মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বর্ণান্ধতা কোন ধরনের রোগ?

A. অটোসোমাল
B. সেক্স-লিঙ্কড
C. ট্রাইসোমি
D. টেরাটোজনিত
Poster Download
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনসেক্সলিঙ্কড ডিসঅর্ডার (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. সেক্স-লিঙ্কড
Explanation: Option A :অটোসোমাল - এটি সঠিক নয়, বর্ণান্ধতা অটোসোমাল নয়। \nOption B:সেক্স-লিঙ্কড - এটি সঠিক উত্তর, বর্ণান্ধতা সেক্স-লিঙ্কড রোগ। \nOption C:ট্রাইসোমি - এটি সঠিক নয়, ট্রাইসোমি এক ধরনের ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা, যা বর্ণান্ধতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। \nOption D:টেরাটোজনিত - এটি সঠিক নয়, টেরাটোজনিত রোগ এমন জন্মগত অবস্থার জন্য ব্যবহৃত হয়। \nNote: বর্ণান্ধতা এক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে পরিপূর্ণ হয় এবং এটি সাধারণত পুরুষদের মধ্যে দেখা যায়।
Another Explanation (5):

বর্ণান্ধতা: একটি সেক্স-লিঙ্কড রোগ 🧬

বর্ণান্ধতা কী? 🤔

বর্ণান্ধতা, যা কালার ভিশন ডেফিসিয়েন্সি (Color Vision Deficiency) নামেও পরিচিত, এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে ব্যক্তি নির্দিষ্ট কিছু রং অথবা সব রং সঠিকভাবে দেখতে পায় না।

"সেক্স-লিঙ্কড" মানে কী? 🤷‍♀️

"সেক্স-লিঙ্কড" বলতে বোঝায় রোগটির জিন X ক্রোমোজোমের সাথে সম্পর্কিত। যেহেতু নারীদের দুটি X ক্রোমোজোম (XX) থাকে এবং পুরুষদের একটি X ও একটি Y ক্রোমোজোম (XY) থাকে, তাই এই রোগের প্রকাশ ভিন্ন হয়।

কেন এটি সেক্স-লিঙ্কড রিসেসিভ? 🧐

  • রিসেসিভ (Recessive): এর মানে হল, রোগটি প্রকাশ পাওয়ার জন্য দুটি X ক্রোমোজোনেই ত্রুটিপূর্ণ জিন থাকতে হয় (নারীদের ক্ষেত্রে)।
  • পুরুষদের ঝুঁকি (Men's Risk): পুরুষদের যেহেতু একটি মাত্র X ক্রোমোজোম থাকে, তাই একটি ত্রুটিপূর্ণ জিনই রোগটি সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট। 👨‍🦰
  • মহিলাদের বাহক (Women as Carrier): মহিলাদের দুটি X ক্রোমোজোম থাকার কারণে, একটি ত্রুটিপূর্ণ জিন থাকলে তারা সাধারণত রোগের বাহক হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে রোগটি প্রকাশ পায় না। 👩‍🦰

ঝুঁকির কারণসমূহ 📊

বৈশিষ্ট্য পুরুষ ♂️ নারী ♀️
X ক্রোমোজোমের সংখ্যা ১টি ২টি
রোগের প্রকাশ একটি ত্রুটিপূর্ণ জিনই যথেষ্ট দুটি ত্রুটিপূর্ণ জিন থাকতে হয়
বাহক হওয়ার সম্ভাবনা নেই আছে

বর্ণান্ধতার প্রকারভেদ 🌈

  1. ডায়ক্রোম্যাটিজম (Dichromatism): একটি রং দেখতে না পাওয়া।
  2. অ্যানোমালি ট্রাইক্রোম্যাটিজম (Anomalous Trichromatism): রঙের সংবেদনশীলতা কম থাকা।
  3. মনোক্রোম্যাটিজম (Monochromatism): শুধুমাত্র ধূসর রং দেখতে পাওয়া (সম্পূর্ণ বর্ণান্ধতা)।

কিছু সাধারণ ভুল ধারণা 🚫

  • বর্ণান্ধ মানে শুধু কালো-সাদা দেখা নয়। 🙅‍♂️
  • সব বর্ণান্ধতার চিকিৎসা নেই। 👨‍⚕️

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔

বর্ণান্ধতা একটি বংশগত রোগ এবং এটি জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করতে পারে। সঠিক জ্ঞান এবং সচেতনতা এর মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে। 👍

আরও জানতে এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। 👨‍🏫

Option A Explanation:
  • অটোসোমাল: এটি একটি জেনেটিক রোগের ধরন, যেখানে রোগের গুণধর অবস্থা অটোসোমাল ডোমিন্যান্ট বা অটোসোমাল রিসেসিভ মোডে থাকে।
  • অটোসোমাল রোগের ক্ষেত্রে লিঙ্গের প্রভাব কম বা নেই, অর্থাৎ পুরুষ বা মহিলাদের সমানভাবে আক্রান্ত হতে পারে।
  • উদাহরণস্বরূপ: হিমোফিলিয়া, সিস্টিক ফাইব্রোসিস, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি অটোসোমাল রোগের মধ্যে পড়ে।
  • এই রোগের জেনেটিক গুণধর বা প্রবাহ সাধারণত একটি অটোসোমের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মে প্রকাশ পায়।
Option B Explanation:
  • সেক্স-লিঙ্কড: এটি একটি জেনেটিক প্রকারের বৈশিষ্ট্য যা পুরুষ বা মহিলাদের মধ্যে নির্দিষ্ট জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বা রোগের প্রভাব নির্ভর করে লিঙ্গের ওপর। সাধারণত, এই ধরনের জেনেটিক প্যাটার্নে রোগ বা বৈশিষ্ট্যটি একজন লিঙ্গের জন্য বেশি সংবেদনশীল হয় কারণ এটি লিঙ্গ নির্দিষ্ট ক্রোমোজোমের সাথে সম্পর্কিত।
Option C Explanation:
  • ট্রাইসোমি: এটি একটি জেনেটিক রোগ যা ট্রাইসোমি নামে পরিচিত। এই রোগে, শরীরে অতিরিক্ত কৃত্রিম ক্রোমোজম 21 থাকে।
  • এটি সাধারণত বাচ্চাদের মধ্যে দেখা যায় এবং এর ফলে শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সমস্যা হয়।
  • প্রধান লক্ষণসমূহের ???ধ্যে অঙ্গবিকৃতি, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, এবং শারীরিক অস্বাভাবিকতা অন্তর্ভুক্ত।
  • এটি একটি জেনেটিক ডিনোভারস রোগ, যা স্বাভাবিকভাবে কোনও নির্দিষ্ট লিঙ্গের জন্য সীমাবদ্ধ নয়।
  • প্রতিরোধ বা প্রতিকার হিসেবে কিছু নির্দিষ্ট চিকিৎসা ও পরামর্শ থাকলেও, এটির কোন সম্পূর্ণ নিরাময় নেই।
Option D Explanation:
  1. টেরাটোজনিত: টেরাটোজনি অর্থ হলো এমন ধরণের বিকৃতি বা অস্বাভাবিকতা যা সাধারণত গর্ভে বিকাশের সময় ঘটে। এটি শিশু বা প্রাণীর শারীরিক বা জৈবিক গঠন বা কার্যক্ষমতার মধ্যে অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি করে।
  2. উদাহরণস্বরূপ: শারীরিক অস্বাভাবিকতা যেমন মাথার আকারে পরিবর্তন, অস্বাভাবিক অঙ্গের গঠন, বা অন্যান্য জৈবিক বৈশিষ্ট্য যেখানে গঠন বা কার্যকারিতায় অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।
  3. এটি সাধারণত জেনেটিক বা পরিবেশগত কারণের কারণে ঘটে এবং এটি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যেমন হরমোনের সমস্যা, ক্যান্সার, বা অন্যান্য জৈবিক অস্বাভাবিকতা।
  4. প্রতিটি টেরাটোজনির ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা চিকিৎসা বা ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন হয়, যা অস্বাভাবিকতার ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।