্টিবডি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, তাদের মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো:

  1. IgG: এটি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় রক্তে এবং টিস্যুতে। এটি প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে এবং নবজাতককে সুরক্ষা দেয়।
  2. IgM: এটি প্রথম অ্যান্টিবডি যা সংক্রমণের শুরুতে তৈরি হয়।
  3. IgA: এটি লালা saliva 🤤, অশ্রু 😢 এবং বুকের দুধে 🤱 পাওয়া যায়। এটি মিউকাস মেমব্রেনকে সুরক্ষা দেয়।
  4. IgE: এটি অ্যালার্জি এবং কৃমির সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
  5. IgD: এর কাজ এখনও ভালোভাবে জানা যায়নি, তবে এটি বি কোষের সক্রিয়করণে সাহায্য করে।

অ্যান্টিবডির কাজ ⚙️

অ্যান্টিবডি যেভাবে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে:

কার্যকারিতা বর্ণনা
Neutralization (প্রশমন) অ্যান্টিবডি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে তাদের কোষের মধ্যে প্রবেশে বাধা দেয়। 🚫
Opsonization (অপসোনাইজেশন) অ্যান্টিবডি জীবাণুকে চিহ্নিত করে ফ্যাগোসাইট নামক কোষ দ্বারা ভক্ষণ করার জন্য সহজ করে তোলে। 😋
Complement Activation (কমপ্লিমেন্ট সক্রিয়করণ) অ্যান্টিবডি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে, যা জীবাণুর কোষ প্রাচীর ধ্বংস করে দেয়। 💣
Antibody-dependent cell-mediated cytotoxicity (ADCC) অ্যান্টিবডি আক্রান্ত কোষকে চিহ্নিত করে ন্যাচারাল কিলার (NK) কোষের মাধ্যমে ধ্বংস করে। 🔪

অ্যান্টিবডি এবং রোগ 🤒

শরীরে অ্যান্টিবডির অভাব বা ত্রুটিপূর্ণ অ্যান্টিবডি তৈরি হলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ এবং অটোইমিউন রোগ হতে পারে। পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি করার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। 🍎🥦💪

অ্যান্টিবডি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। 🥰

Option A Explanation:
  • প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
  • প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
  • প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
  • কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
  • হিমোগ্লোবিন: হিমোগ্লোবিন হলো একটি প্রোটিন যা রক্তে উপস্থিত থাকে এবং অক্সিজেন বহন করে। এটি রক্তের লোহিত কণিকাগুলির মূল উপাদান।
  • প্রচুর অ্যামাইনো অ্যাসিড দ্বারা গঠিত, যা লোহা ধারণ করে থাকে।
  • রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে অ্যানিমিয়া হতে পারে।
  • রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় হিমোগ্লোবিনের সরাসরি ভূমিকা নেই।
  • সাধারণত, রক্তের জমাট বাঁধার জন্য বিভিন্ন প্রোটিন ও ফ্যাক্টর জরুরি, কিন্তু হিমোগ্লোবিন এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
Option C Explanation:
  • এন্টিবডি (Antibody): এটি একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা (immune system) দ্বারা উৎপন্ন হয়।
    • এন্টিবডি মূলত ক্ষতিকর উপাদান যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা টক্সিনের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
    • এটি অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে বা অন্য উপায়ে ধ্বংস করে দেয়।
    • রক্তে এন্টিবডির পরিমাণ বা ধরনের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • এন্টিজেন: এন্টিজেন হলো এমন কোন পদার্থ যা শরীরের প্রতিরক্ষাসম্পন্ন সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদনে প্রেরণা দেয়।
  • প্রধানত, এন্টিজেনগুলি ভাইরাসের প্রোটিন বা অন্যান্য অণু হতে পারে যা শরীরে প্রবেশ করে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে।
  • এন্টিজেনের উপস্থিতিতে শরীরের স্বতঃস্ফুর্তভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হয়, যেমন ইমিউন সিস্টেমের বিভিন্ন উপাদান কাজ শুরু করে।
  • এন্টিজ???নের উদাহরণ হিসেবে ভাইরাসের প্রোটিন কোষ, ব্যাকটেরিয়ার প্যাপিলোমার বা অন্যান্য অণু থাকতে পারে।