আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ কোন দলের নেতা ছিলেন?
A.
গণআজাদী লীগ
B.
মুসলিম লীগ
C.
আওয়ামী মুসলিম লীগ
D.
সর্বহারা পার্টি
সঠিক উত্তরঃ
A.
গণআজাদী লীগ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপক ও 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার আলোচ্য বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দাও।
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কয়টি নদীর কথা বলা হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথের 'হৈমন্তী' গল্পে প্রাধান্য পেয়েছে -
- শামসুর রাহমানের জন্মাসাল হচ্ছে?
- 'হৈমন্তী' গল্পে উল্লিখিত 'প্রজাপতির দুই পক্ষ' বলতে কার কথা বলা হয়েছে?
- পথের পাঁচালী উপন্যাসের দুই ভাই বোনের নাম
- একটি ফটোগ্রাফ কবিতার ছোট ছেলেটি কত আগে ডুবে মারা গিয়েছিল ?
- কোনটি কাজী আবদুল ওদুদের রচনা?
- ফররুখ আহমদ এর 'পাঞ্জেরী' কবিতায় 'পাঞ্জেরী' শব্দটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা____’ সাম্যবাদী কবিতার এই চরণের শূন্যস্থানে কী বসবে?
- 'ধান ভানিতে শিবের গান'- কথাটি কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- অপুর কেমন মনে হয় নিশ্চিন্দিপুরের সেই অপূর্ব মায়ারূপ এখানকার কিছুতেই নাই। কোথায় সে নিবিড় পুষ্পিত ছাতিম বন, ডালে ডালে সোনার সিঁদুর ছড়ানো সন্ধ্যা? আজ কতদিন সে নিশ্চিন্দিপুর দেখে নাই- তিন বৎসর! কত কাল! সে জানে নিশ্চিন্দিপুর তাহাকে দিনে-রাতে সবসময় ডাকে। বাঁশবনটা ডাক দেয়, দেবী বিশালাক্ষী ডাক দেন। এতদিনে তাহাদের সেখানে ইছামতিতে বর্ষার ঢল নামিয়াছে। ঝোপে ঝোপে নাটা কাঁটা, বনকলমীর ফুল ধরিয়াছে। বন অপরাজিতার নীল ফুলে বনের মাথা ছাওয়া।উদ্দীপকের অপুর প্রকৃতি প্রেমের সঙ্গে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার সাদৃশ্য পাওয়া যায় কি?-আলোচনা কর।
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।
- সুন্দরপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে হালদা নদী। নদী বিধৌত গ্রামটি যেন সবুজ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর সজীবতা। জাম, জারুল, কড়ই, ডুমুর, শিমুলসহ নানা জাতের গাছ- গাছালি, পাখির কলতান, ফল-ফুলের মাধুর্য, দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ যেন দৃশ্যমান ছবি।নদীর জলে নানা প্রজাতির মাছ ও দুকূলে হরেক রকমের লতা-গুল্মের সমাহার।"উদ্দীপক ও 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সৌন্দর্য বর্ণনার অন্তরালে প্রকাশ পেয়েছে অকৃত্রিম দেশপ্রেম।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত সালে ফোর্ট ইউলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে হেড পণ্ডিত হিসেবে যোগ দান করেন?
- “মানুষ পণ করে পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া হাঁফ ছাড়িবার জন্য” কার উক্তি?
- আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
- সুজনের ছোটো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার চুরি করতে গিয়ে এক ভিক্ষুক মার খায়। পেটের দায়েই চুরি করেছে এ কথা বুঝতে পেরে আর চুরি না করার শর্তে সুজন তাকে ছেড়ে দেয় ।উদ্দীপকের সুজনের সঙ্গে ‘বিড়াল' রচনার কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- দরিদ্র বাবা-মা তাদের প্রথম সন্তানের নাম রাখেন সাজাহান। তাদের স্বপ্ন সাজাহান অনেক বড় হবে। কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সাজাহান কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে সাজাহান কাজের লোক হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রতিদিন ঘরে ও বাইরে সমান পরিশ্রম করে সাজাহান। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী তাঁর ভাগ্যে খাবার জোটে না। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সাজাহান লাড্ডু কিনে খায়। কিন্তু টাকার হিসেব দিতে না পারায় আলম সাহেব তাকে নির্দয়ভাবে মারে। মনে ক্ষোভ নিয়েও সাজাহান সব সহ্য করে, কারণ সে জানে, সে গরীব-অসহায়।"উদ্দীপকটি 'বিড়াল' রচনার ভাবসত্যের যেন প্রতীকী রূপ।"- এ মত কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।