মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

হৃৎপিন্ডের পেশীর অবস্থা কোন পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়?

A. MRI
B. ECG
C. ETT
D. X-ray
Poster Download
DU.7ClgScienceজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনহৃদরোগের বিভিন্ন অবস্থায় করনীয় (Topic Practice)DU.7Clg - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. MRI
Another Explanation (5):

উত্তর: MRI

হৃৎপিন্ডের পেশীর অবস্থা জানা জন্য ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (MRI) একটি অত্যন্ত নির্ভুল এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত পরীক্ষা।

  • MRI এর মাধ্যমে: হৃদয়ের আকার, গঠন, এবং পেশীর স্থিতিশীলতা নির্ণয় করা যায়।
  • উপকারিতা: এটি হৃৎপিণ্ডের পেশীতে কোনও ক্ষতি বা বিকৃতি থাকলে সেগুলি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করে।
  • অতিরিক্ত সুবিধা: রক্তপ্রবাহ, ফুসফুসের কার্যক্রম, এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও প্রদান করে।

সুতরাং, হৃৎপিন্ডের পেশীর অবস্থা জানতে MRI পরীক্ষাই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং নির্ভুল পদ্ধতি।

Option A Explanation:

MRI (Magnetic Resonance Imaging)

  • একটি উচ্চ শক্তির চৌম্বক ক্ষেত্র ও রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ছবি তৈরি করে।
  • হার্টের গঠন, কার্যকারিতা ও রক্তের প্রবাহের বিস্তারিত চিত্র প্রদান করে।
  • উপাত্ত সংগ্রহের জন্য কোন ধরণের ক্ষতিকর রেডিয়েশন ব্যবহার হয় না।
  • হার্টের এনজিওগ্রাফি বা মূল রক্তনালীর ছবি তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।
  • তবে, হার্ট অ্যাটাকের নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সাধারণত MRI প্রয়োজন হয় না, কারণ অন্যান্য পরীক্ষাগুলি অধিক দ্রুত ও নির্ভুল।
Option B Explanation:
  • ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাফি (ECG): হার্টের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের রেকর্ড। এটি হৃদয়ের ধমনীতে রক্ত প্রবাহের সমস্যা বা হার্টের অন্যান্য সমস্যা শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • কাজের পরীক্ষাঃ হার্টের কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়। তবে, এটি সরাসরি হার্ট ফেলিউর নিশ্চিত করে না।
  • সনাক্তকরণ: ECG দ্বারা হার্টের ধমনীতে রক্ত প্রবাহের সমস্যা বা হার্টের অস্বাভাবিকতা দেখা যায়, যা হার্ট ফেলিউরের লক্ষণ হতে পারে।
Option C Explanation:
  1. এক্সারসাইজ থেরাপি ট্রায়াল (ETT): ETT বা এক্সারসাইজ টেস্ট হলো একটি ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি, যেখানে রোগীকে নির্দিষ্ট শারীরিক ব্যায়াম করানো হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদয় এর কার্যকারিতা, রক্তচাপের পরিবর্তন, এবং ইসকেমিয়া বা হার্টের অসুবিধার উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়।
  2. উদ্দেশ্য: হার্টের কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন এবং হার্ট ফেইলিউর বা অন্যান্য হার্ট সমস্যা থাকলে তা শনাক্ত করা।
  3. পদ্ধতি: নির্দিষ্ট সময়ে রোগীর শারীরিক ব্যায়াম করানো হয়, যেমন ট্রেডমিল বা বসন্ত শস্যের মাধ্যমে। এই সময়ে হার্ট রেট, ব্লাড প্রেসার, এবং ইসকেমিয়া বা অন্যান্য সমস্যা দেখা যায় কি না তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
  4. সুবিধা: সহজ, কম খরচে ও অ-আক্রামক পরীক্ষা, যা হার্টের ফাংশন পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।
  5. সতর্কতা: কিছু ক্ষেত্রে, যেমন গুরুতর হার্ট সমস্যা থাকলে এই পরীক্ষা করা উচিত নয় বা সাবধানে করতে হয়।
Option D Explanation:
  • X-ray: হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে সাধারণত একমাত্র নিশ্চিত নির্ণয় জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে, এটি কিছু পরিস্থিতিতে সহায়ক হতে পারে, যেমন:
    • প্রথাগত হার্টের আকার ও গঠন দেখার জন্য।
    • অন্য শারীরিক সমস্যা বা জটিলতা যেমন ফুসফুসের সমস্যা বা ক্ষত নির্ণয়ে।
    • অস্থায়ী বা স্থায়ী রক্তবাহিনীর ???মস্যা দেখা দিলে কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে।
  • সাধারণত হার্ট অ্যাটাকের জন্য ডায়াগনোসিসে প্রধান পরীক্ষাগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় ইসিজি (ECG) ও ট্রোপোনিন-১ পরীক্ষা।