১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।
'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।

- 'যে হিমালয়ে বাস করিতেন , সেই হিমালয়ের তিনি যেন মিতা। ' বাক্যটি -
- "তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসখিনা বিবির কপাল ভাঙল সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীরশহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকায়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্রতুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।""স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালিদের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি কতটা সমর্থনযোগ্য? মতামত দাও।
- কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ-
- "বন্য -শ্বাপদ -সঙ্কুল জবা -মৃত্যু -ভীষণা ধরা"- এ চরণে পৃথিবীর রুপ বোঝাতে কটি বিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।"- কেন, ব্যাখ্যা কর।
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিতহয়েছে— আত্মম্ভরিতা আত্মমর্যাদানিৰ্ভীকতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানকে এদেশের কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য,নির্মমভাবে হত্যা করে।'উদ্দীপকের জাতির পিতার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের সিরাজ চরিত্রের সাদৃশ্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য—দেশপ্রেমউদারতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- "ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে "। বাক্যে কোন ধরনের ক্রিয়া বিদ্যমান?
- 'সে মরাতেও শান্তি আছে'- লেখক শেখ মুজিবুর রহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাসে মহান দার্শনিক সক্রেটিস এর নাম উজ্জ্বল ও ভাম্বর হয়ে আছে। তিনি এমন এক দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রবর্তক যা কিনা পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি ও দর্শনকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলতেন "আমি জ্ঞানী নই, জ্ঞানানুরাগী মাত্র। একটি জিনিসই আমি জানি; আর সেটি হলো এই যে, আমি কিছুই জানি না।" না।” শাসকদের শা কোপনলে পড়ে জেলবন্দি হন। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও যাননি। । এই মহান জ্ঞানীকে হেমলক পানে হত্যা করা হয়।আদর্শগত বিবেচনায় সক্রেটিস ও শেখ মুজিবুর রহমানের ভিন্নতা থাকলেও দৃঢ়তা ও মনোবলে উভয়ের দারুন মিল। উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' অবলম্বনে বিচার কর।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার চারিত্রিক সাদৃশ্য রয়েছে? তুলনামূলক আলোচনা করো। নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।' -বাক্যটি যে রচনার অন্তর্গত-
- 'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া ।' এখানে 'তরে' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- মুসলিম লীগ সরকারকে বঙ্গবন্ধু অপরিণামদর্শী বলার কারণ কী?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন কয়টায়, • ফরিদপুর পৌছেছিলেন?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- জেলখানায় বঙ্গবন্ধুর অনশন ভাঙালেন কে?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক প্রবন্ধে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাড়ি নেওয়ার জন্য জেলগেটে কে এসেছিলেন?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কোন জাতীয় রচনা?
- ঢাকায় ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে অর্ধমাইল দীর্ঘ শোভাযাত্রা বাহির হয়। শোভাযাত্রীগণ 'নূরুল আমিনের রক্ত চাই,' 'নাজিমুদ্দিন গদি ছাড়' প্রভৃতি ধ্বনি করিতে থাকে। শোভাযাত্রীগণ লালদীঘি ময়দানে জমায়েত হইয়া সভা করে।"বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তার বিড়ম্বিত পারিবারিক জীবনের নানা তথ্য রয়েছে যা উদ্দীপকে নেই।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- ফরিদপুরে ‘সারাদিন শোভাযাত্রা চলেছিল' কততারিখে?
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দেশের মানুষের জন্যআন্দোলন করেন। আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে তিনিছিলেন পুরোধা, নিবেদিতপ্রাণ। তিনি কখনো কারো কাছেমাথা নত করেননি।উদ্দীপকের আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সাথেতোমার পঠিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোনচরিত্রের মিল দেখা যায়?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না” “বায়ান্নরদিনগুলো' রচনায় কে দমাতে পারবে না?
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয় কবে?
- 'কারাগারে রোজনামচা' বইটির রচয়িতা কে?
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নিরূপণ কর।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্কুলের ছাত্র ছিলেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কীসের ভিত্তিতে সমগ্র জাতিকে অভিনব লক্ষ্যে একত্র করেন?
- আমাদের ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত । ভাষাআন্দোলন আমাদের জাতিসত্তা ও ভাষাকে আন্তর্জাতিক,মর্যাদায় ভূষিত করেছে।উদ্দীপকের বায়ান্নর দিনগুলো রচনার কোনদিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কী জাতীয় রচনা?
- "সেইদিন আজো জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেদিন মহানবিজয়ী বীর দূর দেশে থেকে স্বদেশে এলেন ফিরে।শুনেছি সেদিন জয়ঢাক আর জন-উল্লাস;পথে-প্রান্তরে তাঁরই কীর্তন, তিনিই মুক্তিদূত।নিহত এ্যাগামেমনন, কবরে শায়িত আজ।"উদ্দীপকের 'বিজয়ী বীরের' স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সাথে বঙ্গবন্ধুর জেলমুক্তির সম্পর্কে আলোচনা করো।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক'খানা চিঠি লিখেছিলেন?
- সে মরাতেও শান্তি আছে।'- লেখক শেখ মুজিবুর রহমান কোন মৃত্যুকে শান্তির কথা বলেছেন।
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কার লেখা?