গ্রিন রসায়নের নীতিমালা হল-
- কম ক্ষতিকর রাসায়নিক সংশ্লেষণ
- নবায়নযোগ্য কাঁচামালের কম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ
- মাধ্যমিক গৌণ পদার্থের উৎপাদন হ্রাসকরণ
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
C.
iও iii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
গ্রিন রসায়ন: একটি একাডেমিক আলোচনা ♻️🧪
গ্রিন রসায়ন, যা পরিবেশ-বান্ধব রসায়ন নামেও পরিচিত, রসায়নের এমন একটি শাখা যেখানে ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার ও উৎপাদন কমিয়ে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব হ্রাস করাই মূল লক্ষ্য। এটি মূলত ১২টি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত। নিচে কয়েকটি নীতি আলোচনা করা হলো:
গ্রিন রসায়নের মূলনীতিসমূহ:
- কম ক্ষতিকর রাসায়নিক সংশ্লেষণ: এমন রাসায়নিক বিক্রিয়া তৈরি করতে হবে যেখানে উৎপন্ন পদার্থগুলো পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর হয়। 🌿
- নবায়নযোগ্য কাঁচামালের ব্যবহার: জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে বায়োমাস বা অন্য কোনো নবায়নযোগ্য উৎস থেকে প্রাপ্ত কাঁচামাল ব্যবহার করা উচিত। ☀️
- মাধ্যমিক গৌণ পদার্থের উৎপাদন হ্রাস: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বর্জ্য বা উপজাত দ্রব্য উৎপাদন কমানো অথবা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করাই গ্রিন রসায়নের অন্যতম লক্ষ্য। 🗑️➡️🚫
- অধিক কার্যকরী অনুঘটক ব্যবহার : বিক্রিয়ার গতি বাড়াতে এবং শক্তি খরচ কমাতে অনুঘটক (Catalyst) ব্যবহার করা উচিত। ⚡
- নিরাপদ দ্রাবক ব্যবহার : বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত দ্রাবক (Solvent) যেন পরিবেশ-বান্ধব হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। 💧
গ্রিন রসায়নের সুবিধা:
- পরিবেশ দূষণ হ্রাস করে। 🌍✅
- মানব স্বাস্থ্যের উপর ঝুঁকি কমায়। ❤️✅
- উৎপাদন খরচ সাশ্রয় করে। 💰✅
- টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে। 🌱✅
গ্রিন রসায়নের প্রয়োগক্ষেত্র:
| ক্ষেত্র | উদাহরণ |
|---|---|
| কৃষি 🌾 | জৈব কীটনাশক ও সার ব্যবহার 🐛🚫 |
| শিল্প 🏭 | পরিবেশ-বান্ধব রং ও পলিমার উৎপাদন 🎨 |
| ঔষধ 💊 | কম ক্ষতিকর উপায়ে ঔষধ সংশ্লেষণ 🤕➡️😊 |
গ্রিন রসায়ন বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে গ্রিন রসায়নের বিকল্প নেই। 💚🌎
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া
ধন্যবাদ! 🙏
Contact:📧example@email.com
```