‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কার রচিত গ্রন্থ?
A. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
B. শেখ হাসিনা
C. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
D. এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তরঃ
A.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
Explanation: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ২০১২ সালের ১৮ জুন গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এ পর্যন্ত গ্রন্থটি ১২টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে: ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, অসমীয়া ও রুশ। তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ হলো: কারাগারের রোজনামচা (২০১৭), আমার দেখা নয়াচীন (২০২০) এবং আমার কিছু কথা (২০২০)।
Related Questions (Any University/Year)
- শেখ মুজিবুর রহমান কাদের জন্য জীবন দিতেপ্রস্তুত ছিলেন?
- সে মরাতেও শান্তি আছে।'- লেখক শেখ মুজিবুর রহমান কোন মৃত্যুকে শান্তির কথা বলেছেন।
- ‘সে মরাতেও শান্তি আছে' – লেখক শেখ মুজিবুররহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা কর।
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।"নেলসন মেন্ডেলার আন্দোলন ছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আর 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন ছিল জাতি-সত্তার পক্ষে"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- ফরিদপুরে কত তারিখে শোভাযাত্রা চলল?
- ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রতিবাদস্বরূপ মিছিল-মিটিং করে বিভিন্ন জায়গায়। ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গ??লিবর্ষণ করলে নূরুল হক নামে একজন। ছাত্র শহিদ হন।অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় নিচের কোন ঘটনার মাধ্যমে লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন?
- ঢাকায় ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে অর্ধমাইল দীর্ঘ শোভাযাত্রা বাহির হয়। শোভাযাত্রীগণ 'নূরুল আমিনের রক্ত চাই,' 'নাজিমুদ্দিন গদি ছাড়' প্রভৃতি ধ্বনি করিতে থাকে। শোভাযাত্রীগণ লালদীঘি ময়দানে জমায়েত হইয়া সভা করে।"উদ্দীপকের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iউদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?
- 'আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'আহারে রুচি নেই ' কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কত তারিখে ঢাকাসেন্ট্রাল জেলের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়?
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- "ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে "। বাক্যে কোন ধরনের ক্রিয়া বিদ্যমান?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’য় কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কয়দিন পর বাড়ি পৌছেছিলেন?
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- "মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রতিবাদস্বরূপ মিছিল-মিটিং করে বিভিন্ন জায়গায়। ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে নূরুল হক নামে একজন। ছাত্র শহিদ হন।উদ্দীপকে পুলিশের-আচরণ 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার পুলিশের কোন আচরণকে নির্দেশ করে?
- চে গুয়েভারা বলিভিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী নেতা। অসাধারণ দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও সফলতা অর্জন করেন।উদ্দীপকের আব্রাহাম লিংকন ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় সাদৃশ্যের ভিত্তি হলো-ভাষা প্রেম দেশপ্রেম দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা নিচের কোনটি সঠিক?
- বঙ্গবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে অনশন ভাঙান কে?
- নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- "মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম কী?
- জীবনে আর দেখা নাও হতে পারে'- বঙ্গবন্ধুর এ কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- রেণু কে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- সেমিকোলনের বাংলা
- 'এভাবে মৃত্যুবরণ করে কী লাভ হবে?' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- "মাগো, ভাবনা কেন?আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলেতোমার তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে লড়তে জানিভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"এভাবেই এই দেশকে ভালোবেসে এদেশের প্রতিবাদী মানুষ ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন।উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।
- ইচ্ছা শব্দের বিশেষণ কোনটি ?
- বায়ান্নর দিনগুলো' রচনা অনুসারে শেখ মুজিবুর রহমান যখন জেলে যান তখন শেখ কামালের বয়স কত ছিল?
- 'লোকটি গরিব কিন্তু সৎ'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- কোনটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী-
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।উদ্দীপকের মার্টিন লুথার কিং চরিত্র 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে? আলোচনা কর।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোপনে কয়েদিকে দিয়ে কাগজ আনালেন কেন?
- 'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
- 'তবে আমার লাশ মুক্তি পেয়ে যাবে।' শেখ মুজিবুর রহমানের এমন কঠোর অবস্থানের কারণ কী?