কোনটি রোধ করার জন্য পুষ্পে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন হয়?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননঅপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
স্ব-পরাগায়ন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ইমাস্কুলেশন হল স্ব-পরাগায়ন রোধের একটি পদ্ধতি, যেখানে পুরুষ অংশ সরিয়ে দেওয়া হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. পর-পরাগায়ন: ভুল, কারণ এটি ভিন্ন ফুলের পরাগায়ন। B. উন্মুক্ত পরাগায়ন: ভুল, কারণ এটি পরিবেশনির্ভর প্রক্রিয়া। C. স্ব-পরাগায়ন: সঠিক, কারণ এটি রোধ করতেই ইমাস্কুলেশন করা হয়। D. স্ব এবং পর-পরাগায়ন: ভুল, কারণ এটি দুটি ধরনের পরাগায়নের সংমিশ্রণ। নোট: উদ্ভিদের কৃত্রিম সংকরায়নে ইমাস্কুলেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
Another Explanation (5):
পুষ্পে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন হওয়ার কারণ ও ব্যাখ্যা
পুষ্পে ইমাস্কুলেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ফুলের পুষ্পের অঙ্গগুলো অন্য অঙ্গের মাধ্যমে পরাগায়নের জন্য প্রস্তুত হয়। এটি মূলত স্ব-পরাগায়ন বা নিজস্ব পরাগের মাধ্যমে পরাগায়নের জন্য প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন:
কোনটি রোধ করার জন্য পুষ্পে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন হয়?
উত্তর:
স্ব-পরাগায়ন 🚫🌸
ব্যাখ্যা / বিশ্লেষণ:
স্ব-পরাগায়ন হলো এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে একই ফুল বা একই গণের ফুলের পরাগের মাধ্যমে পরাগায়ন সম্পন্ন হয়। এতে পরাগের সাথে অঙ্কুরের মিলের সম্ভাবনা বেশি থাকে, যা প্রজনন বৈচিত্র্য কমিয়ে দেয়।
- স্ব-পরাগায়ন রোধ করার জন্য পুষ্পে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন হয় যাতে পরাগের সংস্পর্শে অন্য ফুলের পরাগ বা অঙ্কুর আসে।
- এতে ফলের গুণগত মান বজায় থাকে এবং পরাগের সংস্পর্শে অন্য অঙ্গ বা অঙ্কুর না আসার জন্য ইমাস্কুলেশন গুরুত্বপূর্ণ।
তালিকা: স্ব-পরাগায়ন ও ইমাস্কুলেশনের সম্পর্ক
| পদ | বর্ণনা |
|---|---|
| স্ব-পরাগায়ন 🚫🌸 | একই ফুলের পরাগের মাধ্যমে পরাগায়ন, যা সাধারণত বৈচিত্র্য কমায় |
| ইমাস্কুলেশন | ফুলের অঙ্গগুলোকে পরাগ বা অন্যান্য সংস্পর্শ থেকে রক্ষা করা বা বাধা দেওয়া |
উপসংহার:
সুতরাং, স্ব-পরাগায়ন রোধ করতে পুষ্পে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন 🔒🌺। এটি প্রজনন বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং উন্নত ফলন নিশ্চিত করে।
Option A Explanation:
পর-পরাগায়ন
- পর-পরাগায়ন হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে একই ফুলের পরাগাণু এবং মানসপত্রের স্টিগমা একই ফুলের মধ্যে মিলিত হয়।
- এটি সাধারণত স্ব-পরাগায়নের মাধ্যমে ঘটে, যেখানে ফুলের নিজস্ব পরাগাণু এবং মানসপত্রের গন্তব্য একই ফুলের মধ্যে থাকে।
- পর-পরাগায়নের ফলে জৈবিক বৈচিত্র্য কম হতে পারে, কারণ একই বৈশিষ্ট্যাবলী বহাল থাকে।
- এটি রোধ করার জন্য পুষ্পে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন হয়, যাতে স্ব-পরাগায়ন বাধা দেওয়া যায় এবং বৈচিত্র্য বজায় রাখা যায়।
Option B Explanation:
- উন্মুক্ত পরাগায়ন হল এমন প্রক্রিয়া যেখানে পরাগ পরাগবাহী গুঁড়ি বা পরাগের ঝুড়ি গাছের অন্যান্য গাছে প্রেরিত হয়, যা সাধারণত বাতাস বা জল দ্বারা পরিবহিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে, পরাগের গন্তব্যের জন্য গাছের মধ্যে সরাসরি সংযোগের প্রয়োজন হয় না।
- উন্মুক্ত পরাগায়ন সাধারণত ফলের এবং ফুলের গাছের মধ্যে ঘটে, যেখানে পরাগের সংস্থান সহজে গাছের অন্য গাছে পৌঁছায়।
- এটি এক ধরনের স্বাভাবিক প্রজনন প্রক্রিয়া, যা জৈববৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক।
- বাতাস বা জল দ্বারা পরিবহিত পরাগের মাধ্যমে পরাগায়ন সম্পন্ন হয়, ফলে গাছের প্রজনন বৃদ্ধি পায়।
Option C Explanation:
- স্ব-পরাগায়ন: স্ব-পরাগায়ন হলো প্রক্রিয়া যেখানে একই গাছের পরাগাণু এবং ডিম্বাণু একই ফুল বা একই গাছের মধ্যে মিলিত হয়।
- এতে নতুন উদ্ভিদ গঠনের জন্য অন্য গাছের সাহায্য বা পরাগাণুর প্রয়োজন হয় না।
- এটি সাধারণত ফুলের সুগন্ধ বা পরাগের সহজ প্রবাহের জন্য সুবিধাজনক হয়।
- স্ব-পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় জেনেটিক বৈচিত্র্য কম হয়, কারণ একই গাছের জেনেটিক উপাদানই বারবার ব্যবহার হয়।
- এটি অনেক গাছের জন্য পুষ্পে ইমাস্কুলেশন রোধ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে পরাগাণু এবং ডিম্বাণু একই গাছের মধ্যে থাকে এবং অন্য গাছের সাহায্য ছাড়াই গর্ভধারণ হয়।
Option D Explanation:
- স্ব-পরাগায়ন: যখন একটি ফুলের পরাগনির্গমন একই ফুল বা একই গাছের অন্য ফুলের উপর হয়। এটি সাধারণত ফুলের মধ্যে পরাগের স্থানান্তর ঘটে এবং স্ব-পরাগায়নের মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন হয়।
- পর-পরাগায়ন: যখন এক ফুলের পরাগ অন্য ফুলের জন্য স্থানান্তরিত হয়, যা সাধারণত ভিন্ন গাছ বা ভিন্ন ফুলের মধ্যে ঘটে। এটি পরাগের মাধ্যমে ভিন্ন গাছের মধ্যে প্রজনন নিশ্চিত করে।