মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হলো বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।
উদ্দীপকটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যের অধিক মিল রয়েছে?
- 'আহারে রুচি নেই ' কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
- ১৯৫২ সালের কত তারিখে বঙ্গবন্ধু কারাবাস থেকে মুক্তি পান?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকে প্রতিফলিত মনোভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাঝেও দেখা যায়- মূল্যায়ন করো।
- কি সুন্দর ফুল ফুটেছে , এখানে 'কী' কোন পদ ?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতেথাকে।'— এখানে কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্কুলের ছাত্র ছিলেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল জীবনের ওপর রচিত বইয়ের নাম কি?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না'- কেন?
- রেণুর পুরো নাম কী?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা কর।
- বায়ান্নোর দিনগুলোতে লেখকের সঙ্গে সহ অনশনকারীর নাম কী?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি কোন গ্রন্থে সংকলিত?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।"- কেন, ব্যাখ্যা কর।
- ’সদা সত্য কথা বলবে’ বাক্যটি-
- আমারে তোমার বুকে টেনে লও রাজাআমি হিন্দু না- আমি না মোছলমানযাবজ্জীবন কারাবাসসহ সাজাদেশাত্তরের খাঁটি নিষ্পাপ প্রাণ। (সত্যগুহ)উদ্দীপকে যাবজ্জীবন কারাবাস্ত্রে সাথে শেখ মুজিবের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে প্রধান ভূমিকা পালন করে-
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’য় কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কয়দিন পর বাড়ি পৌছেছিলেন?
- ১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির | জন্য কয়টি অর্ডার এসেছিল?
- 'মানুষ স্বার্থের জন্য অন্ধ হয়ে যায়।' যে রচনার উদ্ধৃতি–
- 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে কারা অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর অনশনকরার কারণ—
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাবলি কত সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদক পান কত সালে?
- মুসলিম লীগ সরকারকে বঙ্গবন্ধু অপরিণামদর্শী বলার কারণ কী?
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যবইয়ের 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে। মন্তব্যটি যাচাই কর।
- ‘শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়’ - এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- মালিক পক্ষের নিপীড়ন আর শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের দাবিতে'হাওলাদার কটন মিল'-এর শ্রমিকগণ আমরণ অনশন-ধর্মঘট শুরু করে। তাদের কথা— অত্যাচার ও শোষণেরঅবসান না হলে আমৃত্যু অনশন চালিয়ে যাবে ।উদ্দীপকের মূলভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।উদ্দীপকে গুলি খেয়ে মরার ঘটনাটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'তবে আমার লাশ মুক্তি পেয়ে যাবে।' শেখ মুজিবুর রহমানের এমন কঠোর অবস্থানের কারণ কী?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- আমাদের ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত । ভাষাআন্দোলন আমাদের জাতিসত্তা ও ভাষাকে আন্তর্জাতিক,মর্যাদায় ভূষিত করেছে।উদ্দীপকের বায়ান্নর দিনগুলো রচনার কোনদিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণের জন্য আমৃত্যুলড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণ করেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি।নেলসন ম্যান্ডেলা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকোন দিক থেকে সমার্থক?কারাভোগেপ্রতিবাদেদেশপ্রেমেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের কোন জীবনের কথা বিবৃত হয়েছে?
- "আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।" 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- ইচ্ছা শব্দের বিশেষণ কোনটি ?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছে থেকে অনেক কিছুপ্রত্যাশা করে”— উক্তিটি দ্বারা 'বায়ান্নর দিনগুলো”রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?
- কত তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারামুক্তির আদেশ এসেছিল?
- ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বন্দি ছিলেন?