‘আত্মীয়সভা' কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
A. প্যারীচাঁদ মিত্র
B. রাজা রামমোহন রায়
C. দেবেন্দ্রনাথ সেন
D. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তরঃ
B.
রাজা রামমোহন রায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসের লেখক কে?
- কায়রো মিউজিয়াম কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- লোকায়ত বিশ্বাস এই- শুকদেবপুর গ্রামে দূর অতীতে এক মহাপুরুষের জন্ম হয়েছিল। সকল ধর্মের অনুসারীরাই তাঁর কাছ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মঙ্গল লাভের দিক নির্দেশনা পেতো। মানুষই সকল জ্ঞান আর প্রজ্ঞার আধার; প্রয়োজন কেবল সেই মানবাত্মার জাগরণ- ??ই ছিল মানবপ্রেমিক মহাপুরুষের সাধনার মূলকথা। তাঁর শিক্ষা ধারণ করে শুকদেবপুর গ্রাম সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির চরম শিখরে পৌঁছেছে। এখানে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা ধর্মভীরু হলেও তাদের মধ্যে নেই ধর্মীয় উন্মাদনা; ধর্ম তাদের কাছে শোষণহীন ন্যায় বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অবলম্বন।"উদ্দীপকের শুকদেবপুর গ্রামটি যেন 'সাম্যবাদী' সমাজেরই মূর্ত রূপ।"- মূল্যায়ন কর।
- কোনটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত গল্প নয় ?
- টেকো শব্দের অর্থ কী?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুসারে আত্মার পরিপুষ্টিরজন্য প্রয়োজন—বিচিত্র অভিজ্ঞতাউচ্চশিক্ষাগভীর সহানুভূতিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাদের অধিকারের কথা বলেছেন?
- পদ্মানদীর মাঝি ' উপন্যাসটির লেখক কে?
- সাম্যবাদী কবিতায় উল্লেখ্যকৃত 'শাক্যমনি' হলেন-
- তফাতে থাকিয়া দেখিতে লাগিলাম যে, কান্ডটা কী হয়।-কে তফাতে থেকে দেখতে লাগলেন?
- ‘সাজাহান’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- অপুর কেমন মনে হয় নিশ্চিন্দিপুরের সেই অপূর্ব মায়ারূপ এখানকার কিছুতেই নাই। কোথায় সে নিবিড় পুষ্পিত ছাতিম বন, ডালে ডালে সোনার সিঁদুর ছড়ানো সন্ধ্যা? আজ কতদিন সে নিশ্চিন্দিপুর দেখে নাই- তিন বৎসর! কত কাল! সে জানে নিশ্চিন্দিপুর তাহাকে দিনে-রাতে সবসময় ডাকে। বাঁশবনটা ডাক দেয়, দেবী বিশালাক্ষী ডাক দেন। এতদিনে তাহাদের সেখানে ইছামতিতে বর্ষার ঢল নামিয়াছে। ঝোপে ঝোপে নাটা কাঁটা, বনকলমীর ফুল ধরিয়াছে। বন অপরাজিতার নীল ফুলে বনের মাথা ছাওয়া।উদ্দীপকের অপুর প্রকৃতি প্রেমের সঙ্গে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার সাদৃশ্য পাওয়া যায় কি?-আলোচনা কর।
- 'গাহি সাম্যের গান' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'সেই অস্ত্র' কবিতায় সেই অস্ত্র ব্যাপ্ত হলে কোথায়আগুন ঝরবে না?
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ’এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ শীর্ষক কবিতায় বর্ণিত স্থানটি কেমন?
- "সে সাধ এইখানেই মিটিল"। কামলাকান্তের কোন সাধ?
- "নিরীহ বাঙালী" প্রবন্ধে বাঙালীদের --- করা হয়েছে?
- 'হৈমন্তী' প্রথম কোন গ্রস্থে সঙ্কলিত হয় ?
- কমলাকান্তের জবানবন্দি রচনায় কীসের অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে?
- সাহিত্যের জন্য হুমায়ুন আহমেদ বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান-
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ "একটি তুলসী গাছের কাহিনী " ছোটগল্পে গোপনে তুলসী গাছের পরিচর্যা কে করতেন?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- হৈমন্তীর ননদের নাম কী ছিল?
- রোগাপটকা ইউনুস যেখানে বাস করে তা নাম-
- ‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- হাওয়া যখন পানের বনে চঞ্চলতা জাগায় তখন কে চঞ্চল হয়ে উঠে?
- কোন গদ্যে ‘ওয়াটারলু' যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে?
- সে ডাহা নিমকহারাম" উক্তিটি কোন রচনায় আছে ?
- ‘জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- “আমি যদি খাইতে না পাইলাম, তবে সমাজেরউন্নতি লইয়া কী করিব?” “বিড়াল' প্রবন্ধের এউক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কা???ে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকের ছবি রাণী কোন দিক দিয়ে কমলাকান্তের সঙ্গে তুলনীয়?
- 'মানবের মহা-বেদনার ডাক' বলতে কী বোঝায়?
- ধন্যবাদ' কবিতাটি কোন্ ধরনের কবিতা?
- 'প্রকৃতির ঐকতানস্রোত' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- বাংলায় টি.এস. এলিয়ট এর কবিতার প্রথম অনুবাদক -
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি গদ্য গ্রন্থের নাম লেখো।
- ‘ধর্ম কী? পরোপকারই ধর্ম ।’ উক্তিটি কোন রচনা থেকে নেয়া হয়েছে?
- ‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমান রচিত একটি-
- বঙ্কিমচন্দ্রের বক্তব্য অনুসারে যুক্তিতে পরাস্ত হলে সমাজের তথাকথিত বিজ্ঞলোকেরা কী করে?