মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হলো বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে।
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে-রাঙা
বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।
"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- ‘শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়’ - এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।উদ্দীপকে গুলি খেয়ে মরার ঘটনাটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই এই দাবিতে ধর্মঘটবরকত সালামের খুনে লাল ঢাকা রাজপথ।স্মৃতিসৌধ ভাঙিয়াছ জেগেছে পাষাণের প্রাণমোরা কি ভুলিতে পারি খুনে রাঙা জয় নিশান।উদ্দীপকের ঘটনার আলোকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।"নেলসন মেন্ডেলার আন্দোলন ছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আর 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন ছিল জাতি-সত্তার পক্ষে"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'—উক্তিটির মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রের কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণনা অনুযায়ীকার সহ্যশক্তি বেশি ছিল?
- সেমিকোলনের বাংলা
- 'নিজের ছেলেও অনেক দিন না দেখলে ভুলে যায়।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'নাশতা খাবার ইচ্ছা আমার নাই'- কে, কোন প্রসঙ্গে একথা বলেছে?
- ‘জনাব নুরুল আমিন বুঝতে পারলেন না ______ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল ।’ শূণ্যস্থানে কি ছিলো?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম কী?
- বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ ভ্রাতা কে?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'- কোন প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' রচনা করেন?
- অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে কত সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল জীবনের ওপর রচিত বইয়ের নাম কি?
- "অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতেপারি, সে মরাতেও শান্তি আছে। " "বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার উক্তিটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের যে মনোভাবপ্রকাশিত হয়েছে—দেশপ্রেমভাষাপ্রীতিআত্মসমর্পণনিচের কোনটি সঠিক?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার কোন ঘটনার মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।