'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
A. আমার পথ
B. বায়ান্নর দিনগুলো
C. অপরিচিতা
D. নেকলেস
সঠিক উত্তরঃ
B.
বায়ান্নর দিনগুলো
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'নাশতা খাবার ইচ্ছা আমার নাই'- কে, কোন প্রসঙ্গে একথা বলেছে?
- বাংলা ভাষায় অসমাপিকা ক্রয়ার রুপ
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করতেন?
- মুজিবনগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান-
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় আর্মড পুলিশের সুবেদার কোথাকার লোক ছিলেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের কোন জীবনের কথা বিবৃত হয়েছে?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা করো।
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।'- কেন?
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিতহয়েছে— আত্মম্ভরিতা আত্মমর্যাদানিৰ্ভীকতানিচের কোনটি সঠিক?
- কর্মবাচ্যের উদাহরণ
- 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' কথাটিতে বাঙালির কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুরে কোন দায়িত্বে ছিলেন?
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দেশের মানুষের জন্যআন্দোলন করেন। আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে তিনিছিলেন পুরোধা, নিবেদিতপ্রাণ। তিনি কখনো কারো কাছেমাথা নত করেননি।উদ্দীপকের আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সাথেতোমার পঠিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোনচরিত্রের মিল দেখা যায়?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল জীবনের ওপর রচিত বইয়ের নাম কি?
- "ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে "। বাক্যে কোন ধরনের ক্রিয়া বিদ্যমান?
- বন্ধু, তোমার ছাড়ো উ???্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দূর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোতে রুখে, তন্দ্রাকে করো ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোলো ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে, গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়ান্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার লেখকের ব্যক্তিজীবনের ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবি নেই"- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।