রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপরিচিতা' গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
A. উত্তম পুরুষ
B. মধ্যম পুরুষ
C. নাম পুরুষ
D. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তরঃ
A.
উত্তম পুরুষ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- অনুপমের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে মামা মামলাকরার পরিকল্পনা করেছিলেন কীসের জন্য?বিবাহের চুক্তিভঙ্গেআর্থিক ক্ষতি পোষাতেমানহানির দাবিতেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'অপরিচিতা' গল্পের প্রতিপাদ্য— পণ প্রথার বিরুদ্ধাচরণদেশসেবাবর্ণভেদনিচের কোনটি সঠিক?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীকে আশীর্বাদ করতে যায় -
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।কল্যাণীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'মুসলমানীর গল্প' নামক গল্পটি কে লিখেছেন?
- "অপরাচিতা গল্পের কথক চরিত্র কে?
- "অপরিচিতা" গল্পে 'ফলের মতো গুটি' উপমাটি দ্বারা যা বুঝায়-
- ’পাকযন্ত্রটাকে সমস্ত অন্নসুদ্ধ সেখানে টান মারিয়া ফেলিয়া দিয়া আসিতে পারিলে তবে আফসোস মিটিত’। তোমার পঠিত কোন গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে?
- অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী বিয়েতে কোন রঙের শাড়ি পরেছে বলে অনুপম কল্পনা করে?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের আলোকে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের পরিণতি বর্ণনা কর।
- হরিশ কোথায় কাজ করে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত তম (দেড়শত তম) জন্মবার্ষিকীর বছর কোনটি?
- বিভার বাবা আলম সাহেব অল্প বেতনে চাকরি করলেও মেয়েকে তিনি শিক্ষিত করেছেন। বিয়ের কথা পাকা হওয়ার দিন পাত্রপক্ষ বিপুল অঙ্কের যৌতুক দাবি করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। সেইসাথে অবাক হন পাত্র কৌশিকের মৌনরূপ দেখে। বিভা তাই তার বাবাকে জানিয়ে দেয়, যে ছেলে মেয়ের বাবার কাছে হাত পেতে অর্থ নেয়, সে ছেলের কাছে আমি কখনোই সম্মান পাব না।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- কল্যাণীর বিয়ের গহনাগুলো কোন আমলের?
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের বাবা চরিত্রের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের তুলনা করো।
- রবীন্দ্রনাথের 'মুক্তধারা':
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।উদ্দীপকের তমালিকা চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।
- অপরিচিতা গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?