বায়ান্নর দিনগুলো তে প্রদত্ত কারাগারে অনশনরত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী কে ছিলেন?
A. আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
B. মহিউদ্দিন আহমদ
C. মাওলানা ভাসানী
D. খান সাহেব ওসমান আলী
সঠিক উত্তরঃ
B.
মহিউদ্দিন আহমদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। মন্তব্যটি কি যথার্থ? বিশ্লেষণ কর।
- 'বোধ হয় আর দু-একদিন বাঁচতে পারি'- শেখ মুজিবুর রহমানের এই বোধ কত তারিখে হয়েছিল?
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।
- 'রেইনকোট' গল্পে লেখক কোন ঋতুর কথা বলেছেন?
- "বেশি জোরে চালাবেন না, কারণ বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়।"- আলোচনা করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষাসৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর কিভাবে পেয়েছিলেন?
- “আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীই বোধ হয় আর বাইরেনাই।”— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের-
- 'রেইনকোট' গল্পে সর্দার গোছের রাজাকার কে?
- ভাষা আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন কারাগারে বন্দী ছিলেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কী জাতীয় রচনা?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পুরিসিসে ভুগছিলেন কে?
- ‘আমি তো তোমারও আব্বা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান এ কথাটি কার উদ্দেশ্যে বলেন?
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির নাম দেন কে?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- "অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতেপারি, সে মরাতেও শান্তি আছে। " "বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার উক্তিটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের যে মনোভাবপ্রকাশিত হয়েছে—দেশপ্রেমভাষাপ্রীতিআত্মসমর্পণনিচের কোনটি সঠিক?
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করতেন?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'—উক্তিটির মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রের কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে ডেপুটি জেলারের নাম কী?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা করো।