'মানুষ স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়।' যে রচনার উদ্ধৃতি–
A. রেইনকোট
B. নেকলেস
C. বায়ান্নর দিনগুলো
D. অপরিচিতা
সঠিক উত্তরঃ
C.
বায়ান্নর দিনগুলো
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়' -কোন কারক?
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস কোনটি?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্কুলের ছাত্র ছিলেন?
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দেশের মানুষের জন্যআন্দোলন করেন। আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে তিনিছিলেন পুরোধা, নিবেদিতপ্রাণ। তিনি কখনো কারো কাছেমাথা নত করেননি।উদ্দীপকের আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সাথেতোমার পঠিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোনচরিত্রের মিল দেখা যায়?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছে থেকে অনেক কিছুপ্রত্যাশা করে”— উক্তিটি দ্বারা 'বায়ান্নর দিনগুলো”রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?
- কর্মবাচ্যের উদাহরণ
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কী জাতীয় রচনা?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষাসৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর কিভাবে পেয়েছিলেন?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতেথাকে।'— এখানে কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?
- ‘আমি তো তোমারও আব্বা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান এ কথাটি কার উদ্দেশ্যে বলেন?
- মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে। কার উক্তি?
- ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু কী পুরস্কারে ভূষিত হন?
- "মাগো, ভাবনা কেন?আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলেতোমার তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে লড়তে জানিভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"এভাবেই এই দেশকে ভালোবেসে এদেশের প্রতিবাদী মানুষ ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন।উদ্দীপকের তাৎপর্য 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না'- কেন?
- হাইফেন (-) চিহ্নের বিরতিকাল কত?
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরজন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হয়-
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।'- কেন?
- শেখ মুজিবুর রহমান যে জেলে ছিলেন তার ডেপুটি জেলার কে ছিলেন?
- ‘জনাব নুরুল আমিন বুঝতে পারলেন না ______ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল ।’ শূণ্যস্থানে কি ছিলো?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুরে কোন দায়িত্বে ছিলেন?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'- কোন প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন কয়টায়, • ফরিদপুর পৌছেছিলেন?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'যদি তারে নাই চিনি গো , সে কি আমার নেবে চিনে।' কোন ধরনের বাক্য?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার কোন ঘটনার মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- ‘সে মরাতেও শান্তি আছে' – লেখক শেখ মুজিবুররহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নিরূপণ কর।
- 'দৈনিক পাকিস্তান' পত্রিকাটি পরবর্তীকালে কী নামেপ্রকাশিত হয়?
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iউদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?
- ভাষা আন্দোলনে ছাত্র -জনতার ওপর গুলিবর্ষণের জন্য দায়ী কে?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার লেখকের ব্যক্তিজীবনের ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবি নেই"- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক প্রবন্ধে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাড়ি নেওয়ার জন্য জেলগেটে কে এসেছিলেন?
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
- একুশে ফেব্রুয়ারী ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু কোন কারাগারে ছিলেন?
- 'রেইনকোট' গল্পে সর্দার গোছের রাজাকার কে?
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিতহয়েছে— আত্মম্ভরিতা আত্মমর্যাদানিৰ্ভীকতানিচের কোনটি সঠিক?