‘মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা____’ সাম্যবাদী কবিতার এই চরণের শূন্যস্থানে কী বসবে?
A. দেবালয়
B. এই হৃদয়
C. আনন্দময়
D. ভুবনময়
সঠিক উত্তরঃ
B.
এই হৃদয়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটির রচয়িতা?
- এই পদ্মা এই মেঘনা, এই হাজার নদীর অববাহিকায়এখানে রমণীগুলো নদীর মতো, নদী ও নারীর মতো কথা কয়।এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়েনির্ভয়ে নীলাকাশ রয়েছে নুয়ে।যেন হৃদয়ের ভালোবাসা হৃদয়ে ফোটেআনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে।"উদ্দীপকে 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?" ব্যাখ্যা করো।
- কোন উপন্যাসটিতে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের চিত্র রয়েছে?
- গৌরী শংকর কে?
- মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ একটি-
- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- 'পরোপকারই পরম ধর্ম'- ব্যাখ্যা কর।
- 'বরং সত্য কথা বলতে গেলে সাধরণ লোকের মন স্বভাবতই যেখানে আছে, তারই চারপাশে ঘুরে বেড়াতে চায়, উড়তেও চায় না, ডুবতেও চায় না'- কথাটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- ’হুলিয়া’ কবিতাটি কে লিখেছেন?
- পদ্মা নদীর মাঝি কে ?
- টেকো শব্দের অর্থ কী?
- পথের পাঁচালী উপন্যাসের দুই ভাই বোনের নাম
- 'ঐকতান' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- মসজিদ এই, মন্দির এই,গীর্জা এই হৃদয় চরনটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- সৌদামিনী মালাে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে কোনটিকে?
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।"প্রকৃতির চিত্র উপস্থাপনে উদ্দীপকের সাথে- জীবনানন্দ দাশ সমান পারঙ্গম।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষ কিসের বাণী প্রচার করে ?
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী শোনায়?
- ফেরারী সূর্য কার রচনা?
- কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লেখিত ‘শাক্যমুনি’ কে?
- বেগম রোকেয়া কোন দুই দল লোককে অলস বলেছেন?
- ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের কোন অর্থে নামকরণ হয়েছে?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে ‘সজীবতা ও সার্থকতা' জীবন্তদৃষ্টান্ত হিসেবে কীসের উল্লেখ রয়েছে?
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।"উদ্দীপক ও 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ক্ষেত্রে অভাব চিরায়ত"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- ’কবর’ কবিতায় ‘মজিদ’ শব্দের নির্দেশিত-
- বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় রহিম আর তাঁত বোনে না।তার মেধাবী ছেলেটি লেখাপড়ার ফাঁকে ফ???ঁকে পত্রিকা বিক্রিকরে আর রাতে খেটে খাওয়া দারিদ্র্যের ইতিবৃত্ত রচনা করে । উদ্দীপকের রহিম তাঁতির ছেলের সঙ্গে 'ঐকতান'কবিতার কার সাদৃশ্য বিরাজমান?
- অন্তঃপুরে হৈমর প্রকৃত ভক্ত কে ছিল?
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা ব্যক্ত হয়েছে নিচেরকোন চরণে?
- আইন বিষয়ক গ্রন্থ প্রণেতা কোনজন?
- 'পলিতে গলিত হেম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সে ডাহা নিমকহারাম" উক্তিটি কোন রচনায় আছে ?
- 'ঐকতান' কবিতায় কবি নিজেকে কোথাকার কবি বলেছেন?
- নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের প্রবল আকাঙ্ক্ষায় ভয়ভীতি দেখিয়ে, অত্যাচারনির্যাতন করেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এলাকাবাসীরসমর্থন পায়নি মির্জা সাহেব; অথচ তারই ছেলে দুঃখে সুখে জনগণেরপাশে থেকে, গ্রামে বিদ্যালয় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে এখন সকলেরইপ্রিয় ব্যক্তি।উদ্দীপকে মির্জা সাহেবের চেয়ারম্যান হবার আকাঙ্ক্ষা 'সেইঅস্ত্র' কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে তুলনীয়?
- “ক্রীতদাসের হাসি” গ্রন্থের লেখক-
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী কোনটিকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- কবীর চৌধুরীকে উৎসর্গ করা হয়েছে কোন কবিতাটি?
- কোন গ্রন্থটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় বারুণীরবোস কোথায়?
- বর্তমান বিশ্বের অগ্রগতির চাকা নির্ভর করে কৃষকের তথাকৃষির অগ্রযাত্রার ওপর।উদ্দীপকের সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ কীভাবেসাদৃশ্যপূর্ণ?