টিস্যু কালচার প্রযুক্তির উদ্ভাবক কে?
সঠিক উত্তরঃ
A.
G. Habarlandt
Another Explanation (5): প্রশ্ন: টিস্যু কালচার প্রযুক্তির উদ্ভাবক কে?
উত্তর: G. Habarlandt
Option A Explanation:
G. Habarlandt এর ব্যাখ্যা
- সাধারণ তথ্য: G. Habarlandt একজন বৈজ্ঞানিক, যিনি জীববিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিদ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- প্রধান অবদান: তিনি মূলত প্রজনন ও জেনেটিক্স নিয়ে কাজ করেছেন।
- টিস্যু কালচার প্রযুক্তি: G. Habarlandt এর নাম সরাসরি টিস্যু কালচার প্রযুক্তির উদ্ভাবকের সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে তিনি জীবের বিকাশ ও প্রজনন সংক্রান্ত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- গবেষণার ক্ষেত্র: উদ্ভিদ ও প্রাণীর কোষের মধ্যে জেনেটিক পরিবর্তন ও বিকাশের উপর তাঁর গবেষণা ছিল।
- অন্য তথ্য: তার কাজের মাধ্যমে জেনেটিক্স ও কোষবিজ্ঞান শাস্ত্রে নতুন দিশা দেখানো হয়েছে।
Option B Explanation:
- প্রযুক্তি যা জীবের জিনোটাইপের পরিবর্তন ঘটাতে ব্যবহৃত হয়, সেটি জেনেটিক এডিটিং প্রযুক্তি নামে পরিচিত।
- এই প্রযুক্তি সাধারণত জিন সেকেন্সিং, জিন থেরাপি, এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বিশিষ্ট উদাহরণ হলো CRISPR-Cas9, যা জিন পরিবর্তন করার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি জীবের জিনোমে নির্দিষ্ট পরিবর্তন আনার জন্য ব্যবহার করা হয়, যাতে জীবের বৈশিষ্ট্য বা কার্যক্ষমতা পরিবর্তিত হয়।
Option C Explanation:
- টমাস মোর্ঘান (T. Morgan): তিনি মূলত জেনেটিক্সের একজন প্রাথমিক গবেষক।
- তাঁর গবেষণার মাধ্যমে ডিএনএ ও জেনেটিক ট্রান্সফার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশিত হয়।
- তাঁর কাজের জন্য তিনি 1933 সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- মোর্ঘানের গবেষণায় ক্রোমোজোমের ভূমিকা ও জেনেটিক ইনারিটেন্সের প্রক্রিয়া স্পষ্ট হয়।
Option D Explanation:
F. Sanger এর ব্যাখ্যা
- ফ্র্যাঙ্কলিন সেনগার (Frederick Sanger) একজন ব্রিটিশ জৈববিজ্ঞানী।
- তিনি ডিএনএ সিকোয়েন্সিং পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যা ডিএনএর নির্দিষ্ট ভিত্তি ক্রম নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- সেনগার পদ্ধতিকে "সেনগার শৃঙ্খল পদ্ধতি" (Sanger sequencing) বলা হয়।
- এই প্রযুক্তি জিনোম গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি দুটি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন, যার মধ্যে একটি জীববিদ্যায় (1962) ডিএনএ ???বেষণার জন্য।