মশকী আক্রমণের কতক্ষণ পর স্পোরোজয়েট যকৃতে প্রবেশ করে?
A. ৩০-৬০ মিনিট
B. ৩০-৪৫ মিনিট
C. ৩০-৪৫ সেকেন্ড
D. ৩০-৪৫ ঘণ্টা
সঠিক উত্তরঃ
B.
৩০-৪৫ মিনিট
Explanation: HS-181; Anopheles মশকী আক্রমণের ৩০-৪৫ মিনিট পর স্পোরোজয়েট দশা যকৃতে প্রবেশ করে
Related Questions (Any University/Year)
- হেপাটিক সাইজোগনি ঘটে-
- জনুক্রম কী?
- জীববিজ্ঞান স্যার ক্লাসে বললেন, এক ধরনের অন্তঃকোষীয় রক্ত পরজীবী যা মানুষসহ বিভিন্ন মেরুদন্ডী প্রাণীর যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকায় রোগ সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের পরজীবীটির জীবনচক্রের জনুক্রম বিশ্লেষণ করো।
- মেরোজাইগোট বলতে কী বোঝায়?
- রফিকের জ্বর। ডাক্তার তার রক্ত পরীক্ষা করে বললেন, জ্বরের কারণ মশকী বাহিত এক কোষী জীব যা মানুষের যকৃত কোষ ও লোহিত কণিকা ধ্বংস করে।রফিকের জ্বরের কারণ বিশ্লেষণ কর।
- নিম্নের কোন অবস্থানে প্লাজমোডিয়ামের সাইজন্ট পাওয়া যায়?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের কোন দশায় সাফনার্স দানা দেখা যায় ?
- এক্সফ্ল্যাজেলেশন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সঠিক-মশকীর রূপের বহিঃপ্রাচীরে ঘটেমশকীর রূপের অন্তঃপ্রাচীরে ঘটেমাকু আকৃতির শুক্রাণু সৃষ্টি হয়নিচের কোনটি সঠিক?
- মানবদেহে ম্যালেরিয়ার জীবনচক্রের নাম কী?
- মানুষের মধ্যে সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া Plasmodium -এর কোন প্রজাতির ?
- ম্যালেরিয়া রোগীর রক্তশূন্যতার প্রধান কারণ কোনটি?
- শিক্ষক ক্লাসে একটা অনুজীব নিয়ে কথা বলেন, যার জীবন চক্র সম্পন্ন করতে একটি মেরুদণ্ডী ও একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রয়োজন। পরজীবিটির আক্রমনে মেরুদণ্ডী প্রাণীর কাঁপুনি সহ জ্বর আসে। উদ্দীপকের উল্লিখিত অনুজীব টির আক্রমনে মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরে কাঁপুনি সহ জ্বর আসে যে দশায় সেই দশাটি চিত্র সহ বর্ণনা করো।
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর কোন দশা মানুষের দেহে প্রবেশ করে?
- বনির মাথাব্যাথা, হাড়ের জোড়ায় জোড়ায় ব্যাথা ও বমি বমি ভাব। হঠাৎ উচ্চ তাপমাত্রায় (১০৩°F - ১০৫°F) জ্বর আসে,শরীরে লালচে ফুসকুড়ি উঠেছে।মনির মাথাব্যাথা,পেশী ব্যাথা,বমি বমি ভাব। প্রচন্ড কাপুনিসহ ৪৮ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে এবং ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায়।উদ্দীপকের মনির রোগের জীবাণু—মশার দেহে যৌন জনন ঘটায় লোহিত রক্ত কণিকা ধ্বংস করেপাইরোজেন ক্ষরণ করে নিচের কোনটি সঠিক?
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর বহুনিউক্লিয়াসযুক্ত অবস্থা কোনটি?
- ম্যালেরিয়া ঝুকিমুক্ত দেশ কোনটি?
- পলাশ তীব্র জ্বরে আক্রান্ত। তার জয়েন্ট ও মাংস পেশিতে ব্যথা। চোখ লাল ও দেহে ফুসকুড়ি উঠেছে।উদ্দীপকের রোগটি প্রতিরোধে করণীয় হলো প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করাদিনের বেলায় মশারী টানিয়ে ঘুমানোবাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- হ্যালোফ্যানট্রাইন, সালফাডক্সিন, পাইরিমিথামিন কোন রোগের ঔষধ?
- পার্বত্য জেলার অধিবাসীগণ প্যাথোজেনিক প্রোটোজোয়া সৃষ্ট একটি বিশেষ জ্বর রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। রোগটির কারণে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।"রোগটির কারণে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়" -উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- কলি ও ডলি দুই বোন সিলেট থেকে বাড়ি ফেরার কয়েকদিন পর তারা দু'জনই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তবে তাদের জ্বরের প্রকৃতি এক নয়। কলির কাপুনি দিয়ে জ্বর আসলেও ডলির হঠাৎ করেই প্রচণ্ড জ্বর এসেছিল। রক্ত পরীক্ষায় দেখা যায় কলির রক্তস্বল্পতা আর ডলির রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা অনেক কমে গেছে।কলি ও ডলির জ্বরের লক্ষণের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।
- Plasmodium falsiparum এর সুপ্তাবস্থা কত দিন?
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর বেলায় কোন উক্তিটি সঠিক নয়?
- সাইজোগনি বলতে কী বোঝায়?
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর কোন দশাটি মানুষকে আক্রমণকারী পর্যায়?
- মনি ও মুক্তা দুই বোন, চট্টগ্রাম থেকে বাড়ী ফেরার কয়েকদিন পর তারা দু'জনই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তবে তাদের জ্বরের প্রকৃতি এক নয়।মনির কাঁপুনিসহ জ্বর আসলেও মুক্তার হঠাৎ করেই প্রচন্ড জ্বর এসেছিল। রক্ত পরীক্ষায় দেখা যায় যে, মনির রক্ত-স্বল্পতা আর মুক্তার রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা অনেক কমে গেছে।মনি ও মুক্তার জ্বরের লক্ষণের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।
- কোন ধাপে হিমোজয়েন তৈরি হয়?
- সম্প্রতি সারা বিশ্ব এক ভয়াবহ মহামারীর সম্মুখীন হয়েছিল। অতি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র জৈবিক সত্ত্বা এই শ্বসনতন্ত্রজনিত রোগের কারণ। তবে পৃথিবীতে এমন মহামারী বহুবার হয়েছে। ১৮১৭ সালে আদিকোষী এক অণুজীবের সংক্রমণে এক মহামারী হয়েছিল, সেই রোগের লক্ষণগুলো অনেকটা ডায়রিয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। উদ্দীপকের শেষ অণুজীব প্রজাতিটির তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
- ম্যালেরিয়া পরজী্বী কোন ধরনের পরজীবী?
- ম্যালেরিয়া জীবাণুকে ধ্বংস করার সময় শ্বেতরক্তকণিকা নিচের কোনটি নিঃসরণ করে?
- সুপ্তাবস্থা বলতে কী বুঝায়?
- ক্রিপ্টোজয়েট কোথা হতে খাদ্য সংগ্রহ করে ?
- কেন অ্যানোফিলিস মশকী ম্যালেরিয়া পরজীবী বহন করে?
- ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করে বললেন, জ্বরের কারণে একটি এককোষী অণুজীব যা স্ত্রী মশকীর মধ্যে তৈরি হয়।সেটি মানুষের যকৃত কোষ এবং লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে দেয়।উদ্দীপকের জীবাণুটির জীবনচক্রে জনুক্রম ঘটে কি? -বিশ্লেষণ করো।
- মানবদেহে ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্রের নাম কি?
- ম্যালিরিয়া পরজীবি কতৃক লোহিত রক্তকনিকার ভিতরে তৈরিকৃত রঞ্জক-
- কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া রোগের সুপ্তাবস্থা কাল-
- তাজরী ও তাসফিয়া দুজনেই ভিন্ন ভিন্ন জীবাণু দ্বারা জ্বরে আক্রান্ত। তাজরীর অণুজীবটি অকোষীয় এবং অণুচক্রিকাকে ধ্বংস করলেও তাসফিয়ার অণুজীবটি কোষীয় এবং লোহিত কণিকাকে ধ্বংস করে।উদ্দীপকের তাসফিয়ার অণুজীবটি লোহিত কণিকায় আক্রমণের চক্রটি বর্ণনা কর বিশ্লেষণ কর।
- প্রোটোজোয়া পর্বভুক্ত একটি পরজীবী যা মশকীর রূপে স্পোরোজোয়েট এবং মানুষের রক্তে মেরোজোয়েট তৈরি করে। এই জীবাণুটি মানুষের যকৃত ও লোহিত কণিকা ধ্বংস করে।উদ্দীপকের পরজীবীটি মানুষের লোহিত কণিকাকে কীভাবে ধ্বংস করে চিত্রসহ বর্ণনা করো।
- ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবন চক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজন হয় কেন?
- নিচের ছকটি লক্ষ কর:উদ্দীপকে নির্দেশিত রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ কর।