একবার মরে ভুলে গেছে আজ
মৃত্যুর ভয় তারা।
শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী
অবাক তাকিয়ে রয়;
জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়।
উদ্দীপকে প্রতিফলিত মনোভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাঝেও দেখা যায়- মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে। উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চেতনাপ্রকাশ পেয়েছে?
- শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে মুক্তির কয়দিনপরে বাড়ি পৌঁছেছিলিন?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক প্রবন্ধে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাড়ি নেওয়ার জন্য জেলগেটে কে এসেছিলেন?
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্???ন্থে কত সাল পর্যন্তঘটনাবলি স্থান পেয়েছেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' নিচের কোন গ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে ?
- ’মানুষ সুর্যোদয়ে আনন্দিত হয় এবং কিছু মানুষ রাত্রির আগমনে শঙ্কিত হয়।’ --কোন ধরনের বাক্য
- কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ-
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদক পান কত সালে?
- ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রতিবাদস্বরূপ মিছিল-মিটিং করে বিভিন্ন জায়গায়। ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে নূরুল হক নামে একজন। ছাত্র শহিদ হন।উদ্দীপকে পুলিশের-আচরণ 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার পুলিশের কোন আচরণকে নির্দেশ করে?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।"- কেন, ব্যাখ্যা কর।
- 'যদি এ পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- ব্যাখ্যা করো।
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।
- 'লোকটি গরিব কিন্তু সৎ'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- শেখ মুজিবুর রহমান যে জেলে ছিলেন তার ডেপুটি জেলার কে ছিলেন?
- আমারে তোমার বুকে টেনে লও রাজাআমি হিন্দু না- আমি না মোছলমানযাবজ্জীবন কারাবাসসহ সাজাদেশাত্তরের খাঁটি নিষ্পাপ প্রাণ। (সত্যগুহ)উদ্দীপকে যাবজ্জীবন কারাবাস্ত্রে সাথে শেখ মুজিবের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- ১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির | জন্য কয়টি অর্ডার এসেছিল?
- ‘বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশাকরে।'— 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই 'অনেক কিছুহলো-
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- বায়ান্নর দিনগুলো তে প্রদত্ত কারাগারে অনশনরত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী কে ছিলেন?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।'- ব্যাখ্য?? করো।