উদ্ভিদ কোষে কোনটি শ্বসনের প্রধান অঙ্গ?
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বঅবাত শ্বসন (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
মাইটোকন্ড্রিয়া
Explanation:

Another Explanation (5):
উদ্ভিদ কোষে শ্বসনের প্রধান অঙ্গ: মাইটোকন্ড্রিয়া 🏭
উদ্ভিদ কোষের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ার মূল কেন্দ্র হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। এটি কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:মাইটোকন্ড্রিয়া: পাওয়ার হাউস 🔋
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের "পাওয়ার হাউস" বলা হয়। কারণ এটি জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করে, যা এটিপি (ATP) নামে পরিচিত। এই এটিপি কোষের বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।শ্বসনে মাইটোকন্ড্রিয়ার ভূমিকা 📝
উদ্ভিদকোষে শ্বসন প্রক্রিয়া মূলত দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়:- গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis): এই প্রক্রিয়াটি সাইটোপ্লাজমে ঘটে। এখানে গ্লুকোজ ভেঙে পাইরুভেট উৎপন্ন হয়।
- ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন (Krebs Cycle & Electron Transport Chain): এই দুটি পর্যায় মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে ঘটে। পাইরুভেট এখানে জারিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড, জল এবং প্রচুর পরিমাণে এটিপি উৎপন্ন করে।
মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন 🧬
মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন বেশ জটিল। এর প্রধান অংশগুলো হলো:- বহিঃ ঝিল্লি (Outer Membrane): এটি মাইটোকন্ড্রিয়াকে আবৃত করে রাখে।
- অন্তঃ ঝিল্লি (Inner Membrane): এটি ভাজ হয়ে ক্রিস্টি গঠন করে এবং এখানেই ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন সংঘটিত হয়।
- ম্যাট্রিক্স (Matrix): এটি মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরের তরল অংশ, যেখানে ক্রেবস চক্রের বিক্রিয়াগুলো ঘটে।
মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যাবলী ⚙️
মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজগুলো হলো:| কাজ | বিবরণ |
|---|---|
| এটিপি উৎপাদন ⚡ | শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য থেকে এটিপি তৈরি করা। |
| কোষের শক্তি সরবরাহ 💡 | উৎপাদিত এটিপি কোষের বিভিন্ন জৈবিক কাজে সরবরাহ করা। |
| মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় সাহায্য 🧪 | বিভিন্ন মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা। |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️
* মাইটোকন্ড্রিয়ায় নিজস্ব ডিএনএ (DNA) এবং রাইবোসোম (Ribosome) রয়েছে। * এরা বংশগতভাবে মাতৃকূল থেকে আসে। 👩👧👦 * কোষের প্রয়োজনে মাইটোকন্ড্রিয়া সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। ➕ সুতরাং, উদ্ভিদ কোষের শ্বসনের জন্য মাইটোকন্ড্রিয়া একটি অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ। এটি শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে উদ্ভিদকে জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালাতে সহায়তা করে। 🪴Option A Explanation:
- নিউক্লিয়াস: নিউক্লিয়াস কোষের কেন্দ্রীয় অঙ্গাণুটি, যা কোষের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
- পানি ও pH বজায় রাখা: নিউক্লিয়াসের মূল কাজের মধ্যে নয়, বরং এটি ডিএনএ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী।
- অঙ্গাণু হিসেবে ভূমিকা: নিউক্লিয়াসের মাধ্যমে কোষের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ হয়, তবে পানি ও pH এর মাত্রা ঠিক রাখতে অন্যান্য অঙ্গাণুগুলি বেশি কার্যকর।
Option B Explanation:
- মাইটোকন্ড্রিয়া হল কোষের একপ্রকার অঙ্গ, যা জীবনীশক্তি উৎপাদনে মূল ভূমিকা পালন করে।
- এটি কোষের শক্তি কেন্দ্র (Powerhouse of the Cell) হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি এন্ট্রি করে শক্তি সংশ্লেষণে সহায়তা করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া নিজেদের ডিএনএ ধারণ করে এবং নিজেদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন উৎপাদন করতে সক্ষম।
- এটি প্রায় সব ধরনের ইওক্যারিয়টিক কোষে পাওয়া যায়, যেমন উদ্ভিদ, প্রাণী ও ছত্রাক কোষে।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরে ক্রিয়াকলাপের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও প্রোটিন রয়েছে যা শর্করা, ফ্যাট ও প্রোটিনের বিপাকের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে।
Option C Explanation:
- প্লাস্টিড: প্লাস্টিড হলো এক ধরনের আঞ্চলিক অঙ্গাণু যা শুধুমাত্র উদ্ভিদকোষে পাওয়া যায়।
- এটি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যেমন ক্লোরোপ্লাস্ট, লুকোপ্লাস্ট, এবং ক্রোমোপ্লাস্ট।
- প্লাস্টিডে ৭০S রাইবোজোম থাকে, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী।
- এই ৭০S রাইবোজোম গুলি ইউনিটের আকারে ছোট, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- অর্থাৎ, প্লাস্টিডে থাকা ৭০S রাইবোজোম উদ্ভিদ কোষে প্রোটিন তৈরি করার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
Option D Explanation:
- রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
- অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
- অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।