'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কবি কোন নদীর
যৌবন চেয়েছেন?
A.
পদ্মা
B.
মেঘনা
C.
যমুনা
D.
সুরমা
সঠিক উত্তরঃ
A.
পদ্মা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'তোমার হৃদয় বিশ্ব-দেউল সকল দেবতার'- এ কথা বলা হয়েছে কেন?
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ব্যক্ত হয়েছে নিচেরকোন চরণে?
- রক্তে আমারা অনাদী অস্থি' কার উদ্দেশে উৎসার্গিত ?
- ‘রোহিনী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
- কোনটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর রচনা নয়-
- ধন ধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরাতাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরাও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরাএমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমিসকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।উদ্দীপকের আলোকে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে'- কবিতার মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে উক্তিটির পক্ষে মতামত দাও।
- 'আমার সময়' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
- কবি আহসান হাবীব-এর জন্মস্থান-
- "অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ মরুভূমি"। এখানে "মরুভূমি" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ’হৈমন্তী’ গল্পে প্রধানত কোন সমস্যাকে তুলে ধরা হয়েছে?
- "সেখানে বরুণ কর্ণফুলী, ধলেশ্বরী, পদ্মা, জলাঙ্গীরে দেয় জল অবিরল?"- বলতে কী বোঝ?
- আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতামগ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমানমিলিয়া বাউলাগান ঘাটুগান গাইতাম।………………………………………'করি ভাবনা সেদিন আর পাব নাছিল বাসনা সুখী হইতামদিন হতে দিন আসে যে কঠিনকরিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম।উদ্দীপক ও 'সেই অস্ত্র' কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মোতাহের হোসেন কোন আন্দোলনের কান্ডারি?
- ‘সমাজের উচ্চ মঞ্চে বসেছি সংকীর্ণ বাতায়নে’ _এর পূর্ববর্তী চরণ-
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার শ্রমজীবী মানুষের জীবনচিত্র বর্ণনা কর।
- আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- "নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডালপ্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,কর্ম চর্মকার! কতরাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবেহে পূজ্য, হে প্রিয়!একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-আত্মার আত্মীয়।"উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
- 'বাংলাদেশ অনস্ত অক্ষয় মূর্তি জাগে' -পংক্তিটির কবির নাম কি?
- চিরকাল গলার স্বর আমার কাছে বড়ো সত্য। রূপ জিনিসটি বড়ো কম নয়, কিন্তু মানুষের মধ্যে যাহা অন্তরতম এবং অনির্বচনীয়, আমার মনে হয় কণ্ঠস্বর যেন তারই চেহারা। আমি তাড়াতাড়ি গাড়িতে জানালা খুলিয়া বাহিরে মুখ বাড়াইয়া দিলাম, কিছুই দেখিলাম না। প্লাটফর্মের অন্ধকারে দাঁড়াইয়া গার্ড তাহার একচক্ষু লণ্ঠন নাড়িয়া দিল, গাড়ি চলিল: আমি জানালার কাছে বসিয়া রহিলাম। আমার চোখের সামনে কোন মূর্তি ছিল না, কিন্তু হৃদয়ের মধ্যে আমি একটি হৃদয়ের রূপ দেখিতে লাগিলাম। সে যেন এই তারাময়ী রাত্রির মতো, আবৃত করিয়া ধরে কিন্তু তাহাকে ধরিতে পারা যায় না। গুগো সুর, অচেনা কন্ঠের সুর, এক নিমেষে তুমি যে আমার চিরপরিচয়ের আসনটির উপরে আসিয়া বসিয়াছ। কী আশ্চর্য পরিপূর্ণ তুমি- চঞ্চল কালোর ক্ষুদ্র হৃদয়ের উপরে ফুলটির মতো ফুটিয়াছ, অথচ তার ঢেউ লাগিয়া একটি পাপড়িও টলে নাই, অপরিমেয় কোমলতায় এতটুকু দাগ পড়ে নাই ।খ) 'একচক্ষু নন্ঠন' বলতে কী বোখানো হয়েছে? ঘ) কখন কাকে 'তুমি' সম্বোধন করেছে?