কোষঝিল্লিতে প্রোটিন ---- হিসেবে থাকে না।
SAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নপ্রোটিন বা আমিষ (Topic Practice)SAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
পানিশোষী
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
কোষঝিল্লিতে প্রোটিন পানিশোষী হিসেবে থাকে না: একটি ব্যাখ্যা
কোষঝিল্লি বা cell membrane মূলত লিপিড ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত। এখানে প্রোটিনের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কোষঝিল্লিতে প্রোটিন বিভিন্ন কাজ করে, তবে এটি পানিশোষী (hydrophilic) হিসেবে থাকে না। নিচে এর কারণ এবং প্রোটিনের অন্যান্য কাজ আলোচনা করা হলো:
কোষঝিল্লিতে প্রোটিনের কার্যাবলী:
- পরিবহন (Transport): কিছু প্রোটিন চ্যানেল বা বাহক হিসেবে কাজ করে আয়ন, গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদি বিভিন্ন পদার্থকে ঝিল্লির মধ্যে দিয়ে আনা নেওয়া করে। 🚚
- এনজাইম (Enzyme): কিছু প্রোটিন এনজাইম হিসেবে কাজ করে ঝিল্লিতে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়। 🧪
- সংকেত গ্রহণ (Signal reception): রিসেপ্টর প্রোটিন হরমোন বা অন্যান্য সংকেত গ্রহণ করে কোষের অভ্যন্তরে পাঠায়। 📡
- কোষীয় সংযোগ (Cellular connection): অন্য কোষের সাথে সংযোগ স্থাপনে সাহায্য করে। 🤝
- কাঠামো গঠন (Structural support): ঝিল্লির গঠন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। 🏗️
কেন প্রোটিন পানিশোষী হিসেবে থাকে না?
কোষঝিল্লির প্রধান উপাদান হলো লিপিড, বিশেষ করে ফসফোলিপিড। ফসফোলিপিডের দুটি অংশ থাকে:
- পানিস্নেহী(hydrophilic) মাথা: যা জলের প্রতি আকর্ষিত এবং বাইরের দিকে মুখ করে থাকে। 💧
- পানিবিদ্বেষী(hydrophobic) লেজ: যা জল থেকে দূরে থাকে এবং ভেতরের দিকে মুখ করে থাকে। ⛔💧
প্রোটিনগুলো এই লিপিড স্তরের মধ্যে এম্বেড করা থাকে। প্রোটিনের কিছু অংশ পানিস্নেহী এবং কিছু অংশ পানিবিদ্বেষী হতে পারে। কিন্তু প্রোটিন মূলত ঝিল্লির গঠন এবং কাজের সাথে সম্পর্কিত, সরাসরি পানিশোষণের সাথে নয়।
কোষঝিল্লির উপাদান এবং তাদের বৈশিষ্ট্য:
| উপাদান | বৈশিষ্ট্য | কাজ |
|---|---|---|
| ফসফোলিপিড | পানিস্নেহী মাথা ও পানিবিদ্বেষী লেজ | ঝিল্লির মূল কাঠামো তৈরি করে। |
| প্রোটিন | পানিস্নেহী ও পানিবিদ্বেষী উভয় অংশ থাকতে পারে | পরিবহন, এনজাইম, সংকেত গ্রহণ ইত্যাদি কাজে লাগে। |
| কোলেস্টেরল | লিপিড | ঝিল্লির স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- কোষঝিল্লির গঠন অনেকটা তরল মোজাইকের মতো, যেখানে প্রোটিন এবং লিপিডগুলো নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করতে পারে। 🌊
- বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন বিভিন্ন কাজের জন্য ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে। 🧬
- কোষঝিল্লির সঠিক গঠন এবং কার্যাবলী কোষের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যক। ❤️
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে কোষঝিল্লিতে প্রোটিনের ভূমিকা এবং কেন এটি পানিশোষী হিসেবে থাকে না, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 👍
```Option A Explanation:
- গাঠনিক উপাদান: কোষের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে, কোষের আকার, আকারে পরিবর্তন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
- প্রধানত এ ধরনের উপাদানগুলো কোষের কাঠামো বজায় রাখতে সহায়ক হয়, যেমন সেলুলোজ, কাইটিন, প্রোটিন ফাইবার ইত্যাদি।
- এগুলো কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক কাঠামোকে দৃঢ় করে রাখে এবং কোষের স্থিতিশীলতা উন্নত করে।
Option B Explanation:
- এনজাইম: এনজাইম হলো প্রাকৃতিক বা জীবন্ত কোষ দ্বারা উৎপাদিত প্রোটিন ধরনের জৈব রাসায়নিক উপাদান, যা রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া দ্রুততর করে।
- এরা জীববৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন পুষ্টি প্রক্রিয়া, ডিহাইড্রেশন, ক্ষয়প্রাপ্তির প্রতিরোধ ইত্যাদি।
- উদাহরণস্বরূপ, অ্যামাইলেস, লিপেজ, ট্রান্সফারেজ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের এনজাইম পাওয়া যায়।
- এনজাইম সাধারণত কোষের ভিতরে বা বাইরে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পাদনে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
বাহক (Transporter)
- প্রোটিন যা কোষঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং বিভিন্ন উপাদান ও যৌগকে কোষের ভিতরে বা বাইরে স্থানান্তর করে।
- এগুলি সাধারণত পোরিন বা ট্রান্সমেমব্রেন প্রোটিন হিসেবে কাজ করে।
- বাহক প্রোটিনের মাধ্যমে সুষ??? বা নির্দিষ্ট উপাদানগুলি সক্রিয় বা অকার্যকর পদ্ধতিতে পরিবাহিত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সুক্রোজ ট্রান্সপোর্টার, অ্যামিনো অ্যাসিড ট্রান্সপোর্টার ইত্যাদি।
Option D Explanation:
- পানিশোষী: কোষঝিল্লিতে পানিশোষী উপাদান হিসেবে প্রোটিন থাকে না।
- পানিশোষী প্রোটিন সাধারণত অন্য ধরনের জৈব উপাদান বা উপাদান হিসেবে থাকে, যেমনঃ ট্রান্সপোর্ট প্রোটিন বা ট্রান্সমেমব্রেন প্রোটিন।
- তাদের কাজ হলো জল বা পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা বা নিয়মিত করা, যা সাধারণত লিপিড বা অন্য উপাদানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।