পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তর
দানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডব
হানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাস
সেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়
উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপ
ঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে
…………….…………….…………….…………….
অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামে
বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাই
যেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাই
মুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকার
মুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।
"সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কোনটি?
- 'যদি তারে নাই চিনি গো , সে কি আমার নেবে চিনে।' কোন ধরনের বাক্য?
- নূরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টিকে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
- “ওপরের আদালতের হুকুম” বলতে কার নির্দেশবোঝানো হয়েছে?
- চে গুয়েভারা বলিভিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী নেতা। অসাধারণ দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও সফলতা অর্জন করেন।উদ্দীপকের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে-
- 'লোকটি গরিব কিন্তু সৎ'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।"- কেন, ব্যাখ্যা কর।
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নিরূপণ কর।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদক পান কত সালে?
- সঠিকভাবে উপমা ব্যবহার না করলে বাক্য যা হরায়-
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা করো।
- 'তোমাকে ডাবের পানি আমি খাইয়ে দিব।'- কার উক্তি-
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকগুলো আলোচনা করো।
- 'নাশতা খাবার ইচ্ছা আমার নাই'- কে, কোন প্রসঙ্গে একথা বলেছে?
- একুশে ফেব্রুয়ারী ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু কোন কারাগারে ছিলেন?
- শেখ মুজিবুর রহমান চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন কেন?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলেকত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।উদ্দীপকটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ১৮৯৬ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গের মার্কসবাদী চরিত্রগুলোকে নিয়ে শ্রমিকশ্রেণির মুক্তির জন্য 'সংগ্রাম সংঘ' নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠনে ঐক্যবদ্ধ করেন। তার কাজকর্ম ক্রমশই বৃদ্ধি পায়। এই সময় থোর্নটোন কারখানায় শ্রমিকরা ধর্মঘট করে। তৎপর হয় জারের পুলিশ বাহিনী। লেলিনের সাথে সংগঠনের প্রায় সমস্ত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়।উদ্দীপকের লেলিন 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- 'মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।