টিস্যু কালচারের জনক কে?
সঠিক উত্তরঃ
D.
Haberlandt
Explanation:

Another Explanation (5):
🌱 টিস্যু কালচারের জনক: হ্যাবারল্যান্ড (Haberlandt)
টিস্যু কালচার আধুনিক উদ্ভিদ বিজ্ঞান এবং জীবপ্রযুক্তি (biotechnology) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ভিদের ছোট অংশ (যেমন: কোষ, টিস্যু অথবা অঙ্গ) থেকে নতুন চারা তৈরি করা যায়। বিজ্ঞানী গটলিয়েব হ্যাবারল্যান্ড (Gottlieb Haberlandt) কে টিস্যু কালচারের জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
👨🏫 হ্যাবারল্যান্ড এর অবদান:
- কোষ তত্ত্বের উপর ধারণা: তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে প্রতিটি উদ্ভিদ কোষের মধ্যে সম্পূর্ণ গাছ তৈরি করার ক্ষমতা আছে (Totipotency)।
- প্রথম প্রচেষ্টা: ১৯০২ সালে, হ্যাবারল্যান্ড সর্বপ্রথম test tube এর মধ্যে পাতার মেসোফিল (mesophyll) কোষ কালচার করার চেষ্টা করেন। যদিও তিনি সফল হননি, কিন্তু তার এই প্রচেষ্টা টিস্যু কালচারের ভিত্তি স্থাপন করে।
- উদ্ভিদ শারীরবিদ্যা (Plant physiology) বিষয়ক গবেষণা: উদ্ভিদ শারীরবিদ্যার উপর তার গবেষণা টিস্যু কালচারের সম্ভাবনা উন্মোচন করে।
🧪 টিস্যু কালচারের পর্যায়ক্রম:
- জীবাণুমুক্তকরণ (Sterilization): কালচারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং উদ্ভিদের অংশ জীবাণুমুক্ত করা হয়।
- ইনোকুলেশন (Inoculation): জীবাণুমুক্ত উদ্ভিদের অংশ питательными средами (nutrient media) এ স্থাপন করা হয়।
- ইনকিউবেশন (Incubation): এরপর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে (তাপ, আলো, আর্দ্রতা) কালচারগুলো রাখা হয়।
- পুনরুৎপাদন (Regeneration): কোষগুলো বিভাজিত হয়ে ক্যালাস (callus) তৈরি করে এবং পরবর্তীতে চারা উৎপন্ন হয়।
- acclimatization (সহজীকরণ): চারাগুলোকে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
📊 টিস্যু কালচারের সুবিধা:
| সুবিধা | বর্ণনা |
|---|---|
| দ্রুত বংশবিস্তার | অল্প সময়ে অনেক চারা উৎপাদন করা যায়। 🚀🚀🚀 |
| রোগমুক্ত চারা | রোগমুক্ত গাছ থেকে চারা তৈরি করা সম্ভব। |
| বিরল প্রজাতির সংরক্ষণ | বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতিকে বাঁচানো যায়। 😥➡️🤩 |
| genetic engineering | генетически модифицированные চারা তৈরি করা যায়। 🧬 |
🧪🔬 টিস্যু কালচারের প্রয়োগ:
- কৃষি: উন্নত জাতের ফসল উৎপাদন। 🌾🌽🍅
- উদ্যানবিদ্যা: ফুলের উৎপাদন এবং নতুন জাতের ফুল তৈরি। 🌹🌷🌻
- ফার্মাসিউটিক্যালস: औषधीय উদ্ভিদ থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান উৎপাদন। 💊🌿
- বনবিদ্যা: দ্রুত গাছ তৈরি করে বনাঞ্চল সৃষ্টি। 🌳🌲🌴
পরিশেষে, বলা যায় যে হ্যাবারল্যান্ড এর প্রাথমিক প্রচেষ্টা এবং ধারণা টিস্যু কালচার প্রযুক্তিকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। 👍👏
Option A Explanation:
মরগান
মরগান
- মরগান (Morgan) একজন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী যিনি জীববিজ্ঞান ও জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন।
- তাঁর গবেষণাগুলি জীবের জৈবিক ক্রিয়াকলাপ ও জৈবপ্রযুক্তির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- মরগানের কাজের মাধ্যমে জীববিজ্ঞানে নতুন দিক ও প্রযুক্তির সূচনা হয়।
- তাঁর অবদান জৈবপ্রযুক্তি ও জীববিজ্ঞান শাস্ত্রে উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- নাম: Ereky
- পরিচিতি: হাংগেরিয়ান বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী
- অবদান:
- প্রথমবারের মতো জীবিত কোষের নিদর্শন ও উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন।
- প্রথম "টিস্যু কালচার" এর ধারণা ও পদ্ধতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- প্রভাব: জীববিজ্ঞান ও কৃষি ক্ষেত্রে উদ্ভিদ ও প্রাণীর টিস্যু সংস্কৃতি প্রযুক্তির উন্নয়নে মৌলিক ভিত্তি স্থাপন করেন।
Option C Explanation:
Shoog
- বিশেষভাবে টিস্যু কালচার বা পুষ্টি বিজ্ঞানে প্রাথমিক গবেষকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম নয়।
- এটি সম্ভবত একটি ভুল বা অসম্পূর্ণ নাম বা অপশন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
- অন্যদিকে, এই নামের কোনও জনপ্রিয় বা স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক পণ্ডিত বা গবেষক পরিচিত নেই।
- সাধারণত, এই ধরনের প্রশ্নে "Shoog" নামে কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব বা বিজ্ঞানীর নাম উল্লেখ নেই।
Option D Explanation:
Haberlandt সম্পর্কে বিস্তারিত:
- পূর্ণ নাম: Gottlieb Haberlandt
- প্রতিষ্ঠান: অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী
- অধিক পরিচিতি: টিস্যু কালচারের জনক
- অধিক গবেষণা: উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং টিস্যু কালচারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
- অন্য বিবরণ: জীববিজ্ঞানে তার কাজ নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, যা উদ্ভিদের কোষের পৃথকভাবে বৃদ্ধির ধারণাকে উৎসাহিত করে