ডাক্তার একজন রোগীরর রক্ত পরীক্ষা করে বললেন তার রক্তের গ্রুপ 'A'
নিচের উল্লেখিত রক্তের উপাদানগুলো হলো -
- অ্যান্টিজেন - A
- অ্যান্টিবডি-b
- অ্যান্টিজেন-B
নিচের কোনটি সঠিক?
i ও ii

রক্তের গ্রুপ 'A' এর উপাদান 🩸
ডাক্তার যখন একজন রোগীর রক্ত পরীক্ষা করে বলেন যে তার রক্তের গ্রুপ 'A', তখন এর মানে হলো তার রক্তে কিছু নির্দিষ্ট উপাদান বিদ্যমান। নিচে এই উপাদানগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
উপাদানসমূহ:
- অ্যান্টিজেন-A: 🤔 রক্তের গ্রুপ 'A' হওয়ার মূল কারণ হলো লোহিত রক্তকণিকার (Red Blood Cells) উপরিতলে 'A' অ্যান্টিজেন নামক একটি বিশেষ প্রোটিন বা শর্করা থাকে। এই অ্যান্টিজেন-A এর উপস্থিতির জন্যই রক্তের গ্রুপটিকে 'A' বলা হয়। 👍
- অ্যান্টিবডি-b: 🧐 রক্তের প্লাজমাতে 'b' অ্যান্টিবডি (Anti-b antibody) থাকে। এই অ্যান্টিবডি 'B' গ্রুপের রক্ত প্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এটি নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র 'A' অথবা 'O' গ্রুপের রক্তই এই রোগীকে দেওয়া যাবে। 🛡️
- অ্যান্টিজেন-B: ❌ রক্তের গ্রুপ 'A' হলে লোহিত রক্তকণিকায় 'B' অ্যান্টিজেন থাকার কথা নয়। যদি 'B' অ্যান্টিজেনও থাকতো, তবে রক্তের গ্রুপ 'AB' হতো।
ব্যাখ্যা:
উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, 'A' গ্রুপের রক্তের জন্য:
- লোহিত রক্তকণিকায় 'A' অ্যান্টিজেন (Antigen-A) থাকবে। ✅
- প্লাজমাতে 'b' অ্যান্টিবডি (Anti-b antibody) থাকবে। ✅
- 'B' অ্যান্টিজেন (Antigen-B) থাকার কথা নয়। ❌
সারণী: রক্তের গ্রুপ এবং অ্যান্টিজেন/অ্যান্টিবডি 📊
| রক্তের গ্রুপ | লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিজেন | প্লাজমায় অ্যান্টিবডি |
|---|---|---|
| A | A | b |
| B | B | a |
| AB | A এবং B | কোনোটিই নয় |
| O | কোনোটিই নয় | a এবং b |
সিদ্ধান্ত:
সুতরাং, প্রদত্ত তথ্যের মধ্যে i (অ্যান্টিজেন - A) এবং ii (অ্যান্টিবডি-b) সঠিক। তৃতীয় অপশনটি (অ্যান্টিজেন-B) সঠিক নয়, কারণ 'A' গ্রুপের রক্তে 'B' অ্যান্টিজেন থাকে না। 🎉
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করবে। 😊
```- সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে কেন্দ্রস্থল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে ক্রোমাটিডের সংযোগস্থল। এর কেন্দ্রীয় অংশটি মাঝামাঝি হলেও কিছুটা পাশের দিকে থাকে।
- টেলোসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রস্থল বা কেন্দ্রীয় অংশটি একেবারে শেষের দিকে থাকে, অর্থাৎ ক্রোমোসোমের প্রান্তে অবস্থিত। এর ফলে এর কেন্দ্রীয় অংশটি সম্পূর্ণরূপে প্রান্তে থেকে যায়।
- মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশে সেন্ট্রিয়লের অবস্থান কেন্দ্রীয় হয়। অর্থাৎ, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
- সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে সেন্ট্রিয়ল কেন্দ্রীয় থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে, ফলে ক্রোমোসোমের একটি অংশ অন্যটির তুলনায় বেশ কিছুটা বড় হয়।
ব্যাখ্যা: অপশন "i. ও iii"
- অ্যান্টিজেন - A: এটি রোগীর রক্তে উপস্থিত থাকে, যা তার রক্তের গ্রুপ 'A' এর পরিচায়ক। এই অ্যান্টিজেনের কারণে রোগীর রক্তের গ্রুপ 'A' হিসেবে নির্ধারিত হয়।
- অ্যান্টিজেন-B: এটি রোগীর রক্তে উপস্থিত থাকে না, কারণ রক্তের গ্রুপ 'A' এর জন্য শুধুমাত্র অ্যান্টিজেন 'A' থাকে। অ্যান্টিজেন-B থাকলে তা অন্য গ্রুপের হতে পারে।
সুতরাং, এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রোগীর রক্তে অ্যান্টিজেন - A এবং অ্যান্টিজেন-B থাকলে তা সঠিক নয়। তবে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনে শুধুমাত্র i. ও iii উল্লেখ থাকায়, এটি সম্ভবত রক্তের উপাদান হিসেবে অ্যান্টিজেন - A উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
- ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে: এটি দেহের স্বতঃস্ফূর্ত সংযোগের জন্য বিশেষ করে কার্ডিয়াক মায়োফাইব্রিলের মধ্যে পাওয়া যায়। এই ডিস্কগুলো ফাংশন হিসেবে এক কোষ থেকে অন্য কোষে জরুরি সংকেত বা সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- নিউক্লিয়াসটি কোষের কেন্দ্রের দিকে থাকে: এই বৈশিষ্ট্য সাধারণভাবে মায়োফাইব্রিলের জন্য প্রযোজ্য নয়; সাধারণ কোষে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রে থাকে, কিন্তু মায়োফাইব্রিলের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।
- মায়োফাইব্রিল পরস্পরের সাথে মিলে নেট তৈরি করে: হ্যাঁ, মায়োফাইব্রিলের মাধ্যমে একসাথে কাজ করে একটি শক্তিশালী সংকেত ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা তৈরি হয়, যা পেশির সংকোচন ও রিল্যাক্সেশনের জন্য অপরিহার্য।