মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

পাটের আঁশ ছাড়াতে সাহায্য করে কোন ব্যাকটেরিয়া? 

A. Bacillus 
B. Pseudomonas
C. Rhizobium
D. Clostridium 
Poster Download
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাক্টেরিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. Clostridium 
Explanation:

Another Explanation (5):

পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা 🦠

পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ আঁশ জাতীয় ফসল। এর আঁশ ছাড়ানোর (Retting) প্রক্রিয়ায় কিছু ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

আঁশ ছাড়ানো কী? 🤔

পাট গাছ থেকে আঁশ আলাদা করার পদ্ধতিকে আঁশ ছাড়ানো বলে। এই পদ্ধতিতে গাছগুলোকে সাধারণত পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়, যেখানে ব্যাকটেরিয়াগুলো কাজ করে।

কোন ব্যাকটেরিয়া পাটের আঁশ ছাড়াতে সাহায্য করে? ব্যাকটেরিয়ার নাম ও কাজ 👇

Clostridium sp. নামক ব্যাকটেরিয়া পাটের আঁশ ছাড়াতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। এছাড়াও আরো কিছু ব্যাকটেরিয়া এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। নিচে তাদের কাজ উল্লেখ করা হলো:
  • Clostridium butyricum: এরা পচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং আঁশ নরম করে।
  • Clostridium perfringens: এই ব্যাকটেরিয়া পেকটিন নামক পদার্থ ভেঙে দেয়, যা আঁশ ছাড়াতে সাহায্য করে।
  • অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া: এছাড়াও কিছু অণুজীব যেমন ছত্রাক🦠 ও অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া🦠🌾🌱 এই প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

আঁশ ছাড়ানোর পদ্ধতি ⚙️

1. জলের নির্বাচন: প্রথমে পরিষ্কার জল💧 নির্বাচন করতে হবে। পুকুর বা নদীর জল ব্যবহার করা ভালো। 2. পাট গাছ ভেজানো: পাটের গাছগুলোকে একসাথে বেঁধে জলে ডুবিয়ে রাখতে হয়। 3. ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা: ব্যাকটেরিয়াগুলো🦠🌾🌱 পাটের মধ্যে থাকা পেকটিন ও অন্যান্য উপাদান分解 (decompose) করে দেয়। 4. আঁশ সংগ্রহ: এরপর আঁশগুলো manualmente (manually) ছাড়ানো হয়।

বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য 📊

ব্যাকটেরিয়ার নাম বৈশিষ্ট্য ভূমিকা
Clostridium butyricum অ্যান aerobic, স্পোর গঠনকারী পচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে
Clostridium perfringens দ্রুত বৃদ্ধি পায় পেকটিন分解 (decompose) করে

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ⚠️

* জলের গুণমান💧💦 ভালো হওয়া প্রয়োজন। * তাপমাত্রা🌡️ সঠিক রাখা দরকার, যা ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতার জন্য অনুকূল। * অতিরিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য🧪 ব্যবহার করা উচিত নয়, যা ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। আঁশ ছাড়ানোর এই জৈবিক পদ্ধতি পরিবেশ-বান্ধব♻️ এবং পাটের গুণগত মান🌿 অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়ক।
Option A Explanation:
  • প্রকার: ব্যাসিলাস (Bacillus)
  • অক্সিজেনের প্রয়োজন: কিছু ব্যাসিলাস প্রকার অ্যানোব্যাকটেরিয়া, অর্থাৎ তারা অক্সিজেন ছাড়াই বাঁচতে পারে।
  • উদাহরণ: Bacillus subtilis, Bacillus cereus
  • অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে সক্ষমতা: হ্যাঁ, বিশেষ কিছু প্রজাতি অ্যানোব্যাকটেরিয়া হিসেবে কাজ করে এবং অক্সিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে জীবনচক্র চালিয়ে যেতে পারে।
  • ব্যাখ্যা: এই ব্যাকটেরিয়াগুলি সাধারণত অ্যানোব্যাকটেরিয়া বা অ্যানঅক্সিক প্রকারের হয়, যা অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বা অনুপস্থিতিতে জীবিত থাকতে পারে।
Option B Explanation:

প্যসুডোমোনাস (Pseudomonas) ব্যাকটেরিয়া সাধারণত নিঃশ্বাসযুক্ত এবং বিভিন্ন পরিবেশে পাওয়া যায়। তবে, এটি বাতাসের মুক্ত নাইট্রোজেন (N₂) মাটিতে আবদ্ধ করতে পারে না।

  • প্রকারভেদ: Pseudomonas একটি গ্রুপের গ্রাম-নেগেটিভ, অবজীবনব্যবস্থা ব্যাকটেরিয়া।
  • অক্সিডেশন: এটি সাধারণত অঅক্সিডেটিভ বা অ্যানারোবিক পরিবেশে বৃদ্ধি পায়, তবে বাতাসের মুক্ত নাইট্রোজেনের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়।
  • নাইট্রোজেন ফিক্সেশন: অন্য ব্যাকটেরিয়া যেমন Azotobacter বা Clostridium নাইট্রোজেন ফিক্স করে, কিন্তু Pseudomonas সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
  • অর্থবহতা: এই ব্যাকটেরিয়া মূলত রোগের সৃষ্টি করতে পারে বা পরিবেশে অন্যান্য কার্যকলাপে জড়িত থাকে, তবে বাতাসের মুক্ত নাইট্রোজেন আবদ্ধ করার ক্ষমতা নেই।
Option C Explanation:
  • Rhizobium: Rhizobium হলো একটি প্রজাতির অণুজীব যা মূলত উদ্ভিদের গোড়ায় বাস করে। এটি নাইট্রোজেন-ফিক্সেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, অর্থাৎ বাতাসের নাইট্রোজেনকে ফার্মে ব্যবহারের যোগ্য অণুতে রূপান্তর করে।
  • এই অণুজীবটি মূলত ফসলে নাইট্রোজেন যোগানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • জীব প্রযুক্তিতে, Rhizobium ব্যবহৃত হয় কৃত্রিমভাবে নাইট্রোজেন যোগানোর জন্য, যা ফসলে উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
  • তবে, এটি সরাসরি ইনসুলিন প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয় না।
Option D Explanation:
  • Clostridium: এটি একটি ধনাত্মক অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা সাধারণত বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে, যেমন টেটানাস এবং কোলাইটিস।
  • অতীতে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়াশেজ বা অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে দই তৈরিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
  • প্রাকৃতিক অবস্থানে কিছু ক্লোস্ট্রিডিয়াম প্রজাতি অক্সিজেনের অভাবে বিভিন্ন দ্রব্যের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারে।