অসমাপ্ত ‘অদ্ভূতসাগর’ গ্রন্হটি কে সমাপ্ত করেন?
A. লক্ষ্মণ সেন
B. বল্লাল সেন
C. আলাউদ্দিন খিলজি
D. সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তরঃ
A.
লক্ষ্মণ সেন
Explanation: বল্লাল সেন ছিলেন সেন বংশের সর্বপ্রথম সার্বভৌম বা স্বাধীন রাজা বিজয় সেনের পুত্র। তিনি কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য রচনা– ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর এবং অদ্ভুতসাগর। অবশ্য “অদ্ভুতসাগর” গ্রন্হের অসমাপ্ত অংশ তার পুত্র লক্ষ্মণ সেন সমাপ্ত করেছিলেন।
Related Questions (Any University/Year)
- অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে সীতার সঙ্গে রামচন্দ্রের সম্পর্ককে বেগম রোকেয়া কিভাবে উল্লেখ করেছেন ?
- কবীর চৌধুরীকে উৎসর্গ করা হয়েছে কোন কবিতাটি?
- 'মহারথীপ্রথা' বলতে কোন প্রথার কথা বোঝানো হয়েছে?
- বৃক্ষের গান শুনতে হবে কীভাবে?
- ’শোন একটি মুজিবরের থেকে’ গানটির গীতিকার কে?
- মানুষ মানুষের জন্যজীবন জীবনের জন্যএকটু সহানুভূতি কিমানুষ পেতে পারে না? উদ্দীপকে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কোন দিকটি প্রকাশিতহয়েছে?
- ‘আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- "স্বপ্ন নয়— শান্তি নয়ভালোবাসা নয়হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়আমি তারে পারি না এড়াতে।" উদ্দীপকের ভাবের সঙ্গে 'লোক-লোকান্তর' কবিতার কোন চরণের মিল পাওয়া যায়?
- 'সাত ভায়া' গ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন রচনায়?
- শামসুদদীন আবুল কালামের 'মৌসুম' গল্পটি রচিত হয়েছে তৎকালীন জমিদারদের অধীন জনজীবনকে কেন্দ্র করে। সে সময় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে একদল সমাজরূপান্তর ও স্বাধীনতাকামীদের প্রচেষ্টায় কৃষকরা আন্দোলন শুরু করে। গল্পে দেখা যায়, দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির আগমনে কৃষকরা ভালো ফসল পাওয়ার আনন্দে বিভোর হয়। কৃষকদের মনের এই আনন্দ জমিদারের পছন্দ হয় না। চাল মজুদ করে দাম বাড়িয়ে কৃষকদের বেকায়দায় ফেলে দেয় জমিদার।উদ্দীপকে বর্ণিত কৃষকদের অবস্থার সাথে 'বিড়াল' রচনার বিড়ালের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- "নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়" কাব্যনাট্যাংশে 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' চরণটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- “হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোন জন!কাণ্ডারী বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার।”উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতারসাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চানযেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানএইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'এবার ফিরাও মোরে' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিসত্তাকে আহ্বান করেছিলেন দারিদ্রপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শক্তির উদ্বোধন ঘটাবার জন্য। তিনি এতে বলেছেন, যারা দরিদ্র, তারা বংশ পরম্পরায় দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তাদের মুখের অন্ন কেউ কেড়ে নিলেও তারা থাকে মুক ও ভীতসন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সবিনয়ে নালিশের ভাষাও যেনো এদের নেই। স্বয়ং বিধাতাও যেনো এদের প্রতি বিমুখ। কবি বলেছেন যে এদের মুখে দিতে হবে ভাষা।'ঐকতান' কবিতায় যে অপূর্ণতার কথা ব্যক্ত হয়েছে উদ্দীপকে তা নেই'- বিশ্লেষণ করো।
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।'পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি'- এ উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিজ-চণ্ডাল,প্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তুজীবী, স্থপতি, তক্ষককর্ম, চর্মকার!উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার মর্মার্থ বিশ্লেষণ করো।
- ‘কবর’ কবিতায় কতটি পঙক্তি রয়েছে?
- “অর্ধাঙ্গী' রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম কি?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি কোন নদীরযৌবন চেয়েছেন?
- "বিষাদ সিন্ধু" কার লেখা বই?
- 'যে তাম্র শাসনে তাহার নাম খোদাই করা আছে সেটা আমার হ্রদয়পট - উক্তিটি কোন গল্প থেকে নেয়া?