সুকান্ত ভট্টাচার্যের অকাল মৃত্যুর হয় কত বছর বয়সে?
A. ১৮ বছর বয়সে
B. ১৯ বছর বয়সে
C. ২০ বছর বয়সে
D. ২১ বছর বয়সে
সঠিক উত্তরঃ
D.
২১ বছর বয়সে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ’ওঁচা’ শব্দের অর্থ-
- ‘অপরিচিতা’ গল্পে কন্যাকে আশীর্বাদ করার জন্য যাকে পাঠানো হয়েছিল- সে সম্পর্কে নায়কের কী হয়?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।"প্রিয়জনকে না পাওয়ার হাহাকারই উদ্দীপকের বাহক ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমকে একই সূত্রে গেঁথেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- কোন লেখক রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?
- কোনো যৌতুক না চাইলেও বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার সময় গাড়িবোঝাই উপহার দেখে আজাদ সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। তিনি মেয়ের বাবাকে বলেন, আমরা উপহার বা যৌতুক নিতে আসেনি, আমার ছেলের জন্য শুধু আপনার মেয়েকে নিতে এসেছি।
- 'এইটে একবার পরখ করিয়া দেখো।'- ব্যাখ্যা করো।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'"উদ্দীপকের রায় বাহাদুর আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামা একই মানসিকতা লালন করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- মামার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?
- উচ্চশিক্ষিত ও আধুনিক জীবনবোধসম্পন্ন মেয়ে অরুনিমা। সে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার কয়েকবার বিয়ের সম্বন্ধ এলেও পাত্রপক্ষের বিভিন্ন শর্ত শুনে বিয়েতে রাজি হয়নি অরুনিমা। একদিন অরুনিমার বাবা তাকে বিয়ের জন্য একজন ভালো পাত্রের কথা জানালেন। তখন অরুনিমা বলল, 'আমি সমাজের নারীদের জন্য কিছু করতে চাই, এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না।'উদ্দীপকের অরুনিমা আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন নারীসমাজের 'স্বপ্নদ্রষ্টা- 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর ব্যক্তিত্বের আলোকে' মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- "ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই"- উক্তিটি কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমারনাই'— এই উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে গল্প বলায় পটু কে?
- হরিশ কোন গল্পের চরিত্র?
- কোন কবি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?
- ইসমাইলের বাবা অনাথ সিহাবকে লালনপালন করেন।ইসমাইলের সঙ্গে তার চাচা তায়েবের বিরোধ বাধলে অর্থেরলোভে তায়েবের নির্দেশে সিহাব ইসমাইলকে হত্যা করে।উদ্দীপকের সিহাবের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে ?
- অপরিচিতা' গল্পে 'দক্ষযজ্ঞ' শব্দটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ’গবেষণা’ শব্দের ঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ছোটবেলায় অনুপম পন্ডিতমশাইয়ের বিদ্রুপের পাত্র হয়েছিল কেন?
- কোন শব্দগুলো বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।
- জীবনে একবার বিশেষ কাজে মামা কোথায় গিয়েছিলেন?
- কার ছোটগল্পে হাতি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র?
- কোন ঘটনায় অনুপমের মন ‘পুলকের আবেশে' ভরেগিয়েছিল?
- আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- 'অপরাজিতা' গল্পে কল্যাণীর বাবার নাম কি ?
- কহিল সে কাছে সরে আসি' পরের পঙ্ক্তি কোনটি?
- “আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনেকরে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না। ”—উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।উদ্দীপকের চাচার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি তুলনীয়?-আলোচনা কর।
- ‘অপর্ণা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের নায়িকা?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে পরিচয় দিয়েছেন?
- অপরিচিতা কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- অপরিচিতা' গল্পে 'জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- 'আমি মাথা হেঁট করিয়া চুপ করিয়া রহিলাম।'-উক্তিটি থেকে বোঝা যায় অনুপম—মেরুদণ্ডহীনবিবেকবোধহীনব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর রচনায় মানুষের বয়স কত বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের আলোকে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের পরিণতি বর্ণনা কর।
- রবীন্দ্রনাথের 'শেষের কবিতা' একটি-
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তের কারণ কী ছিল?
- 'মামা বিবাহ বাড়িতে ঢুকিয়া খুশি হইলেন না।'- কেন?
- ঘরেতে এলো না সে তো 'মনে তার নিত্য আসা যাওয়া'- পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'উক্ত সাদৃশ্যের কারণ হলো-পরিণাম একইলোভী মানসিকতাযৌতুক প্রথার বলিনিচের কোনটি সঠিক?