‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।' -বাক্যটি যে রচনার অন্তর্গত-
A. বায়ান্নর দিনগুলো
B. রেইনকোট
C. আহ্বান
D. মাসি-পিসি
সঠিক উত্তরঃ
A.
বায়ান্নর দিনগুলো
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’য় কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কয়দিন পর বাড়ি পৌছেছিলেন?
- ফরিদপুরে কত তারিখে শোভাযাত্রা চলল?
- "সেইদিন আজো জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেদিন মহানবিজয়ী বীর দূর দেশে থেকে স্বদেশে এলেন ফিরে।শুনেছি সেদিন জয়ঢাক আর জন-উল্লাস;পথে-প্রান্তরে তাঁরই কীর্তন, তিনিই মুক্তিদূত।নিহত এ্যাগামেমনন, কবরে শায়িত আজ।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে- তোমার মতামত দাও।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।"উদ্দীপকের অধিকার আদায় আর 'বায়ান্নর দিনগুলো" রচনায় অধিকার আদায় একই বিন্দুতে গাঁথা।"- এ যুক্তিসহ নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- ‘বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশাকরে।'— 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই 'অনেক কিছুহলো-
- “রতন পোস্ট অফিসের চারিদিকে কাঁদিয়া কাঁদিয়া বেড়াইতে লাগিল।" বাক্যটি গঠন অনুসারে-
- 'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া ।' এখানে 'তরে' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- " অসমাপ্ত আত্মজীবনী " কার রচিত ?
- 'এভাবে মৃত্যুবরণ করে কী লাভ হবে?' 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুলহতে থাকে।'— 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের এউক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—অভিজ্ঞতাভাগ্য বিড়ম্বনাইতিহাসবোধনিচের কোনটি সঠিক?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' উদ্দীপকের মাটিন লুথার কিং-এর সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা আলোচনা করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন কয়টায়, • ফরিদপুর পৌছেছিলেন?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলেকত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।উদ্দীপকটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বন্দি ছিলেন?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উদ্দীপকের আলোকে পলাশি যুদ্ধে পরাজয়ের পরকে জনমত গঠনের মাধ্যমে প্রতিরোধের শেষ চেষ্টাকরেছিলেন?
- অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতে পারি, সে মরাতেও শান্তি আছে।"- লেখক এ কথা বলেছিলেন কেন?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- ‘ইয়ে কেয়া বাত হ্যায়, আপ জেলখানা মে।’ ‘আমি বললাম, কিসমত।’ উক্তিটি কাকে করা হয়েছে?
- এই দেশের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে বহুকালের সংগ্রামী ইতিহাস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিনগুলো আমাদের জাতীয় আন্দোলন সংগ্রামের আত্মমর্যাদার চেতনার বীজ পত্তন করেছে। এ দেশকে ভালোবেসে বহু প্রতিবাদী মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ইতিহাসে তাঁরা অমর।'এ দেশকে ভালোবেসে বহু প্রতিবাদী মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ইতিহাসে তাঁরা অমর।'- বাক্যটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- 'চটপট কাজ সেরে নাও' -এখানে 'চটপট' কোন পদ?
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?
- 'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
- নূরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- জীবনে আর দেখা নাও হতে পারে'- বঙ্গবন্ধুর এ কথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- "বেশি জোরে চালাবেন না, কারণ বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়।"- আলোচনা করো।
- 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনায় ডেপুটি জেনারেল নাম কী?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতেথাকে।'— এখানে কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?
- "তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসখিনা বিবির কপাল ভাঙল সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীরশহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকায়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্রতুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।"উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প কোন বিশেষ সময়ের ভয়াবহতার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকায় জনগণের জন্য আমৃত্যুলড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণ করেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপোষ করেননি।নেলসন ম্যান্ডেলা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকোন দিক থেকে সমার্থককারাভোগেপ্রতিবাদেদেশপ্রেমেনিচের কোনটি সঠিক?
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকায় জনগণের জন্য আমৃত্যুলড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণ করেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপোষ করেননি।উদ্দীপকে তোমার পাঠ্য কোন রচনার মিল রয়েছে?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- "সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়" কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত হন?
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে।'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উল্লিখিত সাদৃশ্যপূর্ণস্লোগানগুলো হলো- রাজবন্দিদের মুক্তি চাই পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানাবাঙালিদের শোষণ করা চলবে নানিচের কোনটি সঠিক?
- 'মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'যদি তারে নাই চিনি গো , সে কি আমার নেবে চিনে।' কোন ধরনের বাক্য?
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।"নেলসন ম্যান্ডেলার আন্দোলন ছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আর 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন ছিল জাতি-সত্তার পক্ষে"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে ডেপুটি জেলারের নাম কী?