কোনটি সত্য নয়?
MEDICALজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল ১৪ দিন
Explanation: Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল সাধারণত ১৪ দিন হয় না, এটি বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। সঠিক উত্তর A। B. মশকীর লালাগ্রন্থিতে উল্লেখিত স্পোরোজয়েট সংখ্যা বাস্তবিক; C. সিলীয় অঙ্গ অ্যাকুয়াস হিউমার উৎপন্ন করে না; D. ট্রান্সজেনিক প্রাণীর উদ্ভাবন একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। নোট: Plasmodium vivax এর জীবনচক্র এবং মশকীর ভূমিকা নিয়ে সঠিক ধারণা প্রয়োজন।
Another Explanation (5):
প্রশ্নঃ কোনটি সত্য নয়?
উত্তরঃ "Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল ১৪ দিন"
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার (hypnozoite) অবস্থা সাধারণত প্রায় ৬-১২ মাস বা আরও বেশি সময় থাকতে পারে। এটি মূলত লিভারে লুকিয়ে থেকে পুনরায় রক্তে রক্তকণিকা আক্রমণ করে জ্বরের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে সক্ষম।
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা 🧬
- Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল সাধারণতঃ মাসের পর মাস হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ, সাধারণতঃ ১৪ দিন নয়, বরং ৬-১২ মাস বা তারও বেশি সময় থাকতে পারে।
- তাই, ১৪ দিন সময়কালটি সঠিক নয়।
তালিকা: Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল 🕒
| অবস্থা | সময়কাল | বর্ণনা |
|---|---|---|
| সুপ্তাবস্থা (Hypnozoite) | প্রায় ৬-১২ মাস বা তার বেশি | লিভারে লুকানো অবস্থায় থাকতে পারে, পুনরায় রক্তে আক্রমণ করে জ্বরের পুনরাবৃত্তি করে। |
অতএব, উপযুক্ত তথ্য অনুযায়ী, Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল ১৪ দিন নয়, বরং অনেক বেশি সময়। 🧪💡
Option A Explanation:
- Plasmodium vivax এজেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর সুপ্তাবস্থা বা হাইবারনেটেড অবস্থার সময়কাল।
- আসলে, Plasmodium vivax এর লুকানো বা সুপ্তাবস্থা সাধারণত ৭ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।
- এটি নির্দিষ্ট করে ১৪ দিন বলা সঠিক নয়, কারণ এই সময়কাল ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।
- সুতরাং, "Plasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল ১৪ দিন" এই তথ্যটি ভুল বা ভুল ধারনা হতে পারে।
Option B Explanation:
- মশকীর লালাগ্রন্থি বা স্পাইরোমেটারমা (Salivary glands) এ স্পোরোজয়েটের সংখ্যা সাধারণত খুব বেশি হয় না।
- প্রায় ৩,২৬,০০০ স্পোরোজয়েটের উল্লেখটি অত্যন্ত উচ্চ সংখ্যা, যা বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে সাধারণত দেখা যায় না।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি ভুল হতে পারে বা অতিরঞ্জিত।
- সাধারণভাব??, মশকীর লালাগ্রন্থিতে স্পোরোজয়েটের সংখ্যা শতাধিক বা হাজারের মধ্যে থাকলেও, লাখ বা লাখের বেশি সংখ্যক স্পোরোজয়েট থাকা সাধারণ নয়।
Option C Explanation:
সিলীয় অঙ্গ অ্যাকুয়াস হিউমারও উৎপন্ন করে - বিশ্লেষণ
- সিলীয় অঙ্গ: এটি মূলত চোখের অঙ্গ, যা চোখের মধ্যে থাকা একটি ঝিল্লি বা স্তর।
- অ্যাকুয়াস হিউমার: এটি চোখের অঙ্গের এক ধরনের তরল, যা চোখের গঠন ও কার্যক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- উৎপন্ন করে: এই বাক্যাংশটি বোঝায় যে, এই অঙ্গটি অন্যান্য কিছু উৎপন্ন করে।
তথ্য অনুযায়ী, সিলীয় অঙ্গ বা অ্যাকুয়াস হিউমার নিজে কিছু উৎপন্ন করে না। বরং এটি চোখের ভিতরে থাকা তরল বা স্তর, যা স্বাভাবিকভাবে চোখের গঠন ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখে।
অতএব, এই বিবৃতি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বা ভুল, কারণ সিলীয় অঙ্গ বা অ্যাকুয়াস হিউমার নিজে কোনও কিছু উৎপন্ন করে না।
Option D Explanation:
ব্যাখ্যা
ট্রান্সজেনিক প্রাণী উদ্ভাবন করে তাদেরকে ব্যায়োরিএক্টর হিসাবে ব্যবহার করা হয় - এই বিবৃতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা:
- ট্রান্সজেনিক প্রাণী বলতে বোঝায় জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত প্রাণী, যেখানে অন্য কোনও জৈব উপাদানের জেনেটিক উপাদান সংযোজিত হয়।
- ব্যায়োআরেক্টর (Bio-reactor) হলো এমন একটি যন্ত্র বা ব্যবস্থা যেখানে জীববৈচিত্র্য বা জৈবপ্রক্রিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন জৈবপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
- প্রচলিতভাবে, ট্রান্সজেনিক প্রাণী বা জিনের মাধ্যমে উৎপাদিত জৈব উপাদান বা ওষুধ, ভ্যাকসিন বা অন্যান্য জৈবপ্রস্তুতি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
- তবে, সাধারণত, জীবন্ত ট্রান্সজেনিক প্রাণী সরাসরি ব্যায়োরিএক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। বরং, তারা জেনেটিক গবেষণা, ওষুধ উন্নয়ন বা উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ, এই বিবৃতি ভুল কারণ, ট্রান্সজেনিক প্রাণী সাধারণত সরাসরি ব্যায়োরিএক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।