সে মরাতেও শান্তি আছে।'- লেখক শেখ মুজিবুর রহমান কোন মৃত্যুকে শান্তির কথা বলেছেন।
A.
ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়ে
B.
স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিয়ে।
C.
অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে
D.
জনতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে
সঠিক উত্তরঃ
C.
অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জেলখানায় বসে বঙ্গবন্ধু মোট কয়টি চিঠি লিখেছেন?
- 'বেশি জোরে চালাবেন না; কারণ, বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়'- উক্তিটিতে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' উদ্দীপকের মাটিন লুথার কিং-এর সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা আলোচনা করো।
- ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের কত তারিখে কারাবন্দি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির আদেশ আসে?
- "তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসখিনা বিবির কপাল ভাঙল সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীরশহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকায়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্রতুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।""স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালিদের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি কতটা সমর্থনযোগ্য? মতামত দাও।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে কত সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুরে কোন দায়িত্বে ছিলেন?
- 'মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্যের অংশটুকু তুলে ধরো।
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।' -বাক্যটি যে রচনার অন্তর্গত-
- মুজিবনগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান-
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না'- কেন?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা করো।
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।
- ’সদা সত্য কথা বলবে’ বাক্যটি-
- আফ্রিকার জনমানুষের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ, বৈষম্য আর শোষণ নিপীড়নের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষগুলোর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বের পুরোধা ছিলেন তিনি। তাঁকে সইতে হয়েছে নির্যাতন, খাটতে হয়েছে জেল, সাতাশ বছর সশ্রম কারাভোগ ও ত্যাগের বিনিময়ে আফ্রিকার মানুষদের মুক্তি তথা স্বাধীনতা অর্জিত হয়।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে "বায়ান্নর দিনগুলো" রচনার লেখকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধর।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'তে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- কত তারিখে ফরিদপুরে শোভাযাত্রা হয়েছিল?
- অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতে পারি, সে মরাতেও শান্তি আছে।"- লেখক এ কথা বলেছিলেন কেন?
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয় কবে?
- 'বায়ান্নর দিনগুলি' কোন ধরনের রচনা?
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'- ব্যাখ্যা করো।
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বঙ্গবন্ধুকে স্ট্রেচারে করেবাইরে রাখা হয়—মৃত্যুর আশঙ্কায়কর্তৃপক্ষের অবহেলায়দায় এড়ানোর জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষাসৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর কিভাবে পেয়েছিলেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বসে আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন?
- বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন ব্যবহারের সুবিন্যাস কে সাধন করেছিলেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি কোন গ্রন্থে সংকলিত?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কত তারিখে ঢাকাসেন্ট্রাল জেলের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়?
- চে গুয়েভারা বলিভিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী নেতা। অসাধারণ দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও সফলতা অর্জন করেন।উদ্দীপকের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে-
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'- কথাটি উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- কখন জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয়- শাসকরা যখন শোষক হয় স্বৈরাচার যখন জেঁকে বসে আমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য যখন বেড়ে যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণের জন্য আমৃত্যুলড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণ করেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি।উদ্দীপকটি তোমার পাঠ্য কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iউদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার সাথে মিলরয়েছে?