ট্রোফোজইয়েট -> সিগনেট রিং -> A -> সাইজন্ট -> মেরাজয়েট 'A' ধাপে নিচের কোন পদার্থটি তৈরি হয় ?
A.
হিমোলাইসিন
B.
হিমোজয়েন
C.
লাইসোলেসিথিন
D.
পাইরোজেন
সঠিক উত্তরঃ
B.
হিমোজয়েন
Explanation:

Another Explanation (5):
প্রশ্নের বিশ্লেষণ ও উত্তরঃ
প্রথমে দেওয়া ধাপগুলো অনুসরণ করে বিভিন্ন পদার্থের উৎপত্তি পর্যায়ক্রমে বিশ্লেষণ করা যাকঃ
- ট্রোফোজইয়েট (Trophozoite) — এটি প্যাথোজেনিক পরজীবীর সক্রিয় অবস্থা।
- সিগনেট রিং (Signet ring) — এটি সাধারণত ট্রোফোজইয়েটের একটি চিহ্ন বা আকৃতি, যা পরজীবীর আকার বা গঠন নির্দেশ করে।
- A — এখানে A হলো একটি মধ্যবর্তী ধাপ বা পদার্থ।
- সাইজন???ট (Cytant) — এটি হয়তো একটি গঠন বা অঙ্গপ্রতিস্থান, যা মূলত কোষের অংশ।
- মেরাজয়েট (Merazoyet) — মূলত এটি একটি কোষ বিভাজনের বা গঠনের ধাপের নাম, যা অণুজীবের গাঠনিক পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত।
অতএব, ধাপে ধাপে উৎপন্ন পদার্থের ধরণঃ
| ধাপ | উৎপন্ন পদার্থ |
|---|---|
| ট্রোফোজইয়েট → সিগনেট রিং | প্রোটোপ্লাজমের গঠন বা আকৃতি |
| সিগনেট রিং → A | আমিনো অ্যাসিড বা অন্য জৈব যৌগ |
| A → সাইজন্ট | কোষের অঙ্গপ্রতিস্থান বা কোষের গঠন |
| সাইজন্ট → মেরাজয়েট | সেল ডিভিশন বা নতুন কোষের সৃষ্টি |
অতএব, উপরের ধাপগুলো অনুসারে, 'A' ধাপে মূলত অণু বা জৈব যৌগ উৎপন্ন হয়, যা পরবর্তী ধাপে কোষ বা গঠনে রূপান্তরিত হয়।
উত্তরঃ
প্রশ্নের অনুযায়ী, 'A' ধাপে হিমোজয়েন (Hemeozoin) নামক পদার্থটি তৈরি হয়।
হিমোজয়েন হলো এক ধরনের ক্ষয়প্রাপ্ত কোষ বা অঙ্গপ্রতিস্থান, যা সাধারণত পরজীবীর দেহে বা এর গঠনে দেখা যায়। এটি রক্তের লোহিত কণিকা ভেঙে গিয়ে তৈরি হয়।
সারসংক্ষেপঃ
- ট্রোফোজইয়েটের গঠন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাপে ধাপে জৈব পদার্থ তৈরি হয়।
- অবশেষে 'A' ধাপে হিমোজয়েন উৎপন্ন হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোনটি মশকীর লালা গ্রন্থি থেকে মানবদেহে প্রবেশ করে?
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত অবস্থা কোনটি?
- চিত্রে A চিহ্নিত ধাপ কোনটি?
- সাইজন্ট কী?
- নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
- Plasmodium ovale-এর সুপ্তাবস্থার সময়কাল কোনটি?
- নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?
- উদ্দীপক -১ : অকোষীয় পোষক নির্দিষ্ট অণুজীব যা মশাবাহিত জ্বরের কারণ উদ্দীপক -২ : এককোষী প্রকৃতকোষী অণুজীব যা রক্তশূন্যতাসহ মশাবাহিত জ্বরের কারণ উদ্দীপক -১ ও উদ্দীপক -২ এর সমস্যার প্রতিরোধ ও প্রতিকার আলোচনা করো।
- হিমোজয়েন পাওয়া যায় কোনটিতে?
- ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবী কোনটি?
- কোনটি ম্যালেরিয়া জীবাণু নয়?
- A- ভাইরাস B- ব্যাকটেরিয়াC- ম্যালেরিয়ার জীবাণুউদ্দীপকের তৃতীয় অণুজীবটির জনুক্রম ব্যাখ্যা করো।
- অ্যানোফিলিস মশকী Plasmodium-এর যে দশাটি লালা রসের সাথে মানুষের দেহে প্রবেশ করে সেটি হলো
- জীববিজ্ঞান স্যার ক্লাসে বললেন, এক ধরনের অন্তঃকোষীয় রক্ত পরজীবী যা মানুষসহ বিভিন্ন মেরুদণ্ডী প্রাণীর যকৃত ও লোহিত রক্ত কণিকায় রোগ সৃষ্টি করে।উদ্দীপকের রোগটির নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।
- জীববিজ্ঞানের ক্লাসে কবির জানতে পারল যে এক ধরনের প্রোটোজোয়া প্রাণী তার অযৌন ও যৌন জীবনচক্র যথাক্রমে একটি মধ্যবর্তী ও নির্দিষ্ট পোষকের সহায়তায় সম্পন্ন করে থাকে। সে আরও জানতে পারল যে, প্রাণীটি আমাদের শরীরে মারাত্মক জ্বর সৃষ্টি করে।উল্লিখিত রোগটি আমরা প্রতিরোধ করতে পারি- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- সাইজন্ট কী?
- Who discovered malaria parasite?
- ঢাকা শহরে একটি জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জ্বর হলে সমস্ত শরীরে বিশেষ করে মেরুদণ্ডে এবং কোমরে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। রক্তে অণুচক্রিকা কমে যায়। আবার পাহাড়ি অঞ্চলে আরেকটি জ্বরের প্রকোপ বেশি। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রথম ধরনের জ্বরের জন্য দায়ী অণুজীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য লেখ।
- অযৌন চক্রের সর্বশেষ ধাপ কোনটি?
- মুখ্য পোষক বলতে কী বুঝ?
- মৃদু টারসিয়ান ম্যালেরিয়ার সুপ্তাবস্থা কতদিন?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
- লিমা ও সীমা উভয়েই জ্বরে আক্রান্ত। তারা ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে, ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করে দেখলেন যে, লিমার রক্তের অণুচক্রিকা অনেক কমে গেছে এবং সীমার রক্তে লাইসোলেসিথিন এবং হিমোলাইসিন বিদ্যমান।সীমার জ্বরের কারণ বিশ্লেষণ করো।
- কেন অ্যানোফিলিস মশকী ম্যালেরিয়া পরজীবী বহন করে?
- বিনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিতা পরজীবী কোনটি?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবন চক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজন হয় কেন?
- নিচের কোনটি ম্যালোরিয়া জ্বরের লক্ষণ?
- সাইজোগনি কী?
- কোনটি অসত্য?
- ম্যালেরিয়া রােগ সৃষ্টির “দূষিত বায়ু মতবাদ”- এর প্রবক্তা কে ছিলেন?
- শিক্ষক ক্লাসে একটা অনুজীব নিয়ে কথা বলেন, যার জীবন চক্র সম্পন্ন করতে একটি মেরুদণ্ডী ও একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রয়োজন। পরজীবিটির আক্রমনে মেরুদণ্ডী প্রাণীর কাঁপুনি সহ জ্বর আসে। উদ্দীপকের উল্লিখিত অনুজীব টির আক্রমনে মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরে কাঁপুনি সহ জ্বর আসে যে দশায় সেই দশাটি চিত্র সহ বর্ণনা করো।
- হেপাটিক সাইজোগনি ঘটে-
- ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর নাম লিখ?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের কোন দশা মানুষের সংক্রামিত হয়?
- রেণু পাহাড়ি অঞ্চলে বেড়াতে গিয়ে জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং ওর জ্বর প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পর আসে। রেণু জানতে পারে ওর জ্বরের জন্য দায়ী জীবাণুটির বাহক এক ধরনের মশকী।মশকীর রূপের ভিতরে জীবাণুটি যে জনন সম্পন্ন করে চিত্রসহ তার বর্ণনা দাও।
- কোয়ারটান ম্যালেরিয়া কত ঘন্টা পরপর জ্বর আসে?
- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনির কোন ধাপে হিমোজয়েন তৈরি হয়?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
- ম্যালেরিয়ার জীবাণু মানবদেহে প্রবেশের পর প্রথম কোথায় আশ্রয় নেয়?
- মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রথম দশাটির নাম কী?